• Breaking News

    আই লিগ থেকে নাম তুলে নিল স্পোর্টিং আর সালগাওকর

    [caption id="attachment_308" align="alignleft" width="300"]আই লিগ থেকে নাম তুলে নিল স্পোর্টিং আর সালগাওকর আই লিগ থেকে নাম তুলে নিল স্পোর্টিং আর সালগাওকর[/caption]

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
    ভারতীয় ফুটবলে নয়া বিপর্যয়। আই লিগ থেকে এক সঙ্গে নাম তুলে নিল গোয়ার দুই ক্লাব স্পোর্টিং ও সালগাওকর!
    আইএসএলকে তুলে ধরার জন্য আই লিগকে একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। ১৭ মে দিল্লির ফুটবল হাউসে সমস্ত ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে যে সভা হয়েছিল, তাতে পরিষ্কার করে বলে দেওয়া হয়েছিল, আইএসএলকেই যতটা সম্ভব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। আই লিগ হয়ে যাবে দ্বিতীয় সারির টুর্নামেন্ট। আইএসএল খেলতে হলে আই লিগ টিমগুলোকে টাকা দিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি কিনতে হবে।
    ফেডারেশনের ‘পে অ্যান্ড প্লে’ নীতির প্রতিবাদেই আই লিগ থেকে সরে দাঁড়াল স্পোর্টিং আর সালগাওকর। দুই ক্লাবের তরফে এ দিন সরকারি ভাবে তা ঘোষণাও করে দেওয়া হয়। যৌথ্য এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘১৭ মে ফেডারেশনের প্রস্তাবের পর আমাদের হাতে আর কোনও বিকল্প নেই। তাই বাধ‌্য হয়ে আই লিগ থেকে নাম তুলে নিচ্ছি আমরা। ফেডারেশনের ‘পে টু প্লে’তে আমরা কোনও ভাবেই বিশ্বাসী নই।’ একই সঙ্গে ওই ক্লাবের কর্তারা যৌথ্য রিলিজে বলেছেন, ‘আমরা বুঝতে পারছি, এর পর আর কোনও ভবিষ্যৎ থাকবে না আই লিগ খেললে। আইএসএল চ্যাম্পিয়ন বা রানার্স হলে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বা এএফসি কাপে খেলা যাবে সরাসরি। আমরা শুধু শুধু আই লিগে খেলব কেন?’
    জেসিটি দিয়ে ক্লাব ফুটবলের বিপর্যয় শুরু। ভারতীয় ফুটবলে কোনও ভবিষ্যৎ না দেখে পাঞ্জাবের টিম নাম তুলে নেওয়ার পর একে একে সরে গিয়েছে মাহিন্দ্রা, পুনে এফসির মতো কর্পোরেট ক্লাবগুলো। ফেডারেশন এই ক্লাবগুলোকে টিকিয়ে রাখার জন্য কোনও উদ্যোগই নেয়নি। আর্থিক কারণে দিনের পর দিন ধুঁকেছে আই লিগ ক্লাবগুলো। বাংলাতেও সেই একই হাল। মোহনবাগানের স্পনসর নেই। কর্তারা নিজেদের পকেট থেকে টাকা দিয়ে চালাচ্ছেন ক্লাব। মহামেডান জৌলুস হারিয়েছে অনেক দিনই। ইস্টবেঙ্গল লড়ে যাচ্ছে একা। কিন্তু ইস্ট-মোহনকেও বাধ্য হচ্ছে টাকা দিয়ে আইএসএলে খেলতে। এ নিয়ে বিতর্ক চলছিলই। তার মধ্যে সরে গেল দুই গোয়ার টিম।
    স্পোর্টিং ও সালগাওকরের ব্যবসায়ী কর্তারা নিজেদের পকেট থেকে টাকা দিয়ে ক্লাব চালিয়ে গিয়েছেন। ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার জন্য। কিন্তু ফেডারেশন কর্তাদের কোনও সাহায্য না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হল।
    দুই গোয়ার ক্লাব অভিযোগ করেছে, ‘২০০৮ সাল থেকে আই লিগ খেলার জন্য যে অর্থ পায় ক্লাবগুলো, তা এখনও বকেয়া। একে টাকা নেই, তার উপর ফেডারেশনের আইএসএল কেন্দ্রীক ভাবনা আমরা মেনে নিতে পারছি না। সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম আমরা।’

    No comments