• Breaking News

    বলবন্তের গোলে ১ পয়েন্ট ‘লাস্ট বয়’-দের বিরুদ্ধে!

    মোহনবাগান – ২ মুম্বই এফসি – ২


    (প্রীতম ১২, বলবন্ত ৮৯)  (থই ২০, ভিক্তোরিনো ২২)


    শান্তনু ব্যানার্জি


    চার্চিল ব্রাদার্সের বিরুদ্ধে ১-২ হেরে ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার কথা বলেছিলেন মোহনবাগানের কোচ সঞ্জয় সেন। সোনি, জেজেদের হেডস্যারের কাছে সন্তোষ কাশ্যপের দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল ‘ঘুরে দাঁড়ানোর’। কিন্তু, শুরু থেকেই রক্ষণে আনাস আর এদুর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব স্পষ্ট। একই ভুলের পুনরাবৃত্তির খেসারত দিতে হল ঘরের মাঠে এবারের আই লিগের ‘লাস্ট বয়’-দের বিরুদ্ধে এক পয়েন্ট পেয়ে!

    শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল মোহনবাগান। সোনির কর্নারে কাতসুমির হেডে ফ্লিক, বক্সে অরক্ষিত প্রীতম কোটালের পা ছুঁয়ে বল মুম্বই-এর জালে। শেহনাজ, কাতসুমি, বলবন্ত, জেজেরা ব্যবধান বাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ছন্দপতন, খেলার গতির বিরুদ্ধে থই সিং-এর গোলে। ডানদিক থেকে প্রাতেশ শিরোড়কারের পাঠানো বলে কোনওরকমে নিজের বাঁপায়ের শট দেবজিতের মাথার ওপর দিয়ে জালে পাঠান থই। অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে দেখছিল মোহনবাগান রক্ষণ।

    ঘরের মাঠে ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই পিছিয়েও পড়েছিল মোহনবাগান। সন্তোষ কাশ্যপের দল এগিয়ে যায় মিনিট দুয়েকের মধ্যেই। বাগান রক্ষণে আনাস আর এদুর মাঝখান দিয়ে গলে গিয়ে রেগান সিংয়ের ক্রসে পা লাগিয়ে মুম্বইকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ভিক্তোরিনো ফেরনান্দেজ।

    কোনও কিছুই তখন ঠিক হচ্ছিল না মোহনবাগানের। অপ্রত্যাশিত ধাক্কা দেবজিত মজুমদারের হাঁটুর চোট। বদলি হিসাবে নামাতেই হত শিলটন পালকে। বিরতির পর মাঠে এসে মোহনবাগান ম্যাচে সমতা ফেরাতে চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হচ্ছিল বারবার। ৬১ মিনিটে বক্সের ভিতর মুম্বইয়ের গোলকিপার লক্ষ্মীকান্ত কাট্টিমনি ব্যাক পাস হাত দিয়ে ধরে ফেলায় ইনডাইরেক্ট ফ্রি কিক পেয়েছিল মোহলবাগান। সোনির শট অবশ্য মুম্বইয়ের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে ফিরে এসেছিল।

    সমতা ফেরে খেলার একেবারে শেষদিকে, ৮৯ মিনিটে। বাঁদিক থেকে সোনির দুর্দান্ত সেন্টারে মাথা ছুঁইয়ে মোহনবাগানকে মূল্যবান একটি পয়েন্ট এনে দেন বলবন্ত সিং। এবারের লিগে বলবন্তের চতুর্থ গোল।

    চার্চিল ম্যাচের মতোই মুম্বইও দেখিয়ে গেল মোহনবাগান রক্ষণের দুরবস্থা। ১১ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানেই থাকল মোহনবাগান। যদিও আইজল (২৯) এবং ইস্টবেঙ্গলের (২৭) চেয়ে দুটি করে ম্যাচ কম খেলেছে। খেতাবজয়ের অভিযানে বাকি ৭ ম্যাচ। কাজটা আরও কঠিন এখন।

    No comments