• Breaking News

    টুইটারে অভিনন্দন জানালেন সাইনা-কাশ্যপ, সেরা মুহূর্ত বলছেন সিঁধু

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

    2016 Rio Olympics - Badminton - Women's Singles - Quarterfinals - Riocentro - Pavilion 4 - Rio de Janeiro, Brazil - 16/08/2016. P.V. Sindhu (IND) of India plays against Wang Yihan (CHN) of China.  REUTERS/Marcelo del Pozo FOR EDITORIAL USE ONLY. NOT FOR SALE FOR MARKETING OR ADVERTISING CAMPAIGNS.

    সাইনা নেহওয়ালের টুইট, ‘সেমিফাইনালে পৌঁছনোর জন্য অভিনন্দন। গ্রেট গেম!’

    পারুপল্লি কাশ্যপ জানালেন টুইটার-মারফৎ, ‘এগিয়ে চলো ভারত! খুব ভাল খেলেছ পুসারলা। ব্যাডমিন্টন শুরুতে থাকা উচিত ছিল। বাকি অ্যাথলিটদের উজ্জীবিত করতে পারত।’

    আর বিশ্বের দু-নম্বর তারকাকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে পুসারলা বেঙ্কট সিঁধু জানালেন, ‘জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। অলিম্পিক মানেই আলাদা। খুব ভাল লাগছে। আশা করি এমন মুহূর্ত আরও আসবে জীবনে।’

    তিনি এখন পদকের কাছাকাছি। অন্তত দুটো ম্যাচ খেলবেনই। চাই আর একটি জয়। সেমিফাইনালে জিতলে ফাইনাল। যদি হেরেও যান জাপানি নোজোমি ওকুহারার কাছে, ব্রোঞ্জ পদকের জন্য লড়তে পারবেন। কিন্তু, পদক নিয়ে ভাবতে রাজি নন সিঁধু। ‘শুধু নিজের খেলা নিয়েই ভেবেছি। জানি, যদি ঠিকঠাক খেলতে পারি, জিতব ম্যাচটা। খেলে যেতে পারলে পদকও জিততে পারি। কিন্তু ঠিকঠাক খেলে যাওয়া নিয়েই ভাবছি। আগের ম্যাচে ভেবেছি, পরের ম্যাচেও (সেমিফাইনালে) ভাবব। নিজের সেরাটা যেন দিতে পারি, এটুকুই চাই।’

    ওয়াংয়ের বিরুদ্ধে জেতার জন্য কৃতিত্ব দিলেন নিজের ধৈর্য-কে। ‘র‍্যালি চলছিল। আক্রমণাত্মক খেলছিল ওয়াং। আবার, আমার যে কোনও স্ম্যাশই ফিরিয়েও দিচ্ছিল। বেশ কয়েকটা স্ম্যাশ বাইরেই পড়ছিল তখন। ধৈর্য হারাইনি তবু। যা হয় হোক, নিজের মতো করে খেলে যেতে হবে, এটাই লক্ষ্য ছিল। ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট বোধহয় সেটাই। কখনও ভাবিনি, ম্যাচটা হারতে পারি। জানতাম, সব কিছুই পাল্টে যেতে পারে যে কোনও মুহূর্তে। প্রতিটা পয়েন্ট পেতেই ঘাম ঝরাতে হয়েছে, দুজনকেই। প্রথম গেমে তো ২০-২০ হয়ে গিয়েছিল। তবু, কখনও মনে হয়নি, হারতে পারি। দ্বিতীয় গেমে এগিয়ে থাকার সময়ও ভাবিনি, জিতে গিয়েছি। খুব কাছাকাছি ছিল ওয়াংও, দুর্দান্ত খেলেছে।’

    মাঝে ৩৮ ঘন্টা সময় সিঁধুর। সেমিফাইনালে নিজেকে আবার সেরা ছন্দে তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য, সবচেয়ে বড় মঞ্চের সেমিফাইনালে।

    No comments