• Breaking News

    এবার জিততে শুরু করুক দিল্লি, পুনে

    delhi-dynamos-fc-vs-fc-pune-city-1444818206-800আইএসএল মিডিয়া রিলিজ


    দিল্লি ডায়নামোসের কোচ জিয়ানলুকা জামব্রোতা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন তাঁর স্ট্রাইকারদের যে, এবার গোল শুরু করার পালা। তা হলেই তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে দিল্লির রথ আবার গড়াতে শুরু করবে। সেই লক্ষ্য নিয়েই বৃহস্পতিবার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে নামবে দিল্লি, পুনে সিটির বিরুদ্ধে খেলতে।
    প্রথম ম্যাচে গতবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়িন এফসি-কে ৩-১ হারিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিল দিল্লি। কিন্তু তারপর টানা চারটি ম্যাচে জয় পায়নি। শেষ ম্যাচে তো আতলেতিকো দে কলকাতা যখন দশজনে খেলছিল, পেনাল্টি পেয়েও গোল করতে না পেরে শেষে ম্যাচটা হেরেই গিয়েছিল। ২০১৪ সালে, প্রথম আইএসএল-এ একবার তারা টানা ৬ ম্যাচ জেতেনি। তারপর এই চার ম্যাচে না-জেতার স্পেলটাই সর্বোচ্চ। আর জামব্রোতা খুব ভাল করেই জানেন, টানা পাঁচ ম্যাচ না জিতে কেউ বোধহয় সেমিফাইনালের যোগ্যতার্জন করতে পারে না, ১৪-ম্যাচের লিগে।
    ‘শেষ খেলাটাই দেখুন। কতগুলো সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ম্যাচটা শেষ করে দিতে পারিনি আমরা, সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে। প্রচুর সুযোগ তৈরি হচ্ছে। সুযোগ তৈরি নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। আমাদের ওই একই ভাবে সুযোগ তৈরি করে যেতে হবে, শিক্ষা নিতে হবে আগের ভুল থেকে যাতে পরের খেলায় আরও উন্নতি করতে পারি,’ বলেছেন জামব্রোতা।
    সেপ্টেম্বরে দায়িত্ব নিয়েছিলেন জামব্রোতা, প্রাক-মরসুমে। ইতালীয় কোচ মনে করছেন, তারপর থেকে উন্নতি করেছে দিল্লি ডায়নামোস। এখন সেই উন্নতি আরও বেশি করে দেখানো প্রযোজন ফরোয়ার্ডাদের। ‘সবাই খুব ভাল ফুটবলার। কিন্তু, এ-ও সত্যি যে, এখন সবাই সেরা ছন্দে নেই। আরও উন্নতি জরুরি,’ জামব্রোতার দাবি।
    অবশ্য ইতালির বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য জামব্রোতার পক্ষে আছে ইতিহাস। গত দু’বছরে চারবারের দেখায় দিল্লি কখনও হারেনি পুনে সিটির কাছে। তিনটি ম্যাচ জিতেছে, একটি গোলশূন্য ড্র।
    জামব্রোতা বলেছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আগের ম্যাচে কিছু ভুল হল। ফুটবল খেলাটাই আসলে তেমন। কখনও কখনও বড্ড নিষ্ঠুর মনে হয়। এখন অবশ্য ইতিবাচক চিন্তাই জরুরি।’
    পুনের কোচ আন্তোনিও আবাস দিল্লির বিরুদ্ধে পুরনো পারফরম্যান্সের কাসুন্দি ঘাঁটতে রাজি নন। প্রধান কারণ, তিনি এই বছরেই দায়িত্ব নিয়েছেন। আগের পারফরম্যান্স নিয়ে ভাববেনই বা কেন! এই মরসুমে পুনে এখনও একটিই মাত্র ম্যাচ জিতেছে, যে চার ম্যাচে তিনি নির্বাসিত ছিলেন তার মধ্যে। আর তিনি ফিরে আসার পর চেন্নাইয়িনের সঙ্গে ড্র।
    পুনের মিডফিল্ডার জোনাথন লুক্কা মনে করছেন, ‘পুনে সিটি বেশ ভাল দল। দিল্লিকেও সমীহ করছি, তবে আমাদের চেষ্টা থাকবে এই ম্যাচটা জেতার। নিজেদের মাঠে খেলছে বলে যদিও দিল্লিই এই ম্যাচে ফেভারিট।’
    শুধু গোল করলেই চলবে না, পুনেকে আটকাতে হবে গোল খাওয়াও। এই মরসুমে এখন পুনেই একমাত্র দল যারা প্রতিটি ম্যাচে অন্তত একটি করে হলেও গোল খেয়েছে। অথচ, তাদের দলেই গত মরসুমের সেরা গোলরক্ষক এদেল বেতে, যিনি প্রথম দু-বছরে যথাক্রমে আতলেতিকো দে কলকাতা এবং চেন্নাইয়িন এফসি-র হয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন।
    জিতলে দিল্লি আবার উঠে আসবে প্রথম চারে। ওদিকে, পুনে যদি তিন বা তার বেশি গোলের ব্যবধানে জেতে, একমা্ত্র তা হলেই উঠে আসতে পারে প্রথম চারে। কিন্তু সেই কাজটা পুনেকে করে দেখাতে হবে এমন একটি দলের বিরুদ্ধে যাদেরকে কখনও তারা হারায়নি আগে!

    No comments