• Breaking News

    দিল্লির বিরুদ্ধে রেকর্ড ভাল করাই লক্ষ্য কলকাতার

    atkvs-delআইএসএল মিডিয়া রিলিজ


    দিল্লি ডায়নামোসের বিরুদ্ধে শনিবার ঘরের মাঠ রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে আতলেতিকো দে কলকাতাকে অনেক কিছু প্রমাণ করতে হবে।
    গত দুবারের হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে আতলেতিকো দে কলকাতা সব দলকেই হারিয়েছে। দিল্লি ডায়নামোসকে ছাড়া। ২০১৪য় তারা চ্যাম্পিয়্যন হয়েছিল, সে বারও পারেনি দিল্লিকে হারাতে। চার বার খেলেছে, গোল করেছে মাত্র দুটি। বাকি সব ফ্র্যাঞ্চাইজির থেকে অনেক কম।
    এবার আইএসএল-এ এই দুই দলই এখনও অপরাজিত। শনিবার ঘরের মাঠে কলকাতা নিশ্চিতভাবেই চাইবে, রেকর্ডটা আরও ভাল করতে।
    কলকাতার কোচ হোসে মোলিনার মতে, ‘খারাপ ব্যাপার হল, ঘরের মাঠে দ্বিতীয় ম্যাচটাও জিততে পারিনি। কিন্তু ভাল দিকটাও দেখতে হবে, আমরা কিন্তু হারিনি!’ জিকোর এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ১-১ ম্যাচের পর বলেছিলেন, যে এফসি গোয়া তার আগে তিনটি ম্যাচই হেরেছিল।
    ‘চেষ্টা তো সবসময়ই থাকে আরও উন্নতি করার, জেতার। কিন্তু একটা পয়েন্টের মূল্যও কম নয়, এভাবেই দেখতে হবে। ১০টা ম্যাচ এখনও বাকি আছে, ঘরের মাঠে পাঁচটা ম্যাচ, দেখা যাক,’ বলেছেন মোলিনা।
    আগের রেকর্ড যা বলছে, দিল্লি ডায়নামোসের বিরুদ্ধে কাজটা অবশ্য সহজ হবে না কলকাতার। এখনও পর্যন্ত এই দুই দলের খেলায় ঘরের মাঠে কোনও দলই জেতেনি। যদি কলকাতা জেতে, উঠে আসবে দ্বিতীয় স্থানে। আর যদি না পারে জিততে, ঘরের মাঠে প্রথম তিনটি ম্যাচের একটিও জিতল না এমন ঘটনা ঘটবে প্রথমবার।
    দিল্লি অবশ্য এবারের আইএসএল শুরু করেছিল দারুণভাবে। গতবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়িনকে তাদের মাঠেই ৩-১ হারিয়ে। আশা করা হয়েছিল, ওই ম্যাচ থেকে পাওয়া আত্মবিশ্বাস দিল্লিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে পরের ম্যাচগুলোতেও। কিন্তু দিল্লি তারপর তিনটি ম্যাচই ড্র করেছে, যথাক্রমে কেরালা ব্লাস্টার্স, নর্থইস্ট ইউনাইটেড ও মুম্বই সিটি এফসি-র বিরুদ্ধে। শেষ ম্যাচে তো কাজটা বেশ কঠিন ছিল কারণ দু-দুবার পিছিয়ে থেকেও সমতা ফেরাতে হয়েছিল দিল্লিকে।
    ‘আমাদের সৌভাগ্য, মুম্বই সিটি বেশ কয়েকটা ভুল করে সুযোগ দিয়েছিল আমাদের, ১-৩ থেকে ম্যাচে ফেরার,’ স্বীকার করেছেন দিল্লির কোচ জামব্রোতা।
    কলকাতার বিরুদ্ধে কলকাতা থেকে জিতে ফিরতে হলে জামব্রোতাকে বিশেষভাবে তাকিয়ে থাকতে হবে মার্সেলিনিওর দিকে। ব্রাজিলীয় মার্সেলনিওর গতি এবং বলের ওপর মুন্সিয়ানা সব দলের রক্ষণভাগকেই বিব্রত করেছে। তিনটি গোল করেছেন, সঙ্গে দুটি অ্যাসিস্টও আছে মার্সেলিনিওর নামে।
    গতবার তাদের মার্কি ফুটবলার মালুদা যেমন খেলে সেমিফাইনালে নিয়ে গিয়েছিলেন দিল্লিকে, আরও একবার ফরাসি ফুটবলারকে ফিরতে হবে সেই ছন্দে। ম্যাচ-প্রতি মালুদার পাসের সংখ্যা গতবারের ৬৫ থেকে নেমে এবার ৩৭.৫। কিন্তু মিডফিল্ডার মালুদার উৎকর্ষ প্রশ্নাতীত। জামব্রোতা শুধু আশা করতে পারেন যে, শীঘ্রই গতবারের ছন্দে ফিরবেন মালুদা

    No comments