• Breaking News

    আবার ড্র, দিল্লি-পুনে পয়েন্ট ভাগাভাগি

    দিল্লি ডায়নামোস ১           এফসি পুনে সিটি ১
    (মিলন ৭৯)                     (তাতো ৪৫)


    14813271_10154519318303820_777015069_oআইএসএল মিডিয়া রিলিজ


    তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে ক্রমশ বাড়ছে অমীমাংসিত ম্যাচের সংখ্যা। নিজেদের মাঠে এখনও জয় পেতে ব্যর্থ দিল্লি ডায়নামোস। পিছিয়ে পড়েছিল প্রথমার্ধের একেবারে শেষ। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে গোলশোধ। ফলে আবারও পয়েন্ট ভাগাভাগি। সাইডলাইনে ফিরেও পুনে সিটির নতুন কোচ আন্তোনিও আবাস জয়ের মুখ দেখতে পেলেন না।
    ঘরের মাঠে দিল্লি অবশ্য শুরু করেছিল তেড়েফুঁড়েই। পুনে তখন রক্ষণে ব্যস্ত। কেন এদেল বেতেকে সই করিয়েছিলেন আবাস, বোঝা যাচ্ছিল প্রতি মুহূর্তে। দিল্লির আক্রমণ রুখতে তিনি ছিলেন নিজের সেরা ফর্মে। প্রথমার্ধে মিলন ও গাডজের শট ও দ্বিতীয়ার্ধে রোচার শট যেভাবে বেতে বাঁচিয়েছিলেন, কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয় আইএসএল-এ দুবারের চ্যাম্পিয়ন গোলরক্ষকের জন্য। সঙ্গত কারণেই তিনি ম্যাচের নায়ক।
    ৫৩ মিনিটে একবারই ভুল করে বেতেও বেরিয়ে এসেছিলেন গোল ছেড়ে। বল সোজা চলে গিয়েছিল মার্সেলিনিওর পায়ে। বাঁপায়ে ফাঁকা গোল বল ঠেলতে গিয়ে সাইডনেটে মারেন মার্সেলিনিও। প্রথমার্ধেও বারদুয়েক সুবিধাজনক অবস্থান থেকে গোল করতে পারেননি তিনি। বিতর্ক থাকল অবশ্য ১২ মিনিটের ঘটনা নিয়ে। রোচাকে বক্সের মধ্যে কি ফেলে দিয়েছিলেন গৌরমাঙ্গি সিং? পেনাল্টির জোরালো আবেদন নাকচ করে দেন রেফারি।
    বিরতির বাঁশি বাজার ঠিক আগে এগিয়ে গিয়েছিল পুনে। রাহুল ভেকে উঁচু করে বল তুলেছিলেন দূরের পোস্টে। শৌভিকের সঙ্গে উচ্চতার লড়াই জিতে তাতোর হেডও উঁচু হয়ে উল্টোদিকের পোস্টে লেগে গোলে। সত্যিই এমন অদ্ভুত গোল এবারের তৃতীয় আইএসএল-এ দেখা যায়নি আগে।
    সেই গোল শোধ করে দিল্লি ৭৯ মিনিটে। মার্সেলিনিও বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন বক্সের মধ্যে থাকা মিলন সিংয়ের দিকে। চকিতে ডান পায়ের শট নেন মিলন, যা শেষ পর্যন্ত এদেল বেতেকে পরাস্ত করে। গোটা ম্যাচে পুনের গোলে বল ঢুকতে দেননি। কিন্তু মিলনের শট দেখাই সম্ভব ছিল না তাঁর পক্ষে, সামনে ডিফেন্ডারদের ভিড়ের কারণে। তাই, বাঁচানোরও প্রশ্ন ছিল না।
    ইনজুরি টাইমে তাতোর কর্নারে ভেকের হেড সোজা পোইরেইয়ের হাতে। গোটা ম্যাচে তেমন ভাল না খেলেও ভেকের হেড একটু এধার-ওধার হলে জিতেও যেতে পারত পুনে। ঠিক যেমন তাঁদের ফরোয়ার্ডদের পারফরম্যান্সে যে উন্নতি দেখতে চেয়েছিলেন জামব্রোতা, দেখতে পেলে এই ম্যাচে অন্তত তিন পয়েন্ট পেতেই পারত দিল্লি। কিন্তু, কোনও পরিকল্পনাই সফল হয়নি। না জামব্রোতার, না আবাসের।
    ফলে, ৬ ম্যাচে দিল্লির পয়েন্ট ৭, পুনের সমসংখ্যক ম্যাচে পয়েন্ট ৬। দুই দলই একটির বেশি ম্যাচে জয় পায়নি। পুনে হেরেছি দুটি, দিল্লি একটি। তাই ওই এক পয়েন্টের পার্থক্য। লিগ তালিকায় যথাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম স্থানে এখন দুই দল।

    No comments