• Breaking News

    ফাইনালে কলকাতার অন্যতম ভরসা হিউম

    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ

    [caption id="attachment_2767" align="alignleft" width="200"]ফাইনালে হিউমের দিকেই তাকিয়ে কলকাতা। ছবি - আইএসএল ফাইনালে হিউমের দিকেই তাকিয়ে কলকাতা। ছবি - আইএসএল[/caption]

    হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে প্রথম খেতাব পেতে হলে ইয়াইন হিউমকে এখন ভুলে যেতে হবে অতীতকে, থাকতে হবে বর্তমানেই!

    আইএসএল ইতিহাসে এই পরিশ্রমী স্ট্রাইকারই সর্বোচ্চ গোলদাতা। প্রথম মরশুমে খেতাব জয়ের কাছাকাছি এসেও ফিরে যেতে হয়েছিল। তখন তিনি কেরালা ব্লাস্টার্স দলে। খেলেছিলেন আতলেতিকো দে কলকাতার বিরুদ্ধে ফাইনালে, মুম্বইতে। সেই ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে জিতেছিল কলকাতা। দু-বছর পর আবারও ফাইনালে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন। এবার তিনি খেলবেন কেরলের বিরুদ্ধে, কলকাতার হয়ে। তবে, কেরলের ঘরের মাঠেই খেলা যেখানে দর্শকরা আজও তাঁর নামে জয়ধ্বনি করেন।

    ‘ভাগ্যবান সত্যিই। প্রথম মরশুমে ব্লাস্টার্সের হয়ে খেলার পর দু-বছর ধরে খেলছি কলকাতার হয়ে। এই দুটি ক্লাবই ভারতে সবচেয়ে বেশি সমর্থকের ভালবাসা পেয়েছে। ফাইনালে উঠে আবারও খুশিতে ডগমগ। আমার তো মনে হয়, এবার বহু বিশেষজ্ঞকে ভুল প্রমাণ করেছি আমরা। যোগ্য দল হিসাবেই আমরা পৌঁছেছি ফাইনালে,’ বলেছেন হিউম। গত তিন মরশুমে মোট ২৩ গোল আছে তাঁর, আইএসএল-এ।

    যারা নিরপেক্ষ তাদের কাছেও খুবই উত্তেজক হতে চলেছে আগামী রবিবারের ফাইনাল, যা খেলা হবে কোচির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে। হিউম এখনও পর্যন্ত আইএসএল-এ সব দলের বিরুদ্ধেই গোল করেছেন, শুধু ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ছাড়া। ফলে, এবার ফাইনালে তিনি ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও গোল পান কিনা, দেখতেও উৎসাহী থাকবেন সবাই।

    ‘ফাইনাল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী অচল। ওই দিন মাঠে যারা বেশি ভাল খেলতে পারবে, জিতবে। এটুকু বলতে পারি, দুটি দলই সমান তেতে থাকবে ট্রফি জিততে। দেখা যাক, এবার কারা সুযোগ পায় ট্রফি হাতে তোলার,’ বলেছেন হিউম।

    আতলেতিকো দে কলকাতার কোচ হোসে মোলিনা মুম্বই সিটি এফসি-র বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে হিউমকে দলে রাখেননি। ফাইনালের জন্য সম্ভবত তরতাজা রাখতে চেয়ে। হিউম কিন্তু শেষ দুবছরেই – ২০১৪ সালে কেরলের এবং ২০১৫ সালে কলকাতার –সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন। এবারও কলকাতার পক্ষে তিনিই সবচেয়ে বেশি গোল করেছেন। এখন তিনি সন্তুষ্ট হবেন ট্রফি হাতে পেলেই!

    আতলেতিকো দে কলকাতা খুশিই হবে প্রতিযোগিতার দ্বিতীয়ার্ধে হিউমের ছন্দে ফিরে আসার ইতিহাসে। গত দুটি মরশুমেই হিউম কিন্তু প্রতিযোগিতার প্রথম সাত ম্যাচের তুলনায় বেশি সফল ছিলেন শেষ ম্যাচগুলিতে। যেমন, গতবার প্রথম সাত ম্যাচে গোল করেছিলেন মাত্র তিনটি, শেষ ৯ ম্যাচে পেয়েছিলেন ৮ গোল। এবারও প্রথম সাত ম্যাচে তাঁর গোল মাত্র দুটি। পরের ৯ ম্যাচে কিন্তু পাঁচ গোল হয়ে গিয়েছে এখনই।

    এখনও পর্যন্ত আইএসএল-এ ছ’টি নকআউট ম্যাচে খেলেছেন হিউম। গোল করেছেন মোট চারটি। আর, যে ম্যাচেই তিনি গোল পেয়েছেন, তাঁর দল কখনও হারেনি। ফলে, হিউমকে নিজেদের দলে পেয়ে, আতলেতিকো দে কলকাতা তাদের তৃতীয় বছরে দ্বিতীয় ফাইনাল খেলার দিন বাড়তি আত্মবিশ্বাসী হয়েই মাঠে নামবে,নিশ্চিত।

    No comments