• Breaking News

    কেরল-দিল্লি, মুম্বইয়ের সামনে সেমিফাইনালে কলকাতা

    কেরালা ব্লাস্টার্স ১        নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি ০


    (বিনীত ৬৬)


    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ

    [caption id="attachment_2705" align="alignleft" width="300"]বিনীতের গোলের পর। ছবি - আইএসএল বিনীতের গোলের পর। ছবি - আইএসএল[/caption]

    ড্র করলেও চলত। ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচ জিতে দ্বিতীয় হয়ে সেমিফাইনালের যোগ্যতার্জন করল কেরালা ব্লাস্টার্স। শচীন তেন্ডুলকারের দল পেল ১৪ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট। তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগের সেমিফাইনালে খেলবে দিল্লি ডায়নামোসের বিরুদ্ধে।

    নর্থইস্ট ইউনাইটেড প্রতিযোগিতায় শুরু করেছিল দুর্দান্ত। এই কেরলকেই নিজেদের মাঠে হারিয়ে। কিন্তু জন আব্রাহামের দল ক্রমশ হারিয়ে গিয়েছিল প্রতিযোগিতা থেকে, ধারাবাহিকতার অভাবে। প্রতিবারই নর্থইস্টের এই একই সমস্যা হয়। এবার সঙ্গে জুড়েছিল গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারদের চোট। সেমিফাইনালে পৌঁছতে শেষ ম্যাচে জিততেই হত নর্থইস্টকে। কিন্তু নেলো ভিনগাদার দল পারল না। শেষ পর্যন্ত ১৪ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করল পঞ্চম স্থানে।



    সেমিফাইনাল


    কলকাতা বনাম মুম্বই (১০ ও ১৩ ডিসেম্বর)


    দিল্লি  বনাম কেরল (১১ ও ১৪ ডিসেম্বর)


    * প্রথমে যে দলের নাম, ঘরের মাঠে প্রথমে খেলবে


    মহম্মদ রফি গোলের পাস দিয়েছিলেন বিনীতকে, এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। বল ধরে ভেতরে ঢুকে এসে ডান পায়ে মাটিঘেঁষা শট রেখেছিলেন দূরের পোস্টে। রেহনেশ শরীর ছুড়েও বলের নাগাল পাননি। ৬ ম্যাচে ৫ গোল ম্যাচের সেরা বিনীতের। ভারতীয়দের মধ্যে সর্বোচ্চ, এবারের আইএসএল-এ। শুরু থেকে খেললে কি সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার দৌড়ে মার্সেলিনহোর (৯) সঙ্গে লড়াই হত? বেঙ্গালুর এফসি-র হয়ে এএফসি কাপের ফাইনালে খেলতে গিয়ে প্রথম আট ম্যাচে খেলতে পারেননি। কিন্তু সিকে বিনীত ফিরে আসার পরই কেরালা ব্লাস্টার্সের আইএসএল অভিযান অন্য মাত্রা পেয়েছে, নিঃসন্দেহে।

    ৮৪ মিনিটে আলফারো শট নিয়েছিলেন বাঁপায়ে, দূর থেকেই। বল পোস্টে লেগে বাইরে যায়। ওই শট থেকে গোল হলেও নর্থইস্ট পেত মিনিট ছয়েক, দ্বিতীয় গোল তুলে নেওয়ার জন্য। কিন্তু হয়নি। সেইত্যাসেন সিং ম্যাচের শুরু থেকেই এই চেষ্টা করে এসেছিলেন, সাফল্য পাননি যদিও। কেরলের গোলরক্ষক স্ট্যাক বারদুয়েক বাঁচান, বাকি সময় অ্যাটাকিং থার্ডে ততটা তৎপরতা দেখাতে পারেননি নর্থইস্টের ফরোয়ার্ডরা।

    শেষদিকে, ৮৭ মিনিটে রফিকে গোলের সুযোগ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বিনীত, কর্নার থেকে। হেডটাও দুর্দান্তই নিয়েছিলেন রফি। কিন্তু রেহনেশের বাঁ হাত ছুঁয়ে ক্রসবারে লেগে বল বাইরে যায়। তার আগে আন্তোনিও জার্মানের গোল বাতিল হয়, বল ধরার পর রেগানকে ফাউল করেছিলেন বলে। ব্যবধান বাড়েনি তাই।

    গ্রুপ লিগ তালিকায় দ্বিতীয় স্থান পেলেও, যতগুলি গোল করেছে তার চেয়ে বেশি গোল খেয়েছে স্টিভ কোপেলের দল। গোল দিয়েছে ১৩, খেয়েছে ১৫, অর্থাৎ গোল পার্থক্য ‘ঋণাত্মক ২’! সাতের মধ্যে টানা পাঁচ ম্যাচ ঘরের মাঠে জিতে আর ২২-এর মধ্যে ঘরে মোট ১৬ পয়েন্ট পেয়ে তাদের এই উত্থান। হাজার ৫৫-র গ্যালারির এই সমর্থন তারা আবারও পাবে, সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে। দ্বিতীয় হওয়ায় এই সুযোগ, যা নিশ্চিতভাবেই আত্মবিশ্বাস বাড়াবে কেরলের ফুটবলারদের।

    অন্য সেমিফাইনালে মুম্বই সিটি এফসি-র বিরুদ্ধে আতলেতিকো দে কলকাতা। ২০১৪ সালে প্রথমবার আইএসএল-এও সেমিফাইনালে শুধু নয়, ফাইনালে পৌঁছেছিল কেরল। কিন্তু কলকাতার কাছে হে্রেছিল ফাইনালে, মুম্বইতে। এবার কিন্তু ফাইনালও কোচিতেই!

    No comments