• Breaking News

    হিউমের শেষ মিনিটের গোলে স্বস্তি কলকাতায়!

    আতলেতিকো দে কলকাতা ১   নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি ১


    (হিউম ৯০)             (ভেলেজ ৫)


    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ

    [caption id="attachment_2542" align="alignleft" width="300"]গোলের স্বস্তিতে উৎসব কলকাতার। ছবি - আইএসএল গোলের স্বস্তিতে উৎসব কলকাতার। ছবি - আইএসএল[/caption]

    দিয়েগো ফোরলান-সুনীল ছেত্রী-সোনি নর্দে। বুধবারই মুম্বই সিটি এফসি-র হয়ে প্রথম মাঠে নেমেছিলেন বিখ্যাত ত্রয়ী। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে গোল পাননি কেউই।

    তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরুর দিন থেকেই হেলদের পোস্তিগা আর ইয়াইন হিউমকে নিয়ে একই রকম আশা ছিল কলকাতার। দুই ফরোয়ার্ডের গোলে কলকাতার বিজয়রথ থামানো যাবে না, এমন ভেবেছিল কলকাতা। কিন্ত, ঘরের মাঠে পাঁচ মিনিটের মধ্যে পিছিয়ে পড়েও এই দুই স্ট্রাইকারের গোলখিদের ন্যূনতম নমুনা পাওয়া যাচ্ছিল না বৃহস্পতিবার রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে। পাওয়া গেল একেবারে শেষ মুহূর্তে যখন ঘরের মাঠে এক পয়েন্টের আশাও ছেড়ে দিয়েছিল উপস্থিত হাজার বারো দর্শক।

    প্রবীরকে ফাউল করা হয়েছিল। ফ্রি কিক থেকে লারা খুঁজে নেন দূরের পোস্টে পোস্তিগাকে। নির্মল ছেত্রীর মাথার ওপর থেকে যিনি হেড রেখেছিলেন উল্টোদিকের পোস্টে। বল গোলে ঢোকার মুখে হিউম পা লাগিয়ে দেন। এবারের আইএসএল-এ হিউমের পঞ্চম গোল যা এনে দিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট কলকাতাকে। ১০ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানেই থেকে গেল সৌরভ গাঙ্গুলির কলকাতা, অন্যতম মালিকের উপস্থিতিতে। আর, সর্বোচ্চ স্কোরার হিসাবে হিউমও ধরে ফেললেন আলফারো আর মার্সেলিনহোকে।

    নর্থইস্ট ইউনাইটেডের গোলের সময় সেরেনোকে তাড়া করেছিলেন আলফারো। চাপে পড়ে অর্নবকে পাস দিতে গিয়েছিলেন নিজেদের বক্সে। বল চলে যায় নিকোলাস ভেলেজের পায়ে। অর্নব চেষ্টা করেছিলেন ফাইনাল ট্যাকলে যাওয়ার। তাঁকে পেরনোর পর গোলরক্ষক দেবজিৎকেও কাটিয়ে ফাঁকা গোলে বল ঠেলে দিয়েছিলেন ভেলেজ। যে-কারণে ম্যাচের নায়কের পুরস্কারও পেলেন।

    প্রথমার্ধে বলার মতো দুটি আক্রমণ কলকাতার। ২৮ মিনিটে প্রবীরের পাস থেকে পোস্তিগা পেলেও শট গোলে রাখতে পারেননি। আর ৩৬ মিনিটে লারার ফ্রি কিকে হেড করেছিলেন সোরেনোর হেড সুব্রত নিজের বাঁদিকে ঝাঁপি্যে হাতে পেয়ে যান। ৫৩ মিনিটে লারার কর্নার সোজা গোলে ঢুকছিল। সুব্রত লাফিয়েও পাননি, রবিন গুরুং গোললাইন থেকে হেড করে ফিরিয়ে দেন।

    উল্টোদিকে ৭৩ মিনিটে কাতসুমির পাস থেকে হেড করেছিলেন আলফারো, বাঁচিয়ে দেন দেবজিৎ। যেমন, ৮২ মিনিটে আলফারো ফাঁকায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন মাথায়। কলকাতার এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে সেইত্যাসেনের শটে। একেবারে ফাঁকায় আলফারো জোরালো হেড রাখতে পারেননি, দেবজিতের কোনও অসুবিধাই হয়নি বল ধরে ফেলতে। ২-০ করার সেরা সম্ভাবনা হারান আলফারো। সেই মিসটাই শেষ পর্যন্ত নর্থইস্টকে তিন পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে দিল না।

    পরপর দুটি ম্যাচে জিতে দুর্দান্ত শুরুর পর টানা পাঁচ ম্যাচে না-জিতে কলকাতায় এসেছিল নর্থইস্ট ইউনাইটেড। এবারও পারল না নেলো ভিনগাদার দল, শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে। অর্থাৎ, টানা ছ’টা ম্যাচে জিততে পারল না। ১০ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে গোল-পার্থক্যে সপ্তম এখন, এফসি গোয়াকে আবারও অষ্টম স্থানে নামিয়ে দিয়ে।

    No comments