• Breaking News

    জিতেই কলকাতা লিগ অভিযান শুরু ইস্টবেঙ্গলের

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

    [caption id="attachment_1074" align="alignleft" width="300"] সৌজন্য - ইবিআরপি ডট ইন সৌজন্য - ইবিআরপি ডট ইন[/caption]

    জিতেই খেতাব ধরে রাখার অভিযান শুরু করল ইস্টবেঙ্গল। নিজেদের মাঠ এখনও তৈরি নয়। তাই, টানা সপ্তম লিগজয়ের লক্ষ্যে প্রথম ম্যাচ খেলতে হল কল্যাণীতে। ট্রেভর জেমস মর্গ্যান দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেন ২-১ ব্যবধানে ভবানীপুরকে হারিয়ে। ইস্টবেঙ্গলের গোল জিতেন মুর্মু ও লাল রিনডিকার। ভবানীপুরের হয়ে ১-১ করেছিলেন ওরোক ওরোক।


    মর্গ্যানের চিন্তা ছিল রক্ষণ। বলেওছিলেন, ম্যাচের আগের দিন। ম্যাচে দেখা গেল তাঁর আশঙ্কা কতটা সত্যি। যেভাবে গোলটা খাওয়ালেন অ্যাঙ্গাস কালাম, চিন্তা তো থাকারই কথা কোচের। বলটা ক্লিয়ার করা অবশ্যই উচিত ছিল তাঁর। পড়ে গেলেন, বলে পা-ই লাগাতে পারলেন না। ওরোক ওরোক সুযোগের সন্ধানে ছিলেন। অ্যাঙ্গাস বলটা বের করে দিতে না-পারায় তাঁর পক্ষে সেই বল ধরে ইস্টবেঙ্গেলের গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে কোনও অসুবিধেই হয়নি। শুধু ওই একবারই নয়, আরও বেশ কয়েকবার লালহলুদ রক্ষণকে ভঙ্গুর মনে হয়েছে, যা নিশ্চিতভাবেই কপালে আরও কিছু চিন্তার ভাঁজ ফেলবে মর্গ্যানের।


    ইস্টবেঙ্গলের দুটি গোলই অবশ্য বেশ ভাল, বিশেষ করে প্রথমটি। দো-দং ক্রস রেখেছিলেন ভবানীপুর বক্সে। রফিক নিচু হয়ে হেড করতে চেয়েছিলেন। তাঁর মাথা ছুঁয়ে বল যায় জিতেন মুর্মুর কাছে। জিতেন ডান পায়ে বল রাখেন নেটের ছাদে। দ্বিতীয়ারধের শুরুর দিকে দ্বিতীয় গোল পেয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। এবার বাঁদিক থেকে অবিনাশ রুইদাসের সেন্টার। বল ছিটকে এসেছিল অধিনায়ক ডিকার পায়ে। বাঁপায়ের জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন ডিকা। তাঁকেই ম্যাচের সেরা বেছে নেওয়া হয়, যদিও চোখ টেনে নিয়েছিলেন রুইদাস।


    ভবানীপুর চেষ্টা করেছিল দ্বিতীয় গোলও শোধ করার। পারেন অনভিজ্ঞতায়। তাদের কোচ দেবজিৎ ঘোষ আগে ইস্টবেঙ্গলে খেলেছেন যেমন, গতবার সহকারী হিসাবে কাজও করেছিলেন ইস্টবেঙ্গলে, বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যের সঙ্গে। এবার তাঁর ভবানীপুর খারাপ খেলছে না। কিন্তু প্রতি ম্যাচেই কিছু ভুলের খেসারত দিচ্ছে, যা মানতে পারছেন না লড়াকু ফুটবলার হিসাবে পরিচিত দেবজিৎ।


    মর্গ্যান যেমন মেনে নিচ্ছেন রক্ষণে গলদ আছে। কিন্তু, অ্যাঙ্গাস আর গুরবিন্দরই রক্ষণে তাঁর সেরা জুটি, বলছেন। ‘একটু তো সময় লাগবেই। আট মাস পর মাঠে নেমেছিল অ্যাঙ্গাস। রক্ষণে বোঝাপড়া তৈরি হতে সময় লাগে। কিছুদিন খেলুক একসঙ্গে।’ তবে, চিডি বা র‍্যান্টির মতো ‘পজিটিভ’ স্ট্রাইকার না-থাকা সত্ত্বেও তিনি কান্নাকাটি করবেন না, জানিয়ে দিয়েছেন। যাঁরা আছেন, লড়তে চান তাঁদের নিয়েই। ইস্টবেঙ্গলের পরের প্রতিপক্ষ পিয়ারলেস।

    No comments