• Breaking News

    সোনির সতীর্থ বেলফোর্টের গোলে জিতল কেরল

    এফসি গোয়া ১ কেরালা ব্লাস্টার্স ২
    (সিজার ২৪) (রফি ৪৬, বেলফোর্ট ৮৪)


    [caption id="attachment_2111" align="alignleft" width="300"]গোলের শট, বেলফোর্টের। ছবি - আইএসএল গোলের শট, বেলফোর্টের। ছবি - আইএসএল[/caption]

    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ


    জিকোর প্রথম পরিবর্তন ৪৬ মিনিটে, হোফ্রের জায়গায় লুসিও। প্রথম গোল খেল এফসি গোয়া, সেই ৪৬ মিনিটেই। শিরোড়করের জায়গায় রোমিও ফেরনান্দেসকে নামালেন জিকো, ৭৯ মিনিটে। দ্বিতীয় গোলের সময় ৮৪ মিনিট। দুটি গোলের আগেই দুটি পরিবর্তনই কি ছন্দ নষ্ট করে দিয়েছিল গোয়ার?
    অথচ, প্রথমার্ধ শেষে এফসি গোয়াই সাজঘরে গিয়েছিল এগিয়ে থেকে। রিচার্লিসন ক্রস রেখেছিলেন দূরের পোস্টে। হুলিও সিজারের সঙ্গে ছিলেন হোসু। ব্রাজিলীয়ই শেষ পর্যন্ত জয়ী হন। জোরালো হেডে সন্দীপ নন্দীকে পরাস্ত করেছিলেন সিজার। কিন্তু সন্দীপও কি আর একটু আগে প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারতেন না? যেমন, প্রশ্ন উঠবে কেরলের রক্ষণ নিয়েও। বক্সের মধ্যে ওভাবে বিপক্ষের ফরোয়ার্ডকে হেড করতে দেওয়া কি উচিত?
    বিরতিতে লুসিওকে নামিয়েছিলেন জিকো, মাঝমাঠে থেকেই দলের রক্ষণ সুদৃঢ় করতে। কিন্তু বিরতির ঠিক পরেই খেলায় ফিরে এসেছিল কেরালা ব্লাস্টার্স, গোল পেয়ে। মেহতাব বল ধরে ডানদিকে বাড়িয়ে দিয়েছিলেন মহম্মদ রফিকের দিকে। রফিক সেই বলে ডানপায়ে নিচু ক্রস রেখেছিলেন বক্সে। সেখানে মহম্মদ রফির পাশেই ছিলেন রাজু গায়কোয়াড়। আগে রাজুর পায়ে লেগে রফির পা ছুঁয়ে বল গোলে গিয়েছিল না রফির পায়ে আগে লেগে রাজুর পা ছুঁয়ে গোলে, বোঝা কঠিন। কিন্তু, কেরল ফিরে আসে খেলায়, ১-১ করে।
    জয়ের গোল বেলফোর্টের। হাইতির ফুটবলার সোনি নর্দের সতীর্থ, খেলেছিলেন কোপা আমেরিকায়। পেছন থেকে হোসুর পাস ধরে রাজুকে শরীরের দোলায় পেছনে ফেলে ডান পায়ে জোরালো শট নিয়েছিলেন যা গোয়ার গোলরক্ষক শুভাশিস রায়চৌধুরিকে সহজেই পরাস্ত করে আশ্রয় নেয় জালে।
    তার কিছুক্ষণ আগেই পরপর দুবার বেঁচে গিয়েছিল গোয়া। প্রথমে মাইকেল চোপড়া একেবারে ফাঁকায় সামনে শুধু শুভাশিসকে পেয়েও শট করেছিলেন সোজা শুভাশিসের দিকেই। সেই দুর্বল শট নেওয়ার পরই মাটিতে পড়ে গিয়েছিলেন চোপড়া, তাঁকে তুলে নেওয়া হয়। তার ঠিক পরেই গোয়ার অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার আর্নোলিন, সদ্য হলুদ কার্ড দেখে খানিক মনমরা, সামনে থেকে আসা লং বলে হেড করে ফেলেছিলেন নিজের গোলের দিকেই। শুভাশিস চেষ্টা করেও আটকাতে পারেননি। বল পোস্টের বাইরের দিকে লেগে বাইরে চলে যায়। না হলে আত্মঘাতী গোলেই পিছিয়ে পড়ত গোয়া, নিজেদের মাঠে, ৮১ মিনিটে। প্রথমার্ধে সন্দেশ ঝিঙ্গনের হেডও শেষ মুহূর্তে ডান হাতের টোকায় বের করে দিয়ে গোয়াকে পিছিয়ে পড়তে দেননি শুভাশিস। নিশ্চিতভাবেই অ্যাওয়ে ম্যাচে বেশি প্রাধান্য রেখে তিন পয়েন্ট তুলে নিয়ে গেল কেরল।
    লাল কার্ড না-দেখানো এবং পেনাল্টি না-দেওয়া নিয়ে রেফারির কিছু সিদ্ধান্ত অবশ্য থেকে গেল আগের অনেক ম্যাচের মতোই বিতর্কিত। তবে, যা নিয়ে বিতর্ক নেই, বাইরের ম্যাচ থেকে পাওয়া মহামূল্যবান তিন পয়েন্ট কেরালা ব্লাস্টার্সকে তুলে আনল পঞ্চম স্থানে। ৬ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট এখন ৮, দ্বিতীয় জয় পাওয়ার পর।
    গোয়া কিন্তু ঘরের মাঠে আবারও হেরে গেল। শেষ দুটি ম্যাচে চার পয়েন্ট পাওয়ার পর মনে করা গিয়েছিল, গতবারের ফাইনালিস্ট এফসি গোয়া হয়ত এবার উঠতে শুরু করবে লিগ তালিকায়। মরসুমে চতুর্থ হারের পর ৬ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে থেকে গেল অষ্টম স্থানেই, তালিকায় সবার নিচে।

    No comments