• Breaking News

    আইএসএল, ম্যাচ ৩ - উরুগুয়ের পাস, আর্জেন্তিনার গোলে জয় মুম্বইয়ের

    এফসি পুনে সিটি ০      মুম্বই সিটি এফসি ১ 


                                     (দেফেদেরিকো ৬৮)


    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ

    [caption id="attachment_1869" align="alignleft" width="300"]Matias Defederico of Mumbai City FC shoots and scores during match 3 of the Indian Super League (ISL) season 3 between FC Pune City and Mumbai City FC held at the Balewadi Stadium in Pune, India on the 3rd October 2016. Photo by Ron Gaunt / ISL/ SPORTZPICS দেফেদেরিকোর গোলের মুহূর্ত। ছবি - আইএসএল[/caption]

    ফুটবলে বল-পজেশন গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বলের দখল নিজেদের পায়ে রাখাই শেষ কথা নয়। সেই বলের দখল নিয়ে কী করছেন ফুটবলাররা, আসল সেটাই। তাই প্রথমার্ধে প্রায় ৭৩ শতাংশ বলের দখল নিজেদের পায়ে রেখেও গোল পায়নি আন্তোনিও আবাসের এফসি পুনে সিটি। বিপক্ষের গোলমুখ খুলতে না-পেরে। যার মাসুল গুনতে হল ম্যাচ-শেষে।

    উল্টোদিকের দলে আবার এমন এক ফুটবলার, বছর ছয় আগেই যিনি তাঁর দলকে চতুর্থ করেছিলেন বিশ্বকাপে। তার পরের বছর কোপা আমেরিকা জেতাতেও নিয়েছিলেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। মুম্বইয়ের মার্কি দিয়েগো ফোরলানের মাপের ফুটবলার কমই এসেছেন ইন্ডিয়ান সুপার লিগে। স্পেনে আতলেতিকো মাদ্রিদের হয়ে খেলার সময় মাদ্রিদ ‘ডার্বি’-তে খেলেছিলেন। এবার খেললেন মহারাষ্ট্রের ‘বড়’ ম্যাচে, পুনে বনাম মুম্বই। আর, শুরুতেই মুম্বইকে দেখিয়ে দিলেন জয়ের রাস্তা। তাঁর ডান পায়ের ছোট টোকায় আর্জেন্তিনীয় মাতিয়াস আদ্রিয়ান দেফেদেরিকোর বাঁপায়ে বল চলে এসেছিল ফাঁকায়। এই দক্ষিণ আমেরিকান যোগাযোগে ম্যাচের একমাত্র গোল, যা তিন পয়েন্ট এনে দিল মুম্বইকে। ম্যাচের নায়কের সম্মানও পেলেন তাই গোলদাতা দেফেদেরিকো।

    দুই দলই যে খুব ভাল খেলেছে, এমন নয়। বরঞ্চ, মনোযোগ বেশি ছিল পরস্পরের শক্তি নষ্টের খেলায়। মাঠের মাঝখানে পেশাদার ফাউলের সংখ্যাধিক্য। মোট ২৪ ফাউল ম্যাচে। মাঝেমাঝে লম্বা বলে বিপক্ষ ডিফেন্সকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা। দুপাশ থেকে দুদলই ক্রস তুলছিল, বিশেষ করে নারায়ণ দাস ও সেনা রালতে। কিন্তু খুব একটা লাভ হয়নি, বিপক্ষের ডিফেন্ডাররা সজাগ থাকায়। ট্যাকটিক্যাল ম্যাচ বলাই ভাল,যেখানে দু’দলই জায়গা দিতে চায়নি বিপক্ষকে, নিজেদের গোলমুখে। দূর থেকে শট নিয়ে চেষ্টা করতে হয়েছে গোলের। বেশ কয়েকবার দুই গোলরক্ষক ভোলপাতো এবং বেতেকেও নিজেদের দক্ষতার শীর্ষে উঠতে হয়েছিল, দলের পতন রুখতে।

    ৮৮ মিনিটে পেনাল্টির জোরালো আবেদন করেছিল পুনে। বক্সের মধ্যে নিচু হয়ে আসা বলে হেড করতে গিয়ে নিচু হয়ে প্রায় বসে পড়েছিলেন সেনা রালতে। কিন্তু বল তাঁর সামনে ড্রপ খেয়ে হাতে লেগেছিল, নিশ্চিত। প্রথমার্ধে ফ্রি কিকে মুখ ঢাকতে গিয়ে ফাব্রিসিও সোয়ারেসের কনুইতে বল লেগেছিল যখন, হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছিল। ম্যাচ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে ঘরের মাঠে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত পুনের পক্ষে গেলে ফল কী হত, বলা মুশকিল।

    মুম্বই মোট ১৭ অ্যাওয়ে ম্যাচের মধ্যে দ্বিতীয় জয় পেল,অন্যতম মালিক রনবীর কাপুরের সামনেই। নিশ্চিতভাবেই মুম্বইয়ের আইএসএল অভিযানে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বাইরের মাঠের এই জয়। পুনের আবাস চার ম্যাচ নির্বাসিত, থাকতে পারেননি বেঞ্চে। থাকতে পারবেনও না, আরও তিনটি ম্যাচে। খেলার শেষ কিছু মিনিট পুনে যেভাবে হাল ছেড়ে দিয়েছিল প্রায়, সাইডলাইনে আবাস থাকলে হত না হয়ত। শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াইয়ের জন্যই যে বিখ্যাত ছিলেন কলকাতায় আবাস!

    No comments