• Breaking News

    কেরলের বিরুদ্ধে পুনের মাথাব্যথা ঘরের মাঠে ছন্দহীনতা

    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ

    pune-vs-kerala

    এফসি পুনে সিটির সহকারী কোচ মিগেল মনে করছেন, ম্যানেজার আন্তোনিও আবাসকে ছাড়াই খেলার জন্য তাঁর দল পুরোপুরি তৈরি। যদিও তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে আবাসকে সাইডলাইনে না-পেয়ে পুনে বেশ সমস্যায় পড়েছে প্রথম তিন ম্যাচে। আরও একটি ম্যাচ, কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও তাদের খেলতে হবে কোচকে ছাড়াই, নির্বাসন কাটিয়ে ফিরবেন যিনি পঞ্চম ম্যাচে।

    এই তিন ম্যাচে তিন পয়েন্টই তুলতে পেরেছে পুনে। তার মধ্যে আবার ঘরের মাঠে হেরেছে দুটি ম্যাচ। কেরলের বিরুদ্ধে সোমবার বালেওয়াড়ি পুনের শিব ছত্রপতি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের হারের এই ধারা পাল্টাতে হবে তাদের,পয়েন্ট তালিকায় ওপরের দিকে উঠতে হলে।

    অথচ, গোয়াতে গিয়ে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটে জয়ের গোল পেয়ে আত্মবিশ্বাসে ফুটছিল পুনেই। কিন্তু ঘরের মাঠে যে কী হচ্ছে দলের! মহারাষ্ট্রের বড় ম্যাচে মুম্বই সিটি এফসি-র কাছে হারের পর নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি-র কাছেও হেরেছিল তারা, শেষ ম্যাচে।

    ‘সব দিকেই উন্নতি জরুরি। কোনও একটি বিশেষ দিকে উন্নতি নয়, সার্বিক উন্নতি চাই, যা আমাদেরই করে দেখাতে হবে। পরিশ্রম করতে হবে, করবও। আর পারফরম্যান্সেও উন্নতি করে দেখাব,’ বলেছেন সহকারী কোচ।

    নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখেছিলেন এদুয়ার্দো ফেরিরা। তাই কেরলের বিরুদ্ধে তাঁকে পাওয়া যাবে না। রক্ষণ সামলানোর দায়িত্ব পড়েছিল তখন মার্কি ফুটবলার মহম্মদ সিসোকোর ঘাড়ে। লিভারপুলের প্রাক্তন মিডফিল্ডার ভালভাবেই সামলেছিলেন, যদিও দলের হার বাঁচাতে পারেননি।

    ‘সিসোকো ভালই খেলেছিল। সেন্ট্রাল মিডফিল্ড ও সেন্টার ব্যাক হিসাবে, দু’জায়গাতেই,’ মনে করছেন মিগেল।

    কেরলের বিরুদ্ধে ম্যাচই শেষ, চার ম্যাচ হয়ে যাবে, আবাস আবার ফিরতে পারবেন সাইডলাইনে। কিন্তু,গ্যালারি থেকে দলের হার দেখাটা ক্রমশ অসহনীয় হয়ে উঠছে তাঁর কাছেও। কেরল আবার বাড়তি আত্মবিশ্বাস নিয়ে আসছে, শেষ ম্যাচে মুম্বই সিটিকে হারিয়ে, এবারের আইএসএল-এ প্রথম জয় পেয়ে।

    নিজেদের চতুর্থ ম্যাচের আগে সমস্যায় ছিল কেরালা ব্লাস্টার্সও। কিন্তু মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে খেলায় দ্বিতীয়ার্ধে মাইকেল চোপড়ার একমাত্র গোলে জেতার পর নাটকীয়ভাবে পাল্টে গিয়েছে তাদের শিবিরও।

    কেরলের ম্যানেজার স্টিভ কোপেল বলেছেন, ‘লক্ষ্য স্থির করে এগোনয় বিশ্বাস নেই। প্রতিটি ম্যাচ ধরে ধরে এগোতে চাই। পরিকল্পনা করি পরের ম্যাচ মাথায় রেখেই। আতলেতিকো দে কলকাতা আমাদের বিরুদ্ধে যে-গোলে জিতেছিল তা গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে পাওয়া। ব্যাপারটা নিষ্ঠুর মনে হয়েছিল। কিন্তু কিছু করার নেই। ওই একটা পয়েন্টও সমীকরণ পাল্টে দিতে পারত। লিগে এটাই নিয়ম। এখন আবার প্রতিটি ম্যাচই চলে আসবে পরপর, গায়ে-গায়ে। যত বেশি সম্ভব পয়েন্ট তুলে নিতে হবে। ছন্দে পৌঁছলেই পয়েন্টও আসবে নিয়ম করে, জিততে থাকব।’

    পরপর দুটি ম্যাচে গোল খায়নি কেরল। রক্ষণের মাঝখানে তাদের মার্কি অ্যারন হিউজ ও সেদরিক এঙ্গেবার্ত জুটি ছন্দে আছে। বাড়তি আত্মবিশ্বাসের যা অন্যতম কারণ শচীন তেন্ডুলকারের দলের।

    No comments