• Breaking News

    সেঞ্চুরি করে ফেলব, ভাবিনি‌: ঋদ্ধি

    [caption id="attachment_1247" align="alignleft" width="300"]সেঞ্চুরির উৎসব। সেন্ট লুসিয়াতে ঋদ্ধিমান সাহা। ছবি‌: বিসিসিআই সেঞ্চুরির উৎসব। সেন্ট লুসিয়াতে ঋদ্ধিমান সাহা। ছবি‌: বিসিসিআই[/caption]

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
    সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর বিশ্ব ক্রিকেটে কি পরবর্তী মুখ খুঁজে পেল বাংলা?
    সেন্ট লুসিয়াতে ঋদ্ধিমান সাহার লড়াকু সেঞ্চুরির পর সে কথা বলাই যায়। ১২৬-৫ এ যখন প্রবল চাপের মধ্যে টিম, তখন ক্রিজে আসেন তিনি। সেখান থেকে রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে নিয়ে ধৈর্যশীল ইনিংস। ২২৭ বলে ১০৪ রান।
    বরাবর মুখচোরা। সাফল্যের দিনেও সে ভাবে আসতে চান আলোয়। প্রথম বাঙালি উইকেট কিপার হিসেবে সেঞ্চুরি করার পরও সাংবাদিক সন্মেলনে আসেননি ঋদ্ধি। ম্যাচের পর অবশ্য বিসিসিআইকে দেওয়া ইন্টারভিউতে বেরিয়ে এল অনেক কথা। তাই তুলে ধরা হল।
    সেঞ্চুরি নিয়ে
    সত্যি বলতে কী, সেঞ্চুরি যে করে ফেলব ভাবিনি। আমি যখনই ব্যাট করতে যাই, টিমের কথা ভাবি। চেষ্টা করি যতটা সম্ভব টিমকে সাহায্য করার। এখানে যখন ব্যাট করতে যাই পরিস্থিতি কঠিন ছিল। তাই যতটা সময় উইকেটে থাকা যায়, তার চেষ্টা করেছি। সেটা করতে গিয়ে সেঞ্চুরিটাও চলে এল। কেরিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি, একটা অন্য রকম ভালো লাগা তো রয়েইছে।
    কেরিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি, তাও আবার বিদেশে
    সেঞ্চুরি সব সময় স্পেশাল আর কঠিন। দেশ বা বিদেশ বলে কিছু হয়। সেঞ্চুরি সহজে আসে না। তাই এটার স্বাদই অন্য রকম।
    পরিকল্পনা
    উইকেটে অনেক বেশি সময় কাটানো আর বল বাই বল খেলার পরিকল্পনা নিয়ে নেমেছিলাম। এই দুটো দীর্ঘক্ষণ করে যাওয়া বেশ কঠিন কাজ। আমি আর অশ্বিন, দু’জন একে অপরকে সাহায্য করে গিয়েছি।
    আগের দিন ৫০ না করতে পারা
    হাফসেঞ্চুরিটা আগের দিনই হয়ে যাবে ভেবেছিলাম। শেষ পর্যন্ত ৪৬-এ নট আউট থেকে যাই। এ দিন সকালে যখন ব্যাট করতে যাই, তখন প্রথম লক্ষ্য হিসেবে হাফসেঞ্চুরিটাই ছিল। চারটে রান দরকার ছিল। ওটা করার পর আবার নতুন করে ব্যাটিং করা শুরু করি।
    অশ্বিনের ৯৯
    (হেসে) হ্যাঁ, লাঞ্চের আগে যে চারটে ওভার পেয়েছিলাম, অশ্বিনের সেঞ্চুরিটা হয়েই যেত। সেটা মাথাতেও ছিল। কিন্তু ওই সময় আমার ব্যাটে বড় রান আসছিল। অশ্বিন সেটা দেখে আমাকে ওটা চালিয়ে যেতে বলে। লাঞ্চের পর ফিরে এসে ও সেঞ্চুরিটাও করে ফেলল।
    ২১৩ রানের পার্টনারশিপ
    ওটাই সব কিছুর উপরে। এমন একটা সময় ব্যাট করতে নেমেছিলাম আমরা দু’জন, যখন চাপে পড়ে গিয়েছে টিম। সেখান থেকে দু’জন টিমকে একটা লড়াই করার মতো জায়গা পৌঁছে দিতে চেয়েছিলাম। এবং সফল ভাবে করতে পেরেছি, এর থেকে ভালো ব্যাপার আর কি হতে পারে?

    No comments