• Breaking News

    ‘চমক’ নিয়ে ভাবছেই না হায়দরাবাদ

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


    চমক!

    সুনীল নারিন ওপেনার হিসাবে নেমে ম্যাচ-ঘোরানো ইনিংস খেলে দেওয়ার পর, আইপিএল-এ ইডেনে দ্বিতীয় ম্যাচের আগের সাংবাদিক সম্মেলনে আলোচনার বিষয়বস্তু প্রধানত ‘চমক’।

    আর তাতে নানা অস্ট্রেলীয় মুনির নানা মত।

    কলকাতা নাইট রাইডার্সের সহকারী কোচ সাইমন কাটিচ উপভোগ করেছেন এই ‘চমক’, স্বাভাবিক। তাঁর দল জিতেছে, বিপক্ষকে চমকে দেওয়া গিয়েছে।

    সানরাইজার্স হায়দরাবাদের দুই অস্ট্রেলীয়, অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার এবং কোচ টম মুডি আবার ‘চমক’ ভাবতেই রাজি নন!

    ‘আমরা তো বিগ ব্যাশে দেখেছি নারিনকে ইনিংস ওপেন করতে। তা হলে আর চমক কী’, দুজনেরই প্রশ্ন।

    আর এটাও তো ঠিক যে, ‘চমক’ হতে পারে প্রথমবার। দ্বিতীয়বার হলে তা তো আর ‘চমক’ থাকে না, তাই না?

    কাটিচ তাই মানতে রাজি নন যে, ক্রিস লিনের পরিবর্ত পেয়ে গিয়েছে নাইট রাইডার্স। ‘পরিবর্ত কেন? ইনিংস শুরু করছিল। শুরুতে পাওয়ার প্লে-র ওই ছ’টা ওভারে বেশি রান তোলা জরুরি। লিনের চোট পাওয়াটা দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সবাই-ই হতাশ ওই ঘটনায়। কিন্তু আমাদের জন্য জরুরি ছিল এমন একজনকে তুলে আনা যে লিনের ভূমিকাটা পালন করবে। সবাই মিলে ভেবে সিদ্ধান্তে পৌঁছনো গিয়েছিল যে, নারিনকে দিয়ে চেষ্টা করা যেতেই পারে। নারিন সেই কাজটা মাঠে করেও দেখিয়েছে। খুব খুশি হব আবারও করতে পারলে। পারবে কিনা, বলা কঠিন।’

    টম মুডি মনে করছেন, টি টোয়েন্টি ব্যাপারটাই দাঁড়িয়ে আছে নানা ধরনের ছোটখাটো ব্যাপারের ওপর যা দিয়ে বিপক্ষকে একটা বা দুটো ওভারে পেছনের পায়ে ঠেলে দেওয়া যেতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত এই ১২০ বলের খেলায় এনে দেয় ‘অ্যাডভান্টেজ’।

    ‘প্রতিটি দলই ওই একই ভাবনা নিয়ে এগোয়। এখানে চমকের জায়গাটাই বা কোথায়? এমন চেষ্টা যে হবে, ধরে নিয়েই মাঠে নামতে হয়। তাই চমক নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামাতে রাজি নই আমরা। তৈরি আছি, থাকছিও।’

    ওয়ার্নারও জোর দিচ্ছেন ওই একই ব্যাপারে। ‘দেখেছিলাম যখন, জানি নারিন প্রয়োজনে ওপেন করতে পারত। তাই ওকে নামতে দেখে অবাক হইনি। আবারও নামতে দেখলেও হব না। আমাদের কাছে, মানে যারা ওকে দেখেছি ওই ভূমিকায় আগেও, তাদের কাছে চমক মোটেই নয়’, জানিয়েছেন ওয়ার্নার।

    তা হলে পরে রইল কী? নতুন কোনও চমক?

    কাটিচ এবার হেসে ফেলছেন। জানিয়ে দিলে, বলে দিলে, সত্যিই যে আর চমক থাকে না!

    নাইট রাইডার্সের কোচ বরঞ্চ খুশি, উমেশ যাদবের পারফরম্যান্সে। বললেন, ‘যখন কেউ টানা দেশের হয়ে ভাল খেলে, আত্মবিশ্বাস বাড়ে। সেই বাড়তি আত্মবিশ্বাসের ঝলকই দেখা গিয়েছিল উমেশের বোলিংয়ে। সত্যিই তো, ১৮তম ওভারে উমেশ তিনটি উইকেট না নিলে, কে বলতে পারে, আমাদের হয়ত ২০০ তাড়া করতে হত, যা মোটেই সহজ হত না। ইডেনের ভাল উইকেট সাহায্য করেছে, ঠিক। কিন্তু উমেশ বলটাও বড় ভাল করেছে।’

    No comments