• Breaking News

    পাহাড়ে মর্গ্যানকে স্বস্তি দিলেন অস্ট্রেলীয় পেইন

     

    শিলং লাজং – ১ ইস্টবেঙ্গল – ২


    (দিপান্দা ৬৪)   (পেইন ৯, ৩৩)


    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

    পাহাড়ে ধসের রাস্তা আটকে স্বস্তি ইস্টবেঙ্গলে!

    ঠিক দিনেই ছন্দে এলেন ক্রিস পেইন। অস্ট্রেলীয় এই স্ট্রাইকার আসার পর কোনও ম্যাচেই মন জয় করতে পারেননি লালহলুদ ভক্ত বা সমর্থকদের। যে ম্যাচে ওয়েডসন আনসেলমে এবং উইলিস প্লাজা নেই, ঠিক সময়ে গোল পেলেন, এনে দিলেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট। হ্যাটট্রিকও পেতে পারতেন, রবিন সিংয়ের পাস থেকে ডান পায়ের শট তিনকাঠিতে রাখতে পারলে। তবে, হ্যাটট্রিক নয়, আপাতত ইস্টবেঙ্গল খুশি তিন পয়েন্টে। পাহাড়ে তাঁর কোচ ট্রেভর জেমস মর্গ্যানকে স্বস্তি দিলেন অস্ট্রেলীয় স্ট্রাইকার।

    আইজলের কাছে হার এখনও পর্যন্ত এবারের আই লিগে ইস্টবেঙ্গলের একমাত্র কালো দাগ। শিলং লাজংয়ের বিরুদ্ধে ২-০ এগিয়েও এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, পয়েন্ট হারিয়ে ফিরতে হতে পারত। দ্রুত গুরবিন্দরকে তুলে আনোয়ার আলি আর নিখিল পূজারির জায়গায় লালরিনডিকা রালতে-কে নামিয়ে অবস্থা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন মর্গ্যান। তবুও, ৮৪ মিনিটে রুপার্টের উচিত ছিল অবশ্যই ২-২ করা। সামনে ফাঁকা জমি, একা রেহনেশ। রুপার্ট তবুও বল উড়িয়ে দিয়েছিলেন। এমন ম্যাচে এই ধরনের সুযোগ হারানোর ফল বুঝলেন হয়ত খেলাশেষে, যখন ফিরতে হল শূন্যহাতে।

    প্রথম গোলের দায় নিতেই হবে শিলং লাজং-এর গোলরক্ষক বিশাল কিয়াথকে। নির্বিষ বল এসে পড়ছিল বক্সে। অস্ট্রেলীয় ক্রিস পেইন পা লাগালেও বিশালকে অপ্রস্তুতে ফেলে গায়ে লেগে ছিটকে গিয়েছিল ডান দিকে। সেখানে অপেক্ষায় ছিলেন রবিন সিং। পাস দেন অস্ট্রেলীয়কে, একেবারে ফাঁকায়। আই লিগে নিজের প্রথম গোল করার জন্য এত ভাল সুযোগ আর পেতেন না পেইন!

    ৩৩ মিনিটেই ইস্টবেঙ্গলকে আবারও এগিয়ে দিয়েছিলেন সেই পেইনই। এবার ফ্রি কিক থেকে বল ভাসিয়ে দিয়েছিলেন রবার্ট। মাঝে রফিকের হেডে ছোট্ট ফ্লিক। বল পেইনের পায়ে এবং ডানপায়ের শটে বল জালে। লাজংয়ের রক্ষণে ফুটবলাররা তখন কোথায় ছিলেন, নিশ্চয়ই পরে প্রশ্ন তুলবেন কোচ থংবই সিংতো।

    লাজং একটি গোল শোধ দেয় ৬৪ মিনিটে। প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ গোলদাতা দিপান্দা দিকার সৌজন্যে। স্যামুয়েল সাদাপের ক্রস মাটিতে পড়ে উঠছে যখন, ক্যামেরুনের দিপান্দার হেড আগুয়ান রেহনেশকে কোনও সুযোগ না দিয়ে জালে। দিপান্দার নবম গোল, এবারের আই লিগে। ম্যাচের সেরাও বেছে নেওয়া হল তাঁকে, আরও কয়েকবার গোলের চেষ্টা করেছিলেন বলে। তবে, সেই প্রয়াসগুলো কোনও কোনও সময় দৃষ্টিনন্দন হলেও ফলপ্রসূ হয়নি।

    ইস্টবেঙ্গল আবারও উঠে গেল আই লিগ তালিকায় শীর্ষে, যদিও মোহনবাগানের তুলনায় ৩ ম্যাচ বেশি খেলে। ১২ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট তাদের। ১২ ম্যাচেই ২৬ পয়েন্ট আইজলের। মোহনবাগানর কিন্তু ৯ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট, দশম ম্যাচ খেলবে চার্চিলের বিরুদ্ধে শনিবারই। আর, হেরে ১১ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানেই থাকল লাজং।

    No comments