• Breaking News

    মা ও ছেলের সংসার এবং রিও অলিম্পিক

    [caption id="attachment_1017" align="alignright" width="300"]মা ও ছেলে। প্র্যাক্টিসে মগ্ন। ছবি— টুইটার মা ও ছেলে। প্র্যাক্টিসে মগ্ন। ছবি— টুইটার[/caption]

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক
    জর্জিয়ান মহিলা শুটারের নাম‌ নিনো সালুকভাদজে। বয়স‌ ৪৭। ইভেন্ট‌ - ২৫ মিটার পিস্তল ও ১০ মিটার এয়ার পিস্তল।
    জর্জিয়ার আর এক তরুণ শুটারের নাম‌ তোত্নে মাকাভারিয়ানি। বয়স‌ ১৮। ইভেন্ট‌ - ৫০ মিটার এয়ার পিস্তল ও ১০ মিটার এয়ার পিস্তল।
    এই দু’জনের মধ্যে মিল কোথায়? আট নম্বর অলিম্পিকে নামতে চলা নিনোর ছেলের নাম তোত্নে! ৫ থেকে ২১ অগাস্ট মা ও ছেলের সংসারে ঢুকে পড়তে চলেছে রিও অলিম্পিক।
    এই প্রথম মা ও ছেলেকে একসঙ্গে নামতে দেখা যাবে কোনও অলিম্পিকের ইতিহাসে।
    নিনো শুটিংয়ের ইতিহাসে খুব ঝলমলে নাম। জর্জিয়ার এই মহিলা শুটার ১৯৮৮ সালে সোলে সোনা জিতেছিলেন। ছ’বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন পিস্তল শুটারও। সেই তিনি নামতে চলেছেন ঐতিহাসিক অলিম্পিকে নিজের ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে। নিনো বলেওছেন, ‘ছেলেকে সঙ্গে এ বার অলিম্পিকে নামব, এটা আমার কাছে বিরাট ব্যাপার। সব কিছুর উর্ধ্বে উঠে আমি তো মা। তাই নিজের সেরাটা যেমন দিতে চেষ্টা করব, তেমনই চেষ্টা করব যেন আমার ছেলেও ওর সেরাটা দিতে পারে। সফল হতে পারে।’
    শুধু নিনো আর তোত্নের অলিম্পিকে নামার গল্পতেই থেমে যাচ্ছে না ব্যাপারটা। জড়িয়ে রয়েছে পুরো পরিবার। মা ও ছেলে যাঁর কাছে কোচিং নেন তাঁর নাম ভাখতাং সালুকভাদজে। তিনি আবার নিনোর বাবা। তোত্নের দাদু।
    তোত্নে কাছে তাঁর মা নিনোই প্রেরণা। ১৮ বছরের বাচ্চা ছেলে অলিম্পিকে নেমে পড়ার আগে বলেছেন, ‘শুনেছি, ১৯৮৮ সালে যখন সোনা জেতে তখন মায়ের বয়স ছিল মাত্র ১৯। মানে আমার থেকে এক বছরের বড়। মা যদি পেরে থাকে, আমি পারব না কেন?’

    No comments