• Breaking News

    সুযোগ নষ্টের প্রদর্শনী পুনে-কেরল ম্যাচে

    পুনে সিটি এফসি ১ কেরালা ব্লাস্টার্স ১


    (সিসোকো ৬৮)  (সেদরিক ৩)


    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ

    [caption id="attachment_2029" align="alignleft" width="300"] ছবি - আইএসএল[/caption]

    আন্তোনিও আবাস মাঠের ধারে ফিরবেন পরের ম্যাচে। কিন্তু তাতে কি ত্রাওরে ও তাতো গোল করতে পারবেন? দুজনের এমন পরপর সুযোগ নষ্টের প্রদর্শনী স্বস্তি দিল না পুনেকে। মার্কি ফুটবলার সিসোকোর গোলে মান বাঁচল। তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে ঘরের মাঠে প্রথম পয়েন্ট পেল পুনে।

    শেষ ম্যাচে জিতে কেরালা ব্লাস্টার্স যে তেতে ছিল, প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল ম্যাচের শুরুতেই। তিন মিনিটে গোল,অ্যাওয়ে ম্যাচে! হোসুর কর্নার থেকে শট নিয়েছিলেন নাজোন। কিন্তু বল বক্সে পুনের রক্ষণভাগের ফুটবলারের গায়ে আটকে ফিরে এসেছিল যখন, কাছেই ছিলেন সেদরিক। ফরাসি ফুটবলার বাঁপায়ের শটে গোল করতে ভুল করেননি। এদেল বেতের কিছু করারই ছিল না। বক্সের মধ্যে ওভাবে পায়ে বল পেলে রক্ষণের ফুটবলারেরও গোল করতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়!

    তারপর থেকে গোলশোধের চেষ্টায় আক্রমণে এগোতে শুরু করেছিল পুনে এফসি। বিরতির সময়ও আক্রমণে তাদের প্রাধান্য, যদিও বল বেশি দখলে রেখেছিল কেরল। চেষ্টা করছিল অ্যাওয়ে ম্যাচে বলের দখল নিজেদের পায়ে রেখে বিপক্ষকে হতোদ্যম করে, ব্যবধান ধরে রাখতে। কিন্তু ৩ মিনিটে পাওয়া গোল ধরে রাখতে গেলে যতটা দক্ষতা দরকার,ততটা কি ছিল কেরলের ফুটবলারদের?

    পুনের হয়ে গোল শোধ করেছিলেন সিসোকো, ৬৮ মিনিটে। ডানদিক থেকে লুকার ক্রস এসেছিল বক্সের মাথায় সিসোকোর কাছে। শট নিয়েছিলেন মার্কি ফুটবলার, যা কেরলের অ্যারন হিউজের পায়ে লেগে সম্পূর্ণ দিক পাল্টে পৌঁছে গিয়েছিল জালে। সন্দীপ নন্দীর অসহায় হয়ে তাকিয়ে থাকা ছাড়া উপায় ছিল না। এতটা দিক পরিবর্তনের ফলে গোলটা কি সিসোকোর নামেই থাকবে, না বিবেচিত হবে আত্মঘাতী গোল হিসাবে?বিতর্ক থেকে গেল।

    কিন্তু গোল শোধ হওয়ার আগে এবং পরে, বারবার আক্রমণে গিয়েছিল পুনে। শুধু আক্রমণে যাওয়াই নয়, গোলমুখ খুলেও ফেলছিল। কিন্তু গোল পাননি কেউ। এবারের আইএসএল-এ গোল এমনিতেই কম হচ্ছে। তার প্রধান কারণ, গোলমুখে প্রায় সব দলের ফুটবলারদের ব্যর্থতা। উল্টোদিকে আন্তোনিও জার্মান বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেন। কখনও তাঁর শটে ঠিকঠাক জোর ছিল না, কখনও রাখতে পারেননি নিশানায়। রফিক-রফি জুটিও ত্রাওরে-তাতোর মতোই। বিশেষত গোল শোধ হওয়ার পর পুনে যখন একটু হলেও আক্রমণের মাত্রা কমিয়েছিল, কেরল কিন্তু তুলে নিতে পারত জয়, প্রাপ্ত সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে।

    আসলে, দুই দলেরই সমস্যা এক – গোলমুখে ব্যর্থতা। যে কারণে চার ম্যাচ পর চার পয়েন্ট হাতে এখন পুনের। একটি জয় ও একটি ড্র থেকে। আছে সপ্তম স্থানে। একটাই স্বস্তি,ঘরের মাঠে পরপর দুটি ম্যাচ হারার পর তৃতীয় ম্যাচে অন্তত আর হারতে হয়নি। কেরলকে টানা চার ম্যাচ খেলতে হবে বাইরে। তার প্রথম ম্যাচে একটি পয়েন্ট পেয়ে এই মুহূর্তে পঞ্চম স্থানে, মোট ৫ পয়েন্ট নিয়ে।

    No comments