• Breaking News

    রাতের আলোয় অপ্রতিরোধ্য মোহনবাগানের চার গোল এবার!

    মোহনবাগান ৪ জর্জ টেলিগ্রাফ ০



    প্রবীর দাস ১৮, ৩৭, ডাফি ৬১, শরন ৮১


    [caption id="attachment_1241" align="alignleft" width="592"]প্রথম গোল, প্রবীরের হেডে প্রথম গোল, প্রবীরের হেডে[/caption]

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


    রাতের আলোয় মোহনবাগানকে রোখা যাচ্ছে না। প্রথম ম্যাচে পাঁচ গোলের পর দ্বিতীয় ম্যাচে চার গোল। নিজেদের মাঠে দুটি ম্যাচেই জয়ের ব্যবধান চার গোলের। পরপর দুটি ম্যাচে বড় জয়ের পর, গোল-পার্থক্যে ইস্টবেঙ্গলকে ৮-৩ পেছনে ফেলে কলকাতা লিগ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল মোহনবাগান।
    আর, মোহনবাগানের দুটি ম্যাচ থেকে উঠে এলেন সোদপুরের প্রবীর দাস। প্রথম ম্যাচে সেরার পুরস্কার হাতছাড়া হয়েছিল তাঁর, ড্যারিল ডাফি হ্যাটট্রিক করে ফেলায়। দ্বিতীয় ম্যাচে আর সেই আক্ষেপ থাকল না। নিজে গোল করলেন দুটি, বাড়ালেন চতুর্থ গোলের পাস। পরপর দু’দিন তিনটি করে গোলের পেছনে যাঁর পা বা মাথা থাকে, আলাদা করে তাঁকে নজরে তো রাখতেই হবে!
    প্রথম গোল বাঁদিক থেকে তপন মাইতির ক্রসে প্রবীরের হেড। সঙ্গের ডিফেন্ডারকে এড়িয়ে এগিয়ে এসে ঠিক সময় লাফিয়ে এবং মাথায়-বলে ঠিকঠাক যোগাযোগে বল জালে-রাখা। দ্বিতীয় গোলেও ওই তপন-প্রবীর যোগ। এবার বাঁদিক থেকে কর্নার তপনের। বক্সের মধ্যে বল পড়ছে যখন, প্রবীর পা বাড়িয়ে শট এবং বল চলে যায় জর্জ গোলে। গোলরক্ষক লাল্টু চেষ্টা করেও আটকাতে পারেননি।
    দু’গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর প্রথমার্ধে আজহার দুর্দান্ত টার্ন নিয়েছিলেন একবার, জর্জ বক্সের ঠিক বাইরে। প্রথম ম্যাচে নিজের প্রথম গোলের সময় যেভাবে ইনসাইড টার্ন নিয়েছিলেন, অবিকল একই রকম। কিন্তু এদিন তাঁর শট দুর্দান্তভাবে ঝাঁপিয়ে বাঁচান জর্জের গোলরক্ষক। তাঁর হাতে লেগে বল বারে লেগে বাইরে যায়। অবশ্যই মনে থাকার মতো মুহূর্ত।
    দ্বিতীয়ার্ধে, ৫৯ মিনিটে পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। থ্রো করেছিলেন সার্থক। বল বক্সে বৃষ্টিভেজা মাটিতে পড়ে চকিতে এগিয়ে এসে হাতে লেগেছিল গুরপ্রীতের। রেফারি উত্তম সরকার পেনাল্টির সিদ্ধান্ত জানাতে দ্বিধা করেননি। পেনাল্টি নিতে এগিয়ে এসেছিলেন ড্যারিল ডাফি, প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছিলেন যিনি।। কিন্তু পেনাল্টি প্রথমে আটকে দিয়েছিলেন জর্জের গোলরক্ষক লাল্টু। তবে লাল্টুর আটকানো বল যায় এগিয়ে-আসা ডাফির দিকে। বাঁপায়ে ফিরতি বল ফাঁকা গোলে ঠেলে দেন ডাফি। কলকাতা ফুটবল লিগে ডাফির দ্বিতীয় ম্যাচে চতুর্থ গোল। কাদামাখা মাঠে আঘাতের সম্ভাবনা থাকায় কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তী আর ঝুঁকি নেননি, তুলে নিয়েছিলেন ডাফিকে, ৭১ মিনিটে।
    প্রবীরের ব্যাক পাস থেকে দুর্দান্ত শটে চতুর্থ গোল শরন সিংয়ের, ৮৬ মিনিটে। বল বারে লেগে জালে যায়, লাল্টুর কিছু করার ছিল না। জর্জ টেলিগ্রাফ যে একেবারেই আক্রমণ করেনি, এমন নয়। কিন্তু ঠিক সময় গোল পেয়ে বিন্দুমাত্র চাপে পড়েনি মোহনবাগান, নিজেদের মাঠে দ্বিতীয় ম্যাচেও।

    No comments