• Breaking News

    বায়ার্নকে হারিয়ে ফের চমক আতলেতিকোর

    আতলেতিকো মাদ্রিদ-১ ‌: বায়ার্ন মিউনিখ-০ 




    [caption id="attachment_1801" align="alignleft" width="300"]আতলেতির উৎসব। ছবি— টুইটার আতলেতির উৎসব। ছবি— টুইটার[/caption]

    (কারাসকো ৩৫’)


    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক

    ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি। গত বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে যাদের কাছে হারতে হয়েছিল মাদ্রিদে, তাদের কাছেই ফের তিন পয়েন্ট খোয়াল বায়ার্ন মিউনিখ। কার্লো আনসেলোত্তির বায়ার্ন ০-১ হেরে বসল আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে!

    মরসুমের শুরু থেকেই দুরন্ত ছন্দে ছিল বায়ার্ন মিউনিখ। সব ধরনের প্রতিযোগিতায় টানা আট ম্যাচ জিতে মাদ্রিদে পা দেওয়া টমাস মুলার, ফিলিপ লামরা যে হেরে বসবেন, কেউই ভাবেনি। ম্যাচে বেশি বল পজেশন ছিল জার্মান দলেরই। তবু গোলমুখ খুলতে পারলেন না গত বারের রানার্স দলের বিরুদ্ধে। স্পেনের ক্লাবের দুরন্ত ডিফেন্সের কাছে বারবার  আটকে গেলেন রিবেরি, মুলাররা। ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩১টা ম্যাচ খেলে ২৬টাতে জিতল আতলেতিকো মাদ্রিদ।

    জার্মান ক্লাবকে হারানোর জন্য সিমিওনের আতলেতিকোর ফুটবলে শুরু থেকেই ভারসাম্য। আক্রমণ যেমন ছিল, তেমনই ছিল চমৎকার ডিফেন্সও। ২২ মিনিটেই ১-০ করে ফেলতে পারত আতলেতি। তোরেসের হেড পোস্টে লেগে ফেরে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে অবশ্য গোল খেয়ে যায় বায়ার্ন। আঁতোইন গ্রিজমানের পাস থেকে চমৎকার গোল করেন ইয়ানিক কারাসকো। বিরতির আগে ও পরের বাকি সময়টুকুতে বায়ার্ন কয়েক বার আতলেতিকোর বক্সে ঢুকে পড়লেও গোল করতে পারেনি। ম্যাচের শেষ দিকে, ৮৩ মিনিটে আতলেতিকো আবার পেনাল্টি পেয়েছিল। কিন্তু গ্রিজমানের শট ক্রসবারে লেগে বাইরে চলে যায়।

    গ্রুপ ‘ডি’র প্রথম দু’ম্যাচের পর দিয়েগো সিমিওনের দল ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে শীর্ষে। ম্যাচের পর তৃপ্ত সিমিওনের ব্যাখ্যা, ‘আমার সময়ের অন্যতম সেরা ম্যাচ খেলল আতলেতিকো। বায়ার্নকে সারা ম্যাচে যেমন চাপে রাখতে পেরেছি, তেমনই নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছি।’ দুই ডিফেন্ডারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সিমিওনে। ‘সাভিচ আর গোদিন অসাধারণ খেলেছে। সেরা ফুটবল উপহার দিয়েছে আমার ডিফেন্ডাররা।’

    No comments