• Breaking News

    লিয়েন্ডারদের বিদায় প্রথম রাউন্ডেই, প্রত্যাশিত!

    bonappa-file-mরাইট স্পোর্টস ডেস্ক


    যা যা হয়েছিল তার পর এটাই প্রত্যাশিত ছিল! লিয়েন্ডার পেজ ও রোহন বোপান্না জুটি বিদায় নিল অলিম্পিকের প্রথম রাউন্ডেই। সরাসরি ৪-৬, ৬-৭ হেরে। এক ঘন্টা ৪০ মিনিটের লড়াইতে।
    সবে ৪ অগাস্ট রিও পৌঁছেছিলেন লিয়েন্ডার। এসেই তাঁকে পেতে হয় শীতল অভ্যর্থনা। তাঁর জন্য ভারতীয়রা কোনও ঘরই রাখেননি! কোনও রকমে মাথা গোঁজার ঠাঁই জোগাড় করেই অনুশীলনে চলে গিয়েছিলেন। তারপর তাঁকে আবার শুনতে হয় ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের নানা রকম অপপ্রচার। যার জবাব দিতে টুইটারের শরণাপন্ন হতে হয়েছিল, সপ্তম অলিম্পিকে খেলতে-আসা লিয়েন্ডারকে। বোপান্না তো শুরুতেই জানিয়েছিলেন, লিয়েন্ডারের সঙ্গে খেলতে চান না। ভারতীয় টেনিস সংস্থা জোর না করলে সপ্তম অলিম্পিকে খেলার স্বপ্নটাই সফল হত না লিয়েন্ডারের।
    কিন্তু, লিয়েন্ডার-বোপান্না জুটি যে আদৌ কিছু করতে পারবে না, খুব একটা সন্দেহ ছিল না এ-ব্যাপারে। সঙ্গীদের যদি একের অপরের প্রতি বিশ্বাস না থাকে, ডবলসে সাফল্য পাওয়া সম্ভব নয়। ডেভিস কাপে ঘরের মাঠে দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে সহজ জয় নয়, অলিম্পিকের আসরের দাবি অনেক বেশি। ঠিক যেমন চেক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিরোধ গড়ে না তুলতে না পেরে হেরেছিল এই জুটি, অলিম্পিক ডবলসের প্রথম রাউন্ডেও পোলিশ জুটি লুকাস কুবোট ও মার্টিন মাটকোওস্কির বিরুদ্ধে হেরে যেতে হল ভারতীয় জুটিকে।
    টেনিসে এখন ভারতের ভরসা হিসাবে থাকলেন সানিয়া মির্জা ও বোপান্না জুটি। যাঁরা একসঙ্গে খেলতে চান, প্রকাশ্যেই এ-ব্যাপারে মতামত জানাতে দ্বিধা করেন না। তাঁদের জন্য ভাল খবরও এসেছিল প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই, যখন রজার ফেডেরার নাম তুলে নিয়েছিলেন চোটের কারণে। ফেডেরার ও মার্টিনা হিঙ্গিস জুটি নিশ্চিতভাবেই ফেবারিট হিসাবে শুরু করতেন মিক্সড ডবলসে। এবার সানিয়া-বোপান্নাদের দেখানোর পালা, পদক জিততে পারেন কিনা।
    ১৯৯২ বার্সেলোনা থেকে অলিম্পিকে অভিযান শুরু হয়েছিল লিয়েন্ডার পেজের। সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছেছিলেন দ্বিতীয় অলিম্পিকেই, আটলান্টাতে। সিঙ্গলসে জিতেছিলেন ব্রোঞ্জ। আর কোনও ভারতীয় তারকা যা আজও করে দেখাতে পারেননি। এমনকি, ডবলস বা মিক্সড ডবলসেও কোনও পদক আসেনি ভারতীয় টেনিসে। বিদায় অবশ্য একেবারেই সুখকর হল না লিয়েন্ডারের।

    No comments