• Breaking News

    ২৬ ম্যাচে দশম ড্র, ম্যাচ শেষে ঝগড়া

    চেন্নাইয়িন এফসি ০     কেরালা ব্লাস্টার্স ০


    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ

    [caption id="attachment_2154" align="alignleft" width="300"]ম্যাচ শেষে দু’দলের ফুটবলারদের ঝগড়া। ছবি - আইএসএল ম্যাচ শেষে দু’দলের ফুটবলারদের ঝগড়া। ছবি - আইএসএল[/caption]

    তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে দাক্ষিণাত্যের বড় ম্যাচ নিয়ে আলোচনা ছিল প্রচুর। উৎসাহ ছিল দর্শকাসনেও। আশা করা হয়েছিল, দুর্দান্ত খেলা হবে। কিন্তু, সেই উচ্চতায় উঠলই না খেলা। মাঠে সেই প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ার হতাশা থেকেই হয়ত,  খেলা শেষে দু’দলের ফুটবলারদের মধ্যে অনাবশ্যক হাতাহাতি। এমনকি, সেখানে জুটে গেলেন চেন্নাইয়িনের কোচ মার্কো মাতেরাজ্জিও, যা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু। তাঁর দল মাঠেও করেছিল ১৫ ফাউল, বিপক্ষ কেরলের ফাউল সংখ্যা যেখানে মাত্র ৬!

    প্রথমার্ধে কিছু সুযোগ তৈরির চেষ্টা করেছিল গতবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই, নিজেদের মাঠে। দু’মিনিটে ডুডুর শট বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন সন্দীপ নন্দী। ২৭ মিনিটে মেন্দির শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়, ম্যাচের সেরা এঙ্গবার্তকে পেরিয়ে গিয়েছিলেন মেন্দি। প্রথমার্ধে একটিও তেমন গোলমুখী আক্রমণই ছিল না কেরালা ব্লাস্টার্সের।

    কিন্তু, দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় ফিরে আসে কেরল। রফিকের ক্রস ছিল বক্সে অপেক্ষমান বেলফোর্টের জন্য। ডান পায়ে পেয়ে গিয়েছিলেন বেলফোর্ট। কিন্তু বিনা বাধায় শট নেওয়ার সুযোগ পেয়েও বাইরে মারেন। খেলার সেরা সুযোগ ৭২ মিনিটে, কিন্তু বেলফোর্ট নিশানায় অভ্রান্ত না থাকতে পারায় গোল হয়নি। ৮৬ মিনিটে আর একবার নাজোঁকে থ্রু বাড়িয়েছিলেন কাদিও। কিন্তু করণজিৎ এগিয়ে এসে কর্নারের বিনিময়ে বিপদ বাড়তে দেননি। সেই কর্নার থেকে রফিক পেয়েছিলেন বল, শটও নিয়েছিলেন চকিতে। কিন্তু তিনকাঠিতে রাখতে পারেননি। তবে, অ্যাওয়ে ম্যাচের এক পয়েন্টে অখুশি হবে না কেরল।

    মাতেরাজ্জি বরাবরই পছন্দ করেন ফুটবলার পাল্টানোয়। এত ঘন ঘন খেলতে হয়, টানা খেললে ফুটবলাররা চোট পেয়ে যেতে পারেন। তাই হয়ত শেষ ম্যাচে পুনের বিরুদ্ধে ড্র করা দলে পাঁচটি পরবির্তন করেছিলেন মাতেরাজ্জি। স্টিভ কোপেল অবশ্য ধরে রেখেছিলেন শেষ ম্যাচে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে বিজয়ী দল।

    তবুও, ম্যাচে বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছিল যার ফলে চোট পাওয়া ফুটবলারের সংখ্যা বাড়ল। মেহতাব ফাউল করেছিলেন হ্যানস মুলডারকে। তেমন কিছু মনে হয়নি প্রথমে। কিন্তু মুলডার আর স্বাভাবিক খেলা খেলতে পারছিলেন না। ফলে ৩৪ মিনিটে উঠে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। মুলডারের জায়গায় এসেছিলেন ব্লাসি। ৩৮ মিনিটে আবার একেবারেই অনভিপ্রেত, মাইকেল চোপড়া সোজা এসে ধাক্কা মেরেছিলেন চেন্নাইয়িনের গোলরক্ষক করণজিৎকে। অন্তত হলুদ কার্ড দেখানো উচিত ছিল রেফারির। কিন্তু দেখাননি রেফারি। চোপড়াও অবশ্য চোট পেয়ে উঠে যান ৫৮ মিনিটে। যেমন, ৬৫ মিনিটে কেরলের মার্কি অ্যারন হিউজকেও উঠে যেতে হয়, চোট পেয়ে। তাঁর জায়গায় এসেছিলেন প্রতীক চৌধুরি।

    ৫ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট ছিল চেন্নাইয়িনের, হল ৬ ম্যাচে ৯। তালিকায় চতুর্থই থেকে গেল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। সমসংখ্যাক ৯ পয়েন্ট কেরলেরও। তবে, ৭ ম্যাচে। থাকল পঞ্চম স্থানে। ২৬তম ম্যাচে দশম ড্র, এবারের আইএসএল-এ।

    No comments