• Breaking News

    ৭ ম্যাচে আবাসকে এখনও হারাতে পারেননি জিকো!

    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ

    habaszico-720x404

    এফসি পুনে সিটির কোচ আন্তোনিও আবাস উৎসাহিত হতে পারেন এফসি গোয়ার কোচ জিকোর বিরুদ্ধে তাঁর ব্যক্তিগত রেকর্ড থেকে। তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে তালিকায় শেষ দিকে থাকা দুটি দলের লড়াই বৃহস্পতিবার পুনে বালেওয়াড়ির শ্রী শিব ছত্রপতি স্টেডিয়ামে।

    দুই কোচই প্রথমবার আইএসএল-এ সমস্যায়। কিন্তু আবাসের আত্মবিশ্বাস বেশি থাকা উচিত, ম্যাচের আগে। দুজনের দেখা হয়েছে সাতবার, যার মধ্যে চারবার জিতেছিলেন আবাস। এমনকি, ব্রাজিলীয় কিংবদন্তি জিকো এখনও পর্যন্ত একবারও জিততে পারেননি তাঁর বিরুদ্ধে। আরও যা অস্বস্তির কারণ জিকোর পক্ষে, ওই সাত ম্যাচে মাত্র চারটি গোল করতে পেরেছিল গোয়া, আবাসের কলকাতার বিরুদ্ধে।

    ৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে আছে পুনে। ঘরের মাঠে তাদের পারফরম্যান্স খুব খারাপ বললেও কম। সম্ভাব্য ১২-র মধ্যে পুনে পেয়েছে মাত্র ২! এখনও একটিও ম্যাচ জেতেনি নিজেদের মাঠে। তবে, এখনও পর্যন্ত দুবারের সাক্ষাতে পুনেও কখনও ঘরের মাঠে হারেনি গোয়ার বিরুদ্ধে। একটি জয়,একটি ড্র। সেই রেকর্ড ধরে রাখা, পারলে আরও একটি জয় তুলে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই বৃহস্পতিবার মাঠে নামবে আবাস-বাহিনী।

    টানা চারটি ম্যাচ জেতেনি পুনে, যা এই তৃতীয় আইএসএল-এ না-জেতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ, এখনও পর্যন্ত। ৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট তো তাদের আইএসএল ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ শুরু। তবুও আবাস ততটা বিচলিত নন।

    ‘মনে আছে, গতবার চেন্নাইয়িনও শুরুটা খারাপই করেছিল, বেশ কিছু ম্যাচ হেরে। চেষ্টা করছি। মার্কি ফুটবলার এসে পৌঁছেছিল অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে। গোটা দলই প্রায় নতুন। তবুও চেষ্টা চলছে,’ বলেছেন আবাস।

    এফসি গোয়ারও এবার আইএসএল-এ শুরুটা সবচেয়ে খারাপ। ৭ ম্যাচের পর ৪ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় অষ্টম। প্রথম আইএসএল-এ গোয়া কিন্তু প্রথম সাত ম্যাচের পর পাঁচ পয়েন্ট পেয়েছিল। সেখান থেকেও পৌঁছেছিল সেমিফাইনালে, যেখানে আবাসের আতলেতিকো দে কলকাতার কাছে হারতে হয়েছিল।

    এবারও জিকো তাই ইতিবাচক থাকতে চাইছেন। কিন্তু স্বীকার করতে ভোলেননি, কাজটা এবার বেশি কঠিন।

    ‘আমাদের অবস্থাটা জটিল, কঠিনতম। এখন অন্তত পাঁচটা ম্যাচ জিততে হবে বাকি সাত ম্যাচের মধ্যে। তবু, সব আশা শেষ হয়ে যায়নি, যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ,’ বলেছেন জিকো।

    গোয়ার আসল সমস্যা কিন্তু সুযোগ তৈরিতে নয়, সুযোগ তৈরি করেও তা নষ্ট করায়। গতবারের ফাইনালিস্টরা এবার গোল লক্ষ্য করে শট নিয়েছে ৬৭টি। শুধু কলকাতা আর দিল্লিরই গোল লক্ষ্য করে শটের সংখ্যা গোয়ার চেয়ে বেশি। এবং, ৫০ শতাংশের চেয়েও বেশি ক্ষেত্রে তাঁরা গোলরক্ষকের পরীক্ষা নিয়েছেন, মানে শট রেখেছেন তিনকাঠিতে। কিন্তু এই সুযোগগুলোকে গোলে পরিণত করার শতকরা ভাগ মাত্র ৫.৯৭। এই লিগে যা সবচেয়ে খারাপ। যদি জিকোর দল সত্যি সত্যিই কোচের কথামতো আগামী সাতের মধ্যে পাঁচ ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালের দিকে এগোতে চায়, জিকোর স্ট্রাইকারদের গোল করতে হবে, নিয়মিত।

    No comments