• Breaking News

    অ্যারনের অনুপস্থিতি কি সমস্যায় ফেলবে কেরলকে?

    আইএসএল মিডিয় রিলিজ
    কেরল ব্লাস্টার্স সমস্যায় পড়েছে মার্কি ফুটবলার অ্যারন হিউজের অনুপস্থিতিতে। মঙ্গলবার ঘরের মাঠে তৃতীয় ইন্ডিয়ান সুপার লিগে তাদের খেলা এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে।
    কেরল কিন্তু যথেষ্ট ভেবেই মার্কি ফুটবলার হিসাবে সই করিয়েছিল হিউজকে। এবারের আইএসএল-এ অন্যান্য মার্কি ফুটবলারদের তুলনায় বয়স কম। সদ্য আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে এসেছেন, ধরে নেওয়া হয়েছিল, গোটা প্রতিযোগিতাতেই পাওয়া যাবে তাঁকে। কিন্তু নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড তাঁকে আবার ডেকে পাঠিয়েছে দেশের রক্ষণকে নির্ভরতা দিতে। ফলে কেরলকে বাধ্য হয়েই খেলতে হবে তাদের সবচেয়ে প্রভাবশালী ফুটবলারকে ছাড়াই।
    ‘যখন ওঁকে সই করানো হয়েছিল মার্কি ফুটবলার হিসাবে, ওঁর বয়সের কথা অবশ্যই ভেবেছিলাম। আর মনে হয়েছিল, সদ্য শেষ-হওয়া ইউরো-র পর ওঁর আন্তর্জাতিক ফুটবল জীবনও শেষই। কিন্তু নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড দল সমস্যায় পড়েছে বেশ কয়েকজন ফুটবলার চোট পাওয়ায়। তাই ওঁকে আবার ডেকে নেওয়া হয়েছে,’ জানিয়েছেন কেরলের কোচ স্টিভ কোপেল।
    হিউজ ছাড়াও এই ম্যাচে কেরল পাবে না হাইতির আন্তর্জাতিক ফুটবলার ডাকেন্স নাজোন-কে। বেঙ্গালুরু এফসি-র দুই ফুটবলার রিনো আন্তো ও সিকে বিনীত সবে এএফসি কাপ ফাইনাল খেলে ফিরেছেন। তাঁদেরও সরাসরি প্রথম দলে সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনা কম। তবুও, হিউজের অনুপস্থিতিই প্রভাব ফেলবে সবচেয়ে বেশি, যদিও কোপেল মনে করছেন, অন্য ফুটবলাররা ঢেকে দিতে পারেন হিউজের অনুপস্থিতি যাতে গত ম্যাচে দিল্লি ডায়নামোসের বিরুদ্ধে ০-২ হারের মতো পরিস্থিতি এড়িয়ে যাওয়া যায়।
    ‘হিউজ মার্কি ফুটবলার। ওকে সই করানো হয়েছিল কারণ ফুটবলার হিসাবে খু্বই ভাল। তাই ওকে না-পাওয়া মানে দলের ক্ষতি। কিন্তু একটা দরজা বন্ধ হলে অন্য একটা দরজা খুলে যায়। এটা একটা সুযোগ দলের অন্যদের কাছে। আইএসএল-এ প্রতিটি দলেই অনেক ফুটবলার। সুযোগের অপেক্ষায় আছে সবাই। আর সুযোগ এলে দুহাতে তা লুফে নেওয়া উচিত,’ মনে করছেন কোপেল। টানা চারটি ম্যাচ বাইরের মাঠে খেলে এবার ঘরের মাঠে ফিরছে যাঁর দল।
    এবারের আইএসএল-এ অন্যতম সেরা রক্ষণ কেরলেরই। তার কারণ রক্ষণে হিউজ ও সেদরিক এঙ্গবার্ত জুটি। এখন হিউজের অনুপস্থিতিতেও একই রকম দুর্ভেদ্য থাকবে কিনা কেরল রক্ষণ, দেখার বিষয়। তবে এ-ও সত্যি যে, এফসি গোয়ার ফরোয়ার্ডরাও আগের মতো বিধ্বংসী ছন্দে নেই এখন।
    ৮ ম্যাচে মাত্র ৫ গোল করেছে এফসি গোয়া। তাদের কোচ জিকোর আশা, প্রতিযোগিতার দ্বিতীয়ার্ধে তাঁর ফরোয়ার্ডরা গোল পেতে শুরু করবেন।
    ‘মনে হচ্ছে দলের ফুটবলাররা শঙ্কিত। ওদের এখন গোল পাওয়া আর জেতা ছাড়া উপায়ান্তর নেই। ফলে চাপ বেড়েছে। তাই ফিনিশিং-এর সময় ভুল করছে। যে ধৈর্য দেখানো দরকার, পারছে না। গোলের সামনে মাথা ঠাণ্ডা রাখা জরুরি। ওরা তা রাখতে পারছে না। তা ছাড়াও, এবার গোলকিপিং-এর মানও আগের চেয়ে বেড়েছে,’ মনে করছেন জিকো।
    হুলিও সিজারের চোট। গোলের জন্য জিকোকে তাই তাকিয়ে থাকতে হবে ব্রাজিলীয় স্ট্রাইকার রাফায়েল কোয়েলোর দিকে। এফসি পুনে সিটির বিরুদ্ধে ফ্রিকিক থেকে দুর্দান্ত গোল করে জয় এনে দিয়েছিলেন রাফায়েল। সেমিফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে হলে এই ম্যাচেও জিততে হবে গোয়াকে।
    এই মুহূর্তে এফসি গোয়া আবারও তালিকায় সবার শেষে। জিতলে দু-ধাপ ওপরে উঠে আসতে পারবে। কেরল আছে সপ্তম স্থানে। ঘরের মাঠে জয় তাদের তুলে নিয়ে যেতে পারে প্রথম চারে।

    No comments