• Breaking News

    পদক বেশি, প্রচার কম ১ - ভারোত্তোলন

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

    [caption id="attachment_966" align="alignleft" width="300"]halil mutlu তুরস্কের হালিল মুতলু। ১৯৯৬, ২০০০ ও ২০০৪ - টানা তিনটি অলিম্পিক্সে সোনা জিতেছিলেন[/caption]

    অলিম্পিক্সে এমন বহু খেলা রয়েছে যেগুলো সম্পর্কে খুব কম বলা বা লেখা হয়। অধুনা ভারতে শুটিং নিয়ে চর্চা বেশি কারণ ভারতীয়রা শুটিংয়ে বেশ কিছু পদক পেয়েছেন। যেমন কুস্তিও ততটা গ্ল্যামারাস খেলা নয়। আমাদের দেশে কুস্তিতেও কয়েকটি পদক এসেছে বলে আমরা উৎসাহী কুস্তি নিয়ে এখন। কিন্তু অলিম্পিক্স ইতিহাসে শুটিং বা কুস্তি বহু-চর্চিত খেলা নয়। এ ছাড়াও আছে ভারোত্তোলন, সাইক্লিং, তীরন্দাজি, রোয়িং, জুডো, ফেন্সিং। এই খেলাগুলির সেরা-রা কারা? কতগুলি করে অলিম্পিক্স সোনা পেয়েছিলেন তাঁরা? এই ফিচারে আলোকপাত তাঁদের কৃতিত্বে। প্রথমে ভারোত্তোলন, রিও-তে মোট ১৫ টি সোনা থাকছে যে-খেলায়।

    ভারোত্তোলন

    ভারোত্তোলনে অনেকগুলি সোনা জেতার সুযোগ থাকে কারণ অনেকগুলি বিভাগে খেলা হয়। বিভাগগুলি হয় শারীরিক ওজনের ভিত্তিতে। পুরুষদের ক্ষেত্রে বিভাগগুলি হল – ৫৬ কেজি, ৬২ কেজি, ৬৯ কেজি, ৭৭ কেজি, ৮৫ কেজি, ৯৪ কেজি, ১০৫ কেজি এবং ১০৫ কেজি ও ততোধিক। মানে, মোট ৮ বিভাগ। মহিলাদের আছে সাতটি বিভাগ। ৪৮ কেজি, ৫৩ কেজি, ৫৮ কেজি, ৬৩ কেজি, ৬৯ কেজি, ৭৫ কেজি এবং ৭৫ কেজি ও ততোধিক।

    নিয়ম হল, দুটি ভাগে ওজন তুলতে হবে। একটি স্ন্যাচ। অন্যটি ক্লিন অ্যান্ড জার্ক। স্ন্যাচ মানে ওজন সরাসরি মাথার ওপর তুলে ধরতে হবে, একটানে মাটি থেকে মাথার ওপর। ক্লিন অ্যান্ড জার্কে প্রথমে ওজনটা তুলে বুকের ওপর রেখে বসে বা দাঁড়িয়ে একটু দম ফেলার ফুরসত নিয়ে তারপর সোজা তুলে ধরতে হবে মাথার ওপরে। খুবই কঠিন খেলা, চোট লাগার প্রবল সম্ভাবনা। বিশেষত হ্যাঁচকা টানে মাথার ওপর ওই রকম ওজন তুলে ফেলতে হয় বলে। প্রত্যেক ভারোত্তোলকই তাই কোমরে বেল্ট বেঁধে রাখেন, নিজ নিজ ওজন অনুযায়ী যা তাঁদের কোমরকে হঠাৎ চোট পাওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। যে-দন্ডের দুইপাশে ওজনগুলি সাজানো থাকে সমানভাগে, সেই দন্ডটিও যাতে হাত থেকে পিছলে পড়ে না যায় সে জন্য চকের গুঁড়ো ব্যবহৃত হয়, প্রত্যেক লিফটার ওজন তোলার আগে হাতে ভাল করে মাখিয়ে নেন সেই গুঁড়ো।

    প্রতিটি বিভাগেই সেরা-রা থাকেন, থাকবেন। তবু, পুরুষদের ভারোত্তোলনে সেরাদের একটি রেটিং করেছে বেশ কিছু সংস্থা। তাদের হিসাব অনুযায়ী সেরা পাঁচ পুরুষ ভারোত্তোলক –

    ১. পল অ্যান্ডারসন (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র)। ১৯৫৬ অলিম্পিকে সোনা জেতার সময় তাঁর শরীরে ১০৪ ডিগ্রি জ্বর।

    ২. হোসেন রেজা জাদে (ইরান)। দুবারের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন, এশিয়াডে সোনা জিতেছেন দুবার, বিশ্ব ভারোত্তোলনে চারবার।

    ৩. ইলিয়া ইলিন (কাজাখস্তান)। ৯৪ কেজি বিভাগে তিনটি বিশ্বরেকর্ডই তাঁর। দুবারের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন, চারবার বিশ্বে।

    ৪. লিয়াও হুই (চিন)। ৬৯ কেজি বিভাগে তিনটি বিশ্বরেকর্ডের মালিক। অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন, তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নও।

    ৫.  হালিল মুতলু (তুরস্ক)। অলিম্পিকে টানা তিনবার সোনা, পাঁচটি সোনা বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে, ৯বার ইউরোপ-সেরা।

    No comments