• Breaking News

    আবার, শেষ ৫ ম্যাচে তৃতীয় হার মর্গ্যানের

    চেন্নাই ২    ইস্টবেঙ্গল ১


    (নন্দকুমার ৫৭, প্রশান্ত ৯২)   (প্লাজা ৪২)


    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


    আবার হার ইস্টবেঙ্গলের। এবার চেন্নাই এফসি-র কাছে, খেলা শুরুর আগে যারা ছিল লিগের নবম স্থানে। শেষ পাঁচ ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের তৃতীয় হার। দশম ম্যাচে আইজল, ত্রয়োদশ ম্যাচে চার্চিল ব্রাদার্স এবং তারপরের ম্যাচেই চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে। ফলে, আই লিগ খেতাব-অভিযান থেকে প্রায় ছিটকেই গেল ট্রেভর জেমস মর্গ্যানের দল। আগের মতোই প্রতিযোগিতার শেষ দিকে এসে পা পিছলে যাওয়ার ট্র্যাডিশন ধরে রেখে!

    চেন্নাইয়ের মাঠ খেলার অযোগ্য, সন্দেহ নেই। কিন্তু সেই মাঠেই চেন্নাইও খেলল এবং সুযোগ কাজে লাগিয়ে জিতল। প্রথমে পিছিয়ে পড়েও। ঘরের মাঠে নিজেদের শেষ ম্যাচ ছিল চেন্নাইয়ের। জিতে সমর্থকদের মুখে হাসি ফুটিয়েই বাইরের মাঠে বাকি ম্যাচগুলি খেলতে বেরবে চেন্নাই।

    প্রথমার্ধেই এগিয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল, উইলিস প্লাজার গোলে। মেহতাব বল বাড়িয়েছিলেন রাহুল ভেকের জন্য। ডানদিক থেকে উঠে এসে গোলমুখে সেন্টার রেখেছিলেন রাহুল। জোরালো হেডে গোল করে যান প্লাজা।

    বিরতির পর অবশ্য চেন্নাই খেলায় ফিরে আসে তাড়াতাড়িই। রেগানের পাস পেলেন যখন নন্দকুমার, বক্সের সামনে তিনি অরক্ষিত। ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্ডাররা তাঁকে যেন দেখতেই পাননি। নন্দকুমারের শট রেহনেশের পায়ের ফাঁক দিয়ে গোলে।

    লালহলুদ দল চেষ্টা করেছিল এগিয়ে যেতে। কিন্তু, বেশ কিছু সহজ সুযোগ নষ্ট করেন রবিন সিং, প্লাজা, ডিকারা। খেলার একেবারে শেষে চেন্নাই প্রতি আক্রমণে এসে কাজের কাজ করে দিয়ে যায়। চার্লসের সামনে অনেকটা ফাঁকা জমি, দৌড়ে এসে শট নিয়েছিলেন চার্লস। রেহনেশ সেই শট বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু, রেহনেশের পা থেকে ফিরতি বল ধরে সহজেই গোল করে যান প্রশান্ত কারুথাডাথকুনি। সমতা ফেরানোর সুযোগও ছিল না অসহায় ইস্টবেঙ্গলের কাছে। কোচ এবার ছুটি কাটাতে বাড়ি যাবেন, আই লিগের খেলা না থাকায়। ফিরে এসে নতুন করে কাজে লাগতে হবে মর্গ্যানকে, বাকি চার ম্যাচের জন্য।

    তৃতীয় জয়, ১৪ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে চেন্নাই উঠে এল অষ্টম স্থানে। ১৪ ম্যাচেই ২৭ পয়েন্ট নিয়ে ইস্টবেঙ্গল থেকে গেল দ্বিতীয় স্থানে, শীর্ষ স্থানে থাকা আইজলের চেয়ে তিন পয়েন্ট পেছনে। তৃতীয় মোহনবাগানের ১২ ম্যাচে ২৩। পরের দুটি ম্যাচ জিততে পারলেই কিন্তু ইস্টবেঙ্গলকে পেছনে ফেলে আইজলের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে মোহনবাগান।

    No comments