• Breaking News

    ড্র করেও আই লিগে শীর্ষে মোহনবাগান

    শান্তনু ব্যানার্জি


    প্রত্যাশা ছিল। গতবার যেখানে গিয়ে আই লিগ খেতাব ফেলে আসতে হয়েছিল সেখান থেকেই পুনরুদ্ধারের গল্প শুরু হবে জোরকদমে। খানিকটা পূরণ হল আশা। ড্র করেও লিগ তালিকায় শীর্ষে উঠে যাওয়ায়। সোনায় সোহাগা হত জিতলে।

    লাজং ঘরের মাঠে দুরন্ত খেলে বাগানের আই লিগ জয়ের পথে কিছুটা বাধা সৃষ্টি করল, অবশ্যই। আইজল এফসি-র সঙ্গে এখন ম্যাচ ও পয়েন্ট সংখ্যায় সমান মোহনবাগান – ১৫ ম্যাচে ৩০। যেহেতু আইজলকে নিজেদের মাঠে হারিয়েছিল, হেড-টু-হেড লড়াইয়ে এগিয়ে মোহনবাগান। তাই তারাই শীর্ষে।

    ম্যাচের শুরু থেকেই বাগান ডিফেন্সে ফাটল ধরানোর জন্য বল পায়ে আক্রমণে উঠে আসতে শুরু করেছিল লাজং। এবং, লাজং আক্রমণের মুখে তখন দিশেহারা সবুজমেরুন বাহিনী। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর লাজং যেন আরও তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে উঠে আসছিল। বলবন্ত, ডাফি, সোনি, কাতসুমিরা গোলের মুখ খোলার চেষ্টা করেও পারছিলেন না।

    ৬৮ মিনিটে বলবন্তের বদলে মাঠে এসেছিলেন জেজে। তারপর থেকেই মোহনবাগান খেলা ধরতে শুরু করে। ৬ মিনিট পরেই ১-০। লম্বা বাড়ানো পাস জেজে নিজের নিয়ন্ত্রণে এনে লাজং গোলপোস্টের দিকে এগিয়ে গিয়েছিলেন। লাজং এর গোলকিপার বিশাল কাইফ এগিয়ে আসতেই জেজে পায়ের বলকে বিশালের মাথার ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন জালে।

    কিন্তু সঞ্জয় সেনের দল এই ‘লিড’ বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি। ৩ মিনিট পরেই লাজং ম্যাচে ফিরে আসে। বাগান বক্সের মধ্যে শেহনাজের হাতে বল লেগে যায়। রেফারি ওমপ্রকাশ ঠাকুর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নেন। দিপান্দা দিকার গোলের সুবাদে সমতা ফেরায় লাজং।

    মোহনবাগান কোচ সঞ্জয় সেন যে ফুটবলারদের খেলায় হতাশ, বোঝা যাছিল চোখ মুখ দেখে। পরের খেলা ১৫ এপ্রিল, মিনার্ভা পাঞ্জাব এফসি-র বিরুদ্ধে। তারপর মহা গুরুত্বপূর্ণ আইজল ম্যাচ। আবারও অ্যাওয়ে। অবশ্য মোহনবাগানের এখন শেষ ম্যাচটিই একমাত্র ঘরের মাঠে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে শেষ ম্যাচ ঘরের মাঠে মানে অবশ্যই ‘অ্যাডভান্টেজ’ মোহনবাগান!

    No comments