• Breaking News

    ভুলে-ভরা ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগি

     

    দিল্লি ডায়নামোস ১          নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি ১


    (কিন লুইস ৩৮)      (আলফারো ৫১)


    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ

     

    [caption id="attachment_1999" align="alignleft" width="300"]সুব্রত পালের এই মিস থেকেই গোল। ছবি - আইএসএল সুব্রত পালের এই মিস থেকেই গোল। ছবি - আইএসএল[/caption]

    ফুটবলে দুটো দল খেলে আর জেতে সেই দল যারা কম ভুল করে। ভারতের রাজধানী দিল্লিতে তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগের প্রথম ম্যাচে দিল্লি ডায়নামোস আর নর্থইস্ট ইউনাইটেড, দুটো দলই ভুল করল প্রচুর। সহকারী রেফারিরাও ভুল করলেন অফসাইড দেখতে, বুঝতে। দুটি বিরাট ভুল থেকে দুটি গোল। ফলে, পয়েন্ট ভাগাভাগি।

    প্রথম গোল দিল্লি ডায়নামোসের। মার্সেলিনিওর কর্নার বুঝতে ভুল করেছিলেন সুব্রত পাল। এগিয়ে এসেও বলে হাত ছোঁয়াতে পারেননি। বল সোজা যায় কিন লুইসের পায়ে। ডানপায়ের শট নিশ্চিন্তে গোলে রাখেন লুইস। কিন্তু গোলশোধের সময়ও ভুল! দিল্লি রক্ষণের ডানদিকে রুবেন বলের দখল অবিশ্বাস্যভাবে হারান ভেলেজের কাছে। ভেলেজের পাস গিয়েছিল আলফারোর কাছে, বক্সে গোলের অপেক্ষায় ছিলেন যিনি। তাঁর বাঁপায়ের শট প্রথমে বাঁচান চিনগ্লেনসানা, হাঁটুমুড়ে বসে পড়ে। কিন্তু ফিরতি বলে এবার ডানপায়ের শট আলফারোর, সেই চিনগ্লেনসানার দুপায়ের ফাঁক দিয়ে গোলে। চতুর্থ গোল আলফারোর, এবারের আইএসএল-এ সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন। পেলেন ম্যাচের নায়কের পুরস্কারও।

    ম্যাচটা অবশ্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভুলে যেতে চাইবেন সুব্রত, নর্থইস্টের গোলরক্ষক। ১৯ মিনিটে মিলন সিংয়ের শট ঠিকঠাক বের করে দিতে পারেননি। বল গিয়েছিল লুইসের কাছে। তাঁর শট সুব্রতর মুখ লেগে ফিরে যায়। তার ঠিক আগে কাতসুমি ইউসা হলুদ কার্ড দেখেছিলেন পেনাল্টি আদায়ের চেষ্টায়। ৫৫ মিনিটে আবার গাদজের শট বাঁচিয়েছিলেন সুব্রত। কিন্তু ৮০ মিনিটে মার্সেলিনিওর বাঁপায়ের জোরালো শট যেভাবে বুক দিয়ে বাঁচালেন, প্রশ্ন উঠেছিল। বলটা তাঁর সামনে পড়ে উঠছিল। কিন্তু তাঁর মানের গোলরক্ষকের কাছে প্রত্যাশিত, বলের এই বাউন্স আগে থেকে আন্দাজ করে নিজেকে তৈরি রাখবেন। এ ছাড়াও আরও অন্তত বারদুয়েক কর্নারে বলের গতিবিধি বুঝতে ভুল করলেন। উল্টোদিকে দোবলাসও একবার বক্সের বাইরে আলফারোকে কাটাতে গিয়ে বলের দখল হারিয়েছিলেন। আলফারোর পায়ের টোকায় বল বাইরে চলে গিয়েছিল বলে বেঁচে যায় দিল্লি।

    তবে, দুদলের এই ক্রমাগত ভুলের কারণে এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বলের দখল হারানোয়, ম্যাচ উত্তেজক হয়ে উঠছিল বারবার। বেশ কিছু আক্রমণ, দুদিকেই গোলের সম্ভাবনা জাগিয়েছিল, যদিও শেষ পর্যন্ত আর গোল বাড়েনি। ইউসা-ভেলেজ-হোলিচরণ-আলফারোকে আটকাতে বেশ সমস্যায় যদি পড়ে থাকে দিল্লি রক্ষণ, একই রকম মুশকিলে ছিল নর্থইস্ট রক্ষণও, মিলন-কিন-মার্সেলিনিও-গাদজের সামনে। বিশেষ করে গাদজে এবং আলফারো আরও গোল করলে আশ্চর্যের কিছুই থাকত না।

    পাঁচ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই থাকল নর্থইস্ট ইউনাইটেড। আর তিন ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে গোল-পার্থক্যে আতলেতিকো দে কলকাতাকে পেছনে ফেলে এখন তৃতীয় স্থানে জামব্রোতার দিল্লি ডায়নামোস।

    No comments