• Breaking News

    ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত: রঞ্জন চৌধুরি

    এয়ারপোর্ট থেকে ছুটতে হয়েছিল নিউটাউনের নার্সিংহোমে। দলের অসুস্হ বিদেশি ডিফেন্ডার ক্যালাম অ্যাঙ্গাসের জ্বর। তাঁকে ভর্তি করানো হল। ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বে-থাকা কোচ রঞ্জন চৌধুরির সঙ্গে টেলিফোনে তারপর আলাপচারিতায় উঠে এল বরদলুই ডায়েরি।


    শিবম দাস

    ranjan-chowdhury

    প্রশ্ন: মর্গ্যানের ছেড়ে যাওয়া জুতোতে পা গলানো কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল?

    রঞ্জন: চাপ কীসের? এর আগে ডুরান্ড, বরদলুই এর মতো সর্বভারতীয় ট্রফি জিতেছি। নিজে ফুটবলার তৈরি করি। ওদের মানসিকতা, শারীরের ভাষা বদলানোর চেষ্টা করি। তারকা তত্ত্বে বিশ্বাসী নই। আমার দলে আমিই 'বস’। ত্রিশ বছর ধরে এই পেশায় যুক্ত। নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসি। এটাও একটা নতুন চ্যালেঞ্জ ছিল।

    প্রশ্ন: এতগুলো জুনিয়র ফুটবলার নিয়ে রানার্স - কোন মন্ত্রে?

    রঞ্জন: ফাইনালে হেরেছি। তার চেয়েও বড় কথা, পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ ফুটবল খেলতে পেরেছি। মানসিকতা, চাহিদা ও ইচ্ছাশক্তিই পৃথিবীতে বড় ফুটবলারের জন্ম দেয়। এতগুলো নতুন ছেলেকে একসঙ্গে নিয়ে একটা দল তৈরি করাই ছিল প্রাথমিক লক্ষ্য। প্রত্যেকটি ফুটবলার প্রতিটি ম্যাচে সবটুকু নিংড়ে দিয়েছে। ওদের কাছে কৃতজ্ঞ।

    প্রশ্ন: এই টুর্নামেন্ট থেকে ইস্টবেঙ্গলের প্রাপ্তি কী?

    রঞ্জন: নেপালের দলটায় ওদের জাতীয় দলের ফুটবলাররা ছিল। সেখানে আমার প্রকাশ-ইয়ামি বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে। আকাদেমির সাতটা তরুণ ছেলেকে ইস্টবেঙ্গল খুঁজে পেল। ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত।

    প্রশ্ন: আকাদেমির প্রকাশ ও ইয়ামির পারফরম্যান্স নিয়ে আপনার মত?

    রঞ্জন: ইয়ামির মধ্যে ভবিষ্যৎ এর মেহতাব হোসেনের ছায়া দেখতে পাচ্ছি। স্ন্যাচিং ও পাসিং করার ক্ষমতা খুব ভাল। সারা মাঠ জুড়ে পরিশ্রম করে খেলতে পারে। প্রকাশও নিজের দায়িত্বটা খুব ভাল বোঝে। এছাড়াও পুইয়ার মধ্যে সবরকম মশলা মজুত আছে। ভবিষ্যতের তারকা হওয়ার সম্ভাবনা এদের মধ্যে দেখতে পাচ্ছি।

    প্রশ্ন: সহকারী কোচ অভিজিৎ মন্ডলের সঙ্গে কাজ উপভোগ করলেন?

    রঞ্জন: অভিজিৎ বড় মনের মানুষ, অমায়িক, ভদ্র ও দায়িত্ববান। নিজের কাজটা ওর মতো ভাল আর কেউ বোঝে না। বড় কোচ হওয়ার সবরকম গুণ আছে। ভবিষ্যতে অনেক দূর যেতে পারে।

    প্রশ্ন: আপনার কাছে বেঙ্গল আকাদেমির প্রস্তাব আছে? আপনি কি ইস্টবেঙ্গল  আকাদেমি ছেড়ে যাবেন?

    রঞ্জন: প্রশ্নই ওঠে না। তিনমাস হল দায়িত্ব নিয়েছি। নিজের হাতে সিলেবাস তৈরি করেছি। মাঝপথে দায়িত্ব ছেড়ে চলে যাওয়ার মানুষ নই।

    No comments