• Breaking News

    সন্দীপ : ট্রফিটা পাওয়া উচিত কেরলের ভক্তদের জন্যই !

    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ

    [caption id="attachment_2774" align="alignleft" width="300"]সন্দীপ নন্দী, সিকে বিনীত, অবিনাশ রুইদাস ও জুয়েল রাজা, ফাইনালের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে। ছবি - আইএসএল সন্দীপ নন্দী, সিকে বিনীত, অবিনাশ রুইদাস ও জুয়েল রাজা, ফাইনালের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে। ছবি - আইএসএল[/caption]

    কেরালা ব্লাস্টার্স এফসি-র সেমিফাইনালের নায়ক সন্দীপ নন্দী চাইছেন আরও একবার বিপক্ষকে আটকে দিয়ে তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ট্রফিটা হাতে তুলতে, প্রথমবার। আর সেটাও রবিবার নিজেদের মাঠে, কোচির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামের আবেগপ্রবণ ভক্তদের চোখের সামনে।

    সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে সন্দীপের বিরুদ্ধে একটিও গোল হয়নি। একটি পেনাল্টি তিনি বাঁচিয়েছিলেন, বাকি দুটি শটই গিয়েছিল বাইরে। ফাইনালে টেনে তুলে নিয়ে এসেছিলেন দলকে। এখন তাঁর একমাত্র চাহিদা, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওই আইএসএল ট্রফিটা, যা তিনি তুলে দিতে চাইছেন আইএসএল-এর ইতিহাসে সবচেয়ে সমর্থিত ফ্র্যাঞ্চাইজির দর্শকদের হাতে।

    ‘কেরালা ব্লাস্টার্সের হয়ে আইএসএল খেলাটা সত্যিই উপভোগ করেছি। আমার তো মনে হয়, ভক্ত হিসাবে ওরাই সেরা। সত্যিই সৌভাগ্য আমাদের যে, এমন দুর্দান্ত মাঠে খেলার সুযোগ পাচ্ছি। তা ছাড়া, ফাইনালটা খেলব নিজেদের দর্শকদের সামনে, ঘরের মাঠে। তবে, আতলেতিকো দে কলকাতার বিরুদ্ধে খেলাটা কঠিন,সব সময়। আমরাও অবশ্য লড়তে তৈরি। এই তিন বছরে ভক্তদের জন্য আমরা বিশেষ কিছুই দিতে পারিনি। গতবার ঘরের মাঠে একটিও ম্যাচ জিততে পারিনি। এবার যদিও প্রায় সব ম্যাচই জিতেছি। কেরলের ভক্তরা এই ট্রফিটার যোগ্য, অবশ্যই বলব,’জানিয়েছেন সন্দীপ।

    রবিবারের ফাইনাল আসলে আইএসএল-এর প্রথম ফাইনালের পুনরাবৃত্তি যেখানে কেরল আর কলকাতাই লড়েছিল, ট্রফির লক্ষ্যে। খেলার একেবারে শেষ দিকে, ইনজুরি টাইমের একমাত্র গোলে জিতেছিল কলকাতা। কেরলের দর্শকদের জন্য হৃদয়বিদারক,অবশ্যই। সন্দীপ নিজেও আছেন কেরলে, সেই প্রথম মরশুম থেকেই। এবার শেষহাসিটা হাসতে চাইছেন কেরলের কলকাতা নিবাসী গোলরক্ষক।

    ‘আবার এমন সুযোগ পাব কিনা জানি না। নিজেদের দর্শকদের সামনে ঘরের মাঠে ফাইনাল খেলার। তাই সবাইকে ২০০ শতাংশ দিতে হবে ট্রফি জিততে এবং সবাই সেটা দিতেও তৈরি,’ বলেছেন সন্দীপ।

    যদিও কোচিতে মাঠের বিরাট জনসমর্থন কেরলকে সুবিধা দেবে,কলকাতাও কিন্তু তৈরি প্রতম দল হিসাবে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে নতুন ইতিহাস লিখতে। গ্যালারি যতই ঘরের টিমকে সমর্থন জানাক, অ্যাওয়ে দলেরও অনুপ্রেরণার অভাব হবে না ফাইনালে।

    ‘কেউই ফাঁকা মাঠে খেলতে চায় না। আমাদের সমর্থন করুক বা বিপক্ষকে, ব্যাপারটা সেটা নয়। মাঠের ওই পরিবেশটাই উদ্বুদ্ধ করে ফুটবলারদের, মাঠে আরও ভাল খেলতে,’ বলেছেন আতলেতিকোর মিডফিল্ডার জুয়েল রাজা।

    কলকাতার আরও এক ফুটবলার, অবিনাশ রুইদাসও অধীর আগ্রহে অপেক্ষায়, ফাইনালে মাঠে নামার জন্য। এবারই প্রথম আইএসএল-এ খেলছেন রুইদাস। যথেষ্ট ভাল খেলেছেন। মাঠের ওই প্রবল জনসমর্থনের বিরুদ্ধে খেলা নিয়েও বিশেষ চিন্তিত নন, কারণ কলকাতায় মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে এমন প্রবল জনসমর্থন দেখতে অভ্যস্ত তিনি।

    ‘দর্শকরা কেরলের জন্য চিৎকার করবেন, স্বাভাবিক। কিন্তু তাতে সমস্যা নেই। কলকাতায় ডার্বি ম্যাচেও তো এমনই হয়,’ বলেছেন রুইদাস।

    No comments