• Breaking News

    নাথানের বলে, মণীশ-ইউসুফের ব্যাটে, জয়ের হ্যাটট্রিক

    দিল্লি ডেয়ারডেভিলস – ১৬৮/৭ (স্যামসন ৩৯, ঋষভ ৩৮, নাথান ৩/২২)


    কলকাতা নাইট রাইডার্স - ১৬৯/৬ (মণীশ অপরাজিত ৬৯, ইউসুফ ৫৯, জাহির ২/২৮)


    কলকাতা ৪ উইকেটে জয়ী


    ম্যাচের সেরা – নাথান কোল্টার নাইল



    জয়তী তলাপাত্র


    দিল্লি মানেই কি মাত্রাতিরিক্ত আগ্রাসন? দিল্লি মানেই কি দিল্লির ছেলের বদলা নেওয়ার গল্প?

    দিল্লি বনাম গৌতম  গম্ভীর। যে লড়াই-এর পিছনে ছুটছিল কলকাতা। তাতে জয়ের শিলমোহর দিলেন মনীশ পাণ্ডে, ইউসুফ পাঠান। দিল্লির ১৬৮-৬ তাড়া করতে নেমে কেকেআর এক বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটে জয়ী। ঘরের মাঠে দুটো এবং দিল্লি ধরলে জয়ের হ্যাটট্রিক হল কলকাতার।

    যখন মাঠের বাইরে প্রায় ধরেই নেওয়া হয়েছিল কেকেআর-এর হাত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে ম্যাচ, মাঠে নেমেছিলেন মনীশ। আগের দিন রবিন উথাপ্পার সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত করেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরবাদের বিরুদ্ধে, ইডেনে। সোমবার তিনিই মুখ্য ভূমিকায়। হারিয়ে যাওয়ার মুখে শক্ত করে ইনিংসের হাল ধরলেন মনীশ। ৪৯ বলে ৬৯ অপরাজিত, জিতিয়েই ফিরলেন শেষ পর্যন্ত।

    একা মণীশের কথা বললে ভুল হবে। এটা ঠিক যে, ইউসুফ পাঠান কবে খেলবেন, কেউ বলতে পারেন না। বিপদের সময় ঝলসে ওঠেন, এমন অভিযোগও নেই! অতীত যাই হোক, আইপিএল দশে ইউসুফও ম্যাচ উইনার হয়ে উঠলেন, ঠিক যখন দলের দরকার।

    তখন ২১ রানে ৩ উইকেট। ফিরোজ শাহ কোটলায় উৎসব শুরু হব-হব। দিল্লির ১৬৮-৬ তাড়া করতে নেমে নাইটরা রাজধানীর বুকে মুখ থুবড়ে পড়ছে, এমন দৃশ্য দিল্লিবাসী উপভোগ করতে শুরু করেছে। ক্রিজে এলেন ইরফানের বড় ভাই  ইউসুফ। জুটি বাঁধলেন  মনীশের সঙ্গে। ৭২ বলে ১১০ রান উঠল জুটিতে। রাজধানীতে কেকেআর-এর দিল্লি-জয়ের টার্নিং পয়েন্ট।

    আর ইউসুফ পাঠান? ৩৯ বলে ৫৯ করার পথে ৬টা বাউন্ডারি আর দুটি ছক্কা মেরেছেন। বিধ্বংসী, একই সঙ্গে দায়িত্বশীল ইনিংস। এমন ইউসুফকে খুব কমই দেখেছেন সমর্থকরা।

    টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল জাহির খানের দিল্লি। দুর্দান্ত ভাবে দলের ইনিংস শুরু করেন দিল্লির দুই ওপেনার সঞ্জু স্যামসন ও স্যাম বিলিংস। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে দুজনে মিলে ৫৩ তোলার পর প্রথমে আউট বিলিংস। কিছুক্ষণ পরই স্যামসন। শেষ দিকে ১৬ বলে ৩৮ করে দিল্লির রান ১৬৮-তে নিয়ে গিয়েছিলেন ঋষভ পন্থ, এই মুহূর্তে যাঁকে বলা হচ্ছে ভারতের অন্যতম সেরা উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান, স্বল্প দৈর্ঘ্যের ফর্ম্যাটে।

    কিন্তু, নাইটদের পঞ্চম ম্যাচের ফাটকা আবারও কাজে লেগে গিয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার ডানহাতি নাথান কোল্টার নাইল নিলেন ২২ রানে বিলিংস, করুন নায়ার ও ঋষভের উইকেট। ট্রেন্ট বোল্টের জায়গায় তাঁকে খেলানোর পরিকল্পনা সফল। নাথানের কারণেই দিল্লির ইনিংস ১৭০ পেরতে পারেনি। সঙ্গত কারণেই ম্যাচের সেরা তিনি। যদিও অস্বীকার করা যাবে না মণীশ-ইউসুফের কৃতিত্ব।

    পঞ্চম ম্যাচে চতুর্থ জয়। নাইটদের ঘোড়া ছুটছে টগবগিয়ে!

    No comments