• Breaking News

    চাঁদের ‘দ্যুতি’ ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সে!

    ওডিশার বিতর্কিত অ্যাথলিট দুতি চাঁদ পেলেন রিও-র টিকিট। ১০০ মিটার দৌড়ে। পিটি উষার ৩৬ বছর পর!


    রাইটস্পোর্টস ডেস্ক

    dutee-chand

    পিটি উষার পর দুতি চাঁদ। মাঝে ৩৬ বছরের ব্যবধান। ১০০ মিটার দৌড়ে অলিম্পিকের যোগ্যতামান পেরলেন ওডিশার অ্যাথলিট।

    কাজাখস্তানের আলমাটিতে ১০০ মিটার দৌড়ে অলিম্পিকের যোগ্যতামান নির্ধারিত ছিল ১১.৩২ সেকেন্ড। অর্থাৎ, দুতিকে রিও অলিম্পিকের টিকিট পেতে হলে জাতীয় রেকর্ড ভাঙতে হত। ওডিশার বিতর্কিত অ্যাথলিট সময় করলেন ১১.৩০ সেকেন্ড। পেলেন রিও-র টিকিট। উচ্ছ্বসিত অ্যাথলিট বলেই দিলেন, ‘অলিম্পিকে আরও ভাল করার চেষ্টা করব। কাউকে নিরাশ করব না, কথা দিচ্ছি।’

    দু-বছর আগে তিনি ছিলেন বিতর্কিত অ্যাথলিটদের একজন। শরীরে পুরুষ হর্মোন টেস্টোস্টেরনের উপস্থিতি বেশি এই অভিযোগে ২০১৪ কমনওয়েলথ গেমস থেকে তাঁকে নির্বাসিত করা হয়েছিল। দুতি হাল ছাড়েননি। লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন। অবশেষে গত বছর ২০১৫য় খেলার জগতের সবচেয়ে বড় ‘কোর্ট অফ আর্বিট্রেশন’ থেকে ছাড়পত্র মেলে, আবার ট্র্যাকে ফেরার।

    তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে তিনটি সংস্থা। অ্যাংলিয়ান মেডাল হান্ট, পুল্লেলা গোপীচাঁদ আকাদেমি ও কেআইআইটি বিশ্ববিদ্যালয়। তাঁদের আস্থার মর্যাদা দিলেন দুতি, আজারবাইজানের ট্র্যাকে দ্যুতি ছড়িয়ে। ধন্যবাদও দিলেন প্রত্যেককে, দুঃসময়ে তাঁর পাশে ছিলেন যাঁরা। ‘সবার প্রার্থনায় কাজ হয়েছে। এই শুভেচ্ছা পাথেয় করেই আজ আমি রিও-র পথে।’

    এক বছর অনুশীলন করতে না-পারা সত্ত্বেও দুতির এই কৃতিত্বে সত্যিই গর্বিত ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স। মস্কোয় ১৯৮০ অলিম্পিকে ১০০ মিটার দৌড়ের জন্য যোগ্যতামান পেরিয়েছিলেন পিটি উষা, যদিও ব্যর্থ হয়েছিলেন মূল আসরে পৌঁছে। পরের বার ১৯৮৪ অলিম্পিকে চতুর্থ হয়েছিলেন উষা, ইভেন্ট পাল্টে, ৪০০ মিটার হার্ডলসে।

    ১০০ মিটার দৌড়কে বলা হয় অলিম্পিকের সেরা ইভেন্ট। এই মুহূর্তে বিশ্বসেরা হিসাবে সেই ইভেন্টে রাজত্ব করছেন জামাইকার শেলি অ্যান ফ্রেজার প্রাইস, পুরুষদের ইভেন্টে উসেইন বোল্টের মতোই। ‘পকেট রকেট’ নামে খ্যাত, উনত্রিশের এই স্প্রিন্টারের সেরা সময় ১০.৭০ সেকেন্ড। দুতি সেই সময় থেকে অনেকটাই দূরে। কিন্তু, ১০০ মিটার ইভেন্টের চূড়ান্ত পর্বেও যদি জায়গা না-ও করে নিতে পারেন ভারতের দুতি, অলিম্পিকের যোগ্যতামান পেরনোই বিরাট কৃতিত্ব হিসাবেই জায়গা পাবে ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের ইতিহাসে।

    No comments