• Breaking News

    আর দুটো সোনা জিতলে আমি অমর, বলছেন বোল্ট

    [caption id="attachment_1410" align="alignleft" width="300"]বিদ্যুৎ বোল্ট। ১০০ মিটারে সোনা জেতার পর। ইনেসেটে সেমিফাইনাল রেসের সময় সেই হাসির ছবি। ছবি— টুইটার বিদ্যুৎ বোল্ট। ১০০ মিটারে সোনা জেতার পর। ইনেসেটে সেমিফাইনাল রেসের সময় সেই হাসির ছবি। ছবি— টুইটার[/caption]

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
    রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছেন ক্যামেরুন স্পেন্সার!
    ইনি অ্যাথলিট নন। কোচ নন। এমনকি, ইনি রিও অলিম্পিকের আয়োজকদেরও কেউ নন। তবু কেন লোকের মুখে ফিরছে ক্যামেরুন স্পেন্সারের নাম? উসেইন বোল্টের ছবি তোলার জন্য!
    গেটি ইমেজেসের এই ফটোগ্রাফার এমন এক ছবি তুলেছেন বোল্টের, যা রীতিমতো বিস্ময়কর। ভারতীয় সময় অনুযায়ী রবিবার সাতসকালে রিওতে ১০০ মিটার রেসে নেমেছিলেন বোল্ট। তার ঘণ্টা চারেক আগে জিতেছিলেন সেমিফাইনালটাতে। ক্যামেরুন স্পেন্সারের তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ফিনিশিং পয়েন্টের সামান্য আগে বোল্ট বাঁ দিকে মাথাটা ঘুরিয়ে দেখছেন প্রতিপক্ষ স্প্রিন্টারদের। এতে নতুনত্ব কিছু নেই। নতুন যেটা হল, সেই সময় বোল্টের মুখে হাসি। অ্যাথলিট দুনিয়ার লোকজন বলছেন, ফিনিশিং পয়েন্টের দিকে যে যত বেশি এগোয়, সে ততটাই উজাড় করে দেয় নিজেকে। সেই মুহূর্তেও বোল্ট কী করে হাসলেন! রোডরানাররাই একমাত্র ফিনিশিং পয়েন্টের কাছে ওই রকম এক গাল হাসি উপহার দিতে পারেন ভক্তদের।
    উসেইন বোল্ট অন্য এক প্ল্যানেটের— আরও এক বার প্রমাণ হল তা। বেজিং, লন্ডন ঘুরে রিও— ১০০ মিটারে টানা তিন বার চ্যাম্পিয়ন জামাইকান অ্যাথলিট। রেস জেতার পর কী বলতে পারেন তিনি? ‘এক জন আমাকে বলেছে, আমি অমর হয়ে যেতে পারি। যদি রিওর তিনটে ইভেন্টে সোনা থাকে আমার। প্রথমটা হয়ে গিয়েছে। বাকি আর দুটো। আমি অমর হতে চাই।’

    No comments