• Breaking News

    হেরে জিকোর গোয়ার প্রথম চারের সম্ভাবনা প্রায়-শেষ!

    এফসি গোয়া ০   দিল্লি ডায়নামোস ২


                                              (মার্সেলিনিও ৭২, গ্যাডজে ৭৬)


    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ

    [caption id="attachment_2168" align="alignleft" width="300"]গ্যাডজের গোলের ঠিক আগের মুহূর্ত। ছবি - আইএসএল গ্যাডজের গোলের ঠিক আগের মুহূর্ত। ছবি - আইএসএল[/caption]

    মার্সেলো লেইতে পেরিরার জন্ম রিও দে জানেইরোতে, পরিচিতি মার্সেলিনিও নামে। ব্রাজিলের সেই একই শহরে জন্ম জিকোর। রিও-র উইঙ্গারের কাছেই হার মেনে এবার তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে জিকোর এফসি গোয়ার সেমিফাইনাল-সম্ভাবনা প্রায় শেষ!

    ৬০ মিনিটে মাঠে এসেছিলেন মার্সেলিনিও। দিল্লি ডায়নামোসের কোচ ব্রুনো পেলিসারির জায়গায় নামিয়েছিলেন তাঁকে। মাঠে আসার ১২ মিনিটের মধ্যে নিজে গোল করলেন, চার মিনিট পর সাজিয়ে দিলেন দ্বিতীয় গোল। মার্সেলিনিওর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্যই আবারও অ্যাওয়ে ম্যাচ থেকে দুরন্ত জয় তুলে নিল দিল্লি ডায়নামোস। ঠিক যেমন প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রথম ম্যাচে গতবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়িনকে তাদের মাঠে হারিয়ে হইচই ফেলে দিয়েছিল। এবার মার্সেলিনিওদের শিকার গতবারের ফাইনালিস্ট গোয়াও!

    প্রথম গোল ৭২ মিনিটে। গোলরক্ষক দোবলাসের লম্বা শট ধরে মার্সেলিনিও একাই গোয়া রক্ষণে দুজনকে পরাস্ত করে বক্সের বাঁদিক থেকে বাঁপায়ের জোরালো শট নেন কোণাকুণি, যা গোয়ার গোলরক্ষক শুভাশিসের ধরার কোনও সুযোগ ছিল না। প্রতিযোগিতায় তখন দিল্লির নবম গোল, যে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষে সবচেয়ে বেশি। মার্সেলিনিও পেলেন নিজের চতুর্থ গোল।

    ঠিক চার মিনিট পরই দ্বিতীয় গোল এবং দুর্দান্ত পারস্পরিক সমঝোতায়। মালুদা বল দিয়েছিলেন উঁচু করে মার্সেলিনিওকে,বক্সের ডানদিকে। নিজে হেড দিতে পারতেন মার্সেলিনিও, গোল লক্ষ্য করে। তা না করে, বক্সের মাঝখানে আরও ফাঁকায় এবং আরও সুনিশ্চিত জায়গায় থাকা গ্যাডজে-কে বাড়িয়ে দেন। ঘানার স্ট্রাইকারও সহজেই পরাস্ত করেন শুভাশিসকে। প্রতিযোগিতায় গ্যাডজের দ্বিতীয় গোল। আর চতুর্থ গোলের পাশাপাশি মার্সেলিনিওর চতুর্থ অ্যাসিস্ট। ৯৩ মিনিটে বাদজি ৩-০ করতেই পারতেন। শুভাশিসকে একা পেয়েও সোজা গোয়ার গোলরক্ষকের গায়েই মারেন।

    ৬৬ মিনিটে পেনাল্টির জোরালো আবেদন জানিয়েছিল এফসি গোয়া। হোফ্রের শট হাতে লেগেছিল তেবারের। যদিও মনে হয়নি ইচ্ছাকৃত, কিন্তু বক্সের মধ্যে এভাবে বল হাতে লাগলে এখন রেফারিরা পেনাল্টি দিয়ে দেন। এবার দেওয়া হয়নি। সেই হতাশা থেকেই কি পরবর্তী ১০ মিনিটের মধ্যে নিজেদের মাঠে দুটো গোল খেল গোয়া?

    জিকো বলেছিলেন, ১৪ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট হলে সেমিফাইনালে যাওয়া সম্ভব। সেই কারণে চেয়েছিলেন ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচটা জিতে ৭ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে প্রতিযোগিতার প্রথমার্ধ শেষ করতে। কিন্তু পারলেন না। কিছু সুযোগ নষ্ট হল, ঠিক। ম্যাচের সেরা আনাস তো গোল লাইন থেকে একবার হেডে বল ফেরালেনও। কিন্তু এবারের গোয়ায় সেই ছন্দ কখনও দেখা যায়নি যা ছিল প্রথম দুটি বছরে। এখন, চার পয়েন্ট নিয়ে থেকে গেল সবার শেষে। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয়ার্ধে ৭ ম্যাচে সম্ভাব্য ২১-এর মধ্যে ১৬ পয়েন্ট পাওয়া এখন কঠিনতর।

    জিয়ানলুকা জামব্রোতার দিল্লি কিন্তু এগিয়ে গেল অনেকটাই। সপ্তম ম্যাচে দ্বিতীয় জয়ের পর ১০ সংগ্রহে, গোল-পার্থক্য ৩। ফলে, ষষ্ঠ স্থান থেকে একলাফে তৃতীয় স্থানে, আতলেতিকো দে কলকাতা (১২) ও মুম্বই সিটির (১১) পেছনে। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের পয়েন্টও ১০, কিন্তু গোল-পার্থক্যে (১) পিছিয়ে চতুর্থ স্থানে জন আব্রাহামের দল।

    No comments