• Breaking News

    ডিকার ‘অলিম্পিকো’ নয়, গোল বুকেনিয়ার, দ্বিতীয় অ্যাওয়ে ম্যাচেও জয়ী ইস্টবেঙ্গল

    চার্চিল – ০  ইস্টবেঙ্গল - ২


                                    (হাওকিপ ৩১, বুকেনিয়া ৪৫)


    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

    dika

    কর্নার থেকে সরাসরি গোল? ইস্টবেঙ্গলের অধিনায়ক লালরিনডিকা রালতে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন! কিন্তু, সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার ওয়েবসাইট পরে জানাল, বল গোলে যাওয়ার সময় ইভান বুকেনিয়ার মাথা ছুঁয়েই গিয়েছিল।

    দ্বিতীয় অ্যাওয়ে ম্যাচেও জয় তুলে নিল ইস্টবেঙ্গল। গোয়ার তিলক ময়দানে এবারের আই লিগে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে লাল-হলুদ জিতল দু-গোলে। আর সাত পয়েন্ট নিয়ে আপাতত ঘরে ফেরার তাড়া তাদের। আগামী রবিবার বারাসতে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু এফসি-র বিরুদ্ধে খেলতে।

    দুটি গোলই প্রথমার্ধে। প্রথম গোলের ক্ষেত্রে কৃতিত্ব নিখিল পূজারির। দুর্দান্ত গতিতে  এগিয়েছিলেন, সেন্টার রাখেন যা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন চার্চিলের আদিল, তাঁর দিকেই। ফিরতে সেন্টারে হাওকিপের হেড এগিয়ে দেয় ইস্টবেঙ্গলকে।

    কিন্তু, চর্চা হবে দ্বিতীয় গোল নিয়ে। কর্নার পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল, প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে। কর্নার নিতে যান লালরিনডিকা রালতে। তাঁর বাঁপায়ের ইনসুইং চার্চিলের গোলরক্ষক প্রিয়ন্তকে পরাস্ত করে গোলে যাওয়ার সময় ডিফেন্ডার বুকেনিয়ার মাথা ছুঁয়ে যায়। ‘অলিম্পিকো’ বা ‘অলিম্পিক গোল’ হলে কর্নার থেকে অন্য কোনও ফুটবলারের ছোঁয়া ছাড়াই সরাসরি বল গোলে যায়। ডিকার ক্ষেত্রে তা হল না।

    প্রথম গোলের পরই চার্চিলের ব্র্যান্ডন দূর থেকে দুরন্ত শট নিয়েছিলেন যা রেহনেশ বাঁচিয়ে দেন। এ ছাড়া চার্চিলের তেমন কোনও আক্রমণ চোখে পড়েনি। ইস্টবেঙ্গল শুরুতেই বিরাট ধাক্কা খেয়েছিল যখন চার মিনিটেই কুঁচকির চোটে আনোয়ারকে বেরিয়ে যেতে হয়েছিল। তাঁর জায়গায় মাঠে এসেছিলেন গুরবিন্দর। তবে, চার্চিল সেই সুবিধা নিতে পারেনি।

    পরের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে ট্রেভর জেমস মর্গ্যান তাঁর চতুর্থ বিদেশি সদ্য-আসা আমিরোভকে মাঠে এনেছিলেন ৬৭ মিনিটে। একটি মাপা সেন্টার রেখেছিলেন আমিরোভ, খেলার একেবারে শেষে, বক্সের মধ্যে জ্যাকিচাঁদের মাথায়, কিন্তু জ্যাকিচাঁদের হেড সরাসরি প্রিয়ন্তের হাতে যায়। এ ছাড়া আমিরোভ নিজের দক্ষতা দেখানোর তেমন সুযোগ পাননি আর।

    বরঞ্চ, দ্বিতীয় ম্যাচে গোল পাওয়া দুই বিদেশি ওয়েডসন ও প্লাজা ততটা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেননি এই ম্যাচে। ওয়েডসন গোটা দুই শট নিয়েছিলেন, জোরালো। কিন্তু লক্ষ্যে স্থির থাকতে পারেননি। তাঁর থ্রুগুলোও চার্চিলের ডিফেন্ডাররা ধরে ফেলছিলেন বেশিরভাগ সময়। বরঞ্চ, ৮০ মিনিটে চার্চিলের অ্যাগনেলোর শট ফিরে এসেছিল পোস্টে লেগে। ফলে, তৃতীয় ম্যাচে প্রথমবার ‘ক্লিন শিট’ নিয়ে ফিরল ইস্টবেঙ্গল।

    No comments