• Breaking News

    রোনালদোর হ্যাটট্রিকে বিশ্বসেরা ক্লাব রেয়াল মাদ্রিদ

    রেয়াল মাদ্রিদ ৪  কাশিমা অ্যান্টলার্স ২


    (বেনজেমা ৯, রোনালদো ৬০-পে, ৯৭ ১০৪)    (সিবাসাকি ৪৪, ৫২)


    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

    [caption id="attachment_2791" align="alignleft" width="300"]বিশ্ব ক্লাব কাপজয়ী রেয়াল মাদ্রিদ। ছবি - টুইটার বিশ্ব ক্লাব কাপজয়ী রেয়াল মাদ্রিদ। ছবি - টুইটার[/caption]

    ক্লাব ও দেশকে ইউরোপ-সেরা করার পর এবার ক্লাবকে বিশ্বসেরাও করলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো! একই সঙ্গে ইতিহাস লিখলেন বিশ্ব ক্লাব কাপ ফাইনালে প্রথম ফুটবলার হিসাবে হ্যাটট্রিক করে।

    মিলানে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে খেলা ১-১ শেষ হওয়ার পর টাইব্রেকারে শেষ পেনাল্টি নিয়েছিলেন রোনালদো। গোল এবং ৫-৩ জিতেছিল রেয়াল। ইউরো ফাইনালে তিনি ৮ মিনিটেই চোট পেয়েছিলেন, শেষ পর্যন্ত ২৫ মিনিটে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। পর্তুগালে তাঁর সতীর্থরা অবশ্য তাঁকে নিরাশ করেননি। ১০৭ মিনিটে এদের-এর গোলে এসেছিল ট্রফি।

    বিশ্ব ক্লাব কাপ ফাইনালে এবার রোনালদোর হ্যাটট্রিক! রেয়াল তখন ১-২ পিছিয়ে। লুকাস ভাজকেজ-কে বক্সে ফাউল করায় পেনাল্টি। রোনালদোর শট নড়তে দেয়নি জাপানি ক্লাবের গোলরক্ষক সোগাহাতাকে। ৯০ মিনিটে ২-২ শেষ হওয়ার পর ৯৭ ও ১০৪ মিনিটে দুটি গোল রোনালদোর। রেয়ালের হয়ে ৪০তম হ্যাটট্রিক! সদ্য বালন দি’ওর জয়ী রোনালদো নিশ্চিত করে দিলেন রেয়ালের দ্বিতীয় বিশ্ব ক্লাব কাপ জয়। ২০১৪য় প্রথমবার জিতেছিল রেয়াল। আর পাঁচ গোল করে লুইস সুয়ারেজ ও লিওনেল মেসির সঙ্গে তিনিও ক্লাব বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা। আর, সব প্রতিযোগিতায় টানা ৩৭ ম্যাচ জিতে জিনেদিন জিদানের রেয়াল রেকর্ড করেই চলেছে।

    জাপানি ক্লাব কাশিমা অ্যান্টলার্স প্রথমবার পৌঁছেছিল বিশ্ব ক্লাব কাপ ফাইনালে। কিন্তু শুরুতেই রেয়ালকে এগিয়ে দিয়েছিলেন করিম বেনজেমা। লুকা মোদরিচের শট জাপানি ক্লাবের গোলরক্ষক আটকালেও বল যায় সামনেই দাঁড়িয়ে থাকা বেনজেমার পায়ে। ফরাসি স্ট্রাইকার ভুল করেননি।

    বিরতির আগে ও পরে দুটি গোল সিবাসাকির, জাপানের ক্লাবের সামনে এনে দিয়েছিল দুর্দান্ত সুযোগ। বিশেষত দ্বিতীয় গোলটি দুরন্ত। আর এই গোলের ‘অ্যাসিস্ট’ রেয়ালের অধিনায়ক রামোসের! কর্নার ফ্ল্যাগের কাছ থেকে বল নিজেদের বক্সের দিকেই পাঠিয়ে দিয়েছিলেন রামোস। বল ধরে সিবাসাকি বাঁ পায়ে এনে মাটিঘেঁষা শটে গোল করেছিলেন। ইওকোহামা জুড়ে তখন উল্লাস। যা থেমে গিয়েছিল রেফারি রেয়ালকে পেনাল্টি দেওয়ার পর।

    ৯০ মিনিটে লাল কার্ড দেখতে যাচ্ছিলেন রামোস। রেফারি পকটে হাতও দিয়ে ফেলেছিলেন। রামোস দৌড়ে দূরে সরে যান। আর রেফারিরও বোধহয় মনে পড়ে গিয়েছিল, রামোসকে আগেই হলুদ কার্ড দেখানোর কথা! ফলে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখতে হয়নি রামোসকে। কিন্তু যথেষ্ট বিতর্ক হয় এই সিদ্ধান্ত নিয়ে। জাপানি ফুটবলাররা মানতে পারেননি একেবারেই।

    দ্বিতীয় ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে ব্রাজিলীয় ক্লাব কোরিন্থিয়ান্সের সঙ্গে রেয়াল। একমাত্র ক্লাব হিসাবে তিনবার ক্লাব বিশ্বকাপ জিতেছে অবশ্য বার্সেলোনা।

    No comments