• Breaking News

    অনবদ্য রামোস, ইউরোপের প্রথম আটে রেয়াল

    ৫০তম ম্যাচ জয় জিদানের


    নাপোলি-‌১ ‌: রেয়াল মাদ্রিদ-৩


    (মার্তিন্স ২৪’) (রামোস ৫১’, মার্তিন্স-আত্মঘাতী ৫৭’, মোরাতা ৯১’)


    (দু-পর্ব মিলিয়ে, রেয়ালের পক্ষে ৬-২)




    [caption id="attachment_3080" align="alignleft" width="630"]গোলের পর রামোসের উৎসব। ছবি— টুইটার গোলের পর রামোসের উৎসব। ছবি— টুইটার[/caption]

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

    কেরিয়ারে এমন খারাপ সময় আর কখনও যায়নি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ছ’ম্যাচ গোলশূন্য ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো!

    সিআর সেভেনের অফ ফর্মের মধ্যেই অবশ্য রেয়াল মাদ্রিদের জিতল নাপোলির বিরুদ্ধে ৩-১। বাইরের মাঠে ফিরতি ম্যাচ জিতে প্রথম আটে চলে গেল রেয়াল।

    সব ছাপিয়ে গিয়ে অবশ্য রেয়ালে একটাই নাম— সের্খিও রামোস। টিমকে জেতালেন রেয়াল অধিনায়কই। ১৪ বছরের কেরিয়ারে ৮১টা গোল হয়ে গেল রামোসের। রেয়ালের হয়ে এ বারই ১০ গোল করেছেন। যা বেশ অবাক করার মতো। ইউরোপে বরাবরই দলের ত্রাতা হয়ে উঠছেন রামোস। যখন ‘বিবিসি’ ছন্দে নেই, রামোসই পরিত্রাতা হয়ে উঠছেন কর্নার বা ফ্রি কিক থেকে হেডে গোল করে।

    চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ১২ ম্যাচ অপরাজিত থাকল রেয়াল। এটা ধরলে টানা আট মরসুম কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছল তারা। রেয়ালের কোচ হিসেবে আবার জিনেদিন জিদান জিতলেন ৫০তম ম্যাচ। ৬৯টা খেলে।

    প্রথম দফার ম্যাচে নাপোলি ১-৩ হেরেছিল। ঘরের মাঠে তাই চাপটা বেশিই ছিল। তবে রেয়ালের বিরুদ্ধে শুরুটা চমৎকার করেছিল দিয়েগো মারাদোনার পুরোনো ক্লাব। ২৪ মিনিটে মার্তিন্সের গোলে এগিয়েও যায়। চোট সারিয়ে মাঠে ফিরে গোল অবশ্য পেতেই পারতেন রোনালদো। প্রথমার্ধে তাঁর একটা শট ক্রসপিসে লেগে ফেরে। বিরতিতে ১-০-ই ছিল ম্যাচের ফল। বিরতির পর খেলা বদলে যায়। টিমের ক্যাপ্টেন সের্খিও রামোসের জন্য। ৫১ মিনিটে টোনি ক্রুজের ক্রস থেকে হেডে ১-০ রেয়াল ডিফেন্ডারেরই। কিছু পরে ফের টনি ক্রুজই ক্রস পাঠান। হেডও করেন রামোস। তা অবশ্য মার্তিন্সের গায়ে লেগে ঢুকে যায়। রেফারি আত্মঘাতী গোল দেন। ৯১ মিনিটে ৩-১ আলভারো মোরাতার।

    ম্যাচের পর জিদান বলেছেন, ‘প্রথমার্ধটা তেমন ভালো ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে আমরাই খেলাটা ধরে নিয়েছিলাম। তবে রামোসের মতো প্লেয়ার থাকলে কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায়।’

    No comments