• Breaking News

    দুবার এগিয়েও দশজনের দিল্লিকে হারাতে ব্যর্থ কলকাতা

     

     

    দিল্লি ডায়নামোস ২     আতলেতিকো দে কলকাতা ২


    (মিলন ৬৩, মালুদা ৭৪)    (হিউম ১৭, লারা ৭১)


    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ

    [caption id="attachment_2473" align="alignleft" width="300"]লারার গোলের শট। ছবি - আইএসএল লারার গোলের শট। ছবি - আইএসএল[/caption]

    রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে ৭৫ মিনিটে সেরেনোর লাল কার্ড পিছিয়ে দিয়েছিল আতলেতিকো দে কলকাতাকে। কিন্তু, ৭৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে হিউমের গোলে এসেছিল তিন পয়েন্ট। দিল্লির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে বাদারা বাদজির লাল কার্ড ৪৪ মিনিটে। মালুদা পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েও নষ্ট করেন। তারপরও দিল্লি ডায়নামোস খেলায় ফিরল দুবার। ম্যাচের নায়ক মিলন সিংয়ের দুরন্ত শট ও মালুদার বুদ্ধিদীপ্ত স্কিলে।

    সমীঘ দুতি ছন্দে ছিলেন। ১৭ মিনিটেই কলকাতার এগিয়ে যাওয়া তাই। ডিফেন্স-চেরা পাস দিয়েছিলেন হিউমকে। দিল্লির গোলরক্ষক দোবলাস এগিয়ে এসেছিলেন। তাঁর বাঁদিক দিয়ে জালে বল পাঠান হিউম। আইএসএল ইতিহাসে তাঁর ২০তম, এবারের হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে চতুর্থ এবং পেনাল্টি-ছাড়া প্রথম গোল!

    ২৪ মিনিটে হিউম ফেরত দিয়েছিলেন দুতিকে। হয়ত নিজেও শট নিতে পারতেন দিল্লির গোলে। কিন্তু রেখে দিয়ে যান পেছন থেকে ছুটে-আসা দুতির জন্য। দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলারের শট অবশ্য দুর্বল এবং সোজা দোবলাসের হাতে।

    পোস্তিগা বুদ্ধি করে দোবলাসের দূরের পোস্টে চিপ করতে চেয়েছিলেন ৩১ মিনিটে। বল শেষ পর্যন্ত ওপর দিয়ে জালের ছাদে। তার ঠিক তিন মিনিট পরই দলকে ২-০ এগিয়ে দেওয়ার সোনার সুযোগ পেয়েছিলেন পোস্তিগা। দুতিকে ফাউল করা হয়। ফ্রি কিক থেকে বল পেয়ে দুতি উঁচু করে রেখেছিলেন বক্সে। সেরেনোর হেড, ঠিক সময় অফসাইডের ফাঁদ পেরিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন পোস্তিগা। কিন্তু তাঁর টোকায় বল পোস্ট ছুঁয়ে বাইরে। দুতি অবশ্য খানিক পরই উঠে যেতে বাধ্য হন, পেশিতে টান ধরায়। তাঁর জায়গায় এসেছিলেন হাভি লারা, ৪২ মিনিটে।

    বাদারা বাদজির লাল কার্ড ৪৪ মিনিটে, দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে। মালুদার ক্রস ছিল গোলমুখে। হেড দেওয়ার জন্য লাফিয়ে বাদজি বুঝতে পারেন, মাথায় বল লাগানো সম্ভব নয়। হাত বাড়িয়ে দেন, মারাদোনা হওয়ার আশায়! প্রথম হলুদ কার্ড দেখেছিলেন কলকাতার গোলরক্ষক দেবজিৎ মজুমদারের হাতে-থাকা বলে হেড দিতে চেয়ে।

    দিল্লি খেলায় ফিরে আসার সুযোগ পেয়েছিল মার্সেলিনহো ৬০ মিনিটে পেনাল্টি এনে দেওয়ায়। প্রবীর দাসের বিরুদ্ধে রেফারির পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বিতর্কিত। শেষ ম্যাচে জোড়া গোল করে আত্মবিশ্বাসের শীর্ষে থাকা মালুদা এগিয়ে এসেছিলেন। ফরাসি ফুটবলারের দুর্বল পেনাল্টি বাঁচিয়ে নায়ক তখন দেবজিৎ।

    কিন্তু সেই আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ৬৩ মিনিটেই সমতা ফেরায় দিল্লি। মিলন সিংয়ের বাঁপায়ের দুর্দান্ত শটে। একই রকম দুর্দান্ত গোল করে কলকাতাকে আবারও এগিয়ে দিয়েছিলেন লারা। বক্সের বাইরে থেকে, ডানপায়ের শটে, ৭১ মিনিটে।

    যদিও এবার মাত্র তিন মিনিটই এগিয়ে থাকতে পেরেছিল কলকাতা। মালুদা বক্সের মধ্যে বল পেয়েছিলেন। দুই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার তাঁর গায়ে। তিরির পায়ের ফাঁক দিয়ে বল বের করে আনতে সফল মালুদা এবং ডানপায়ে দেবজিৎকে পরাস্ত করতে কোনও ভুল করেননি। লারা এবং মালুদা, দুজনেরই এবারের আইএসএল-এ তৃতীয় গোল।

    তবুও তিন পয়েন্ট পাওয়ার সুযোগ এসেছিল কলকাতার কাছে। ৯৩ মিনিটে তিরি কর্নার থেকে পায়ে বল পেয়েছিলেন বক্সে, বিনা বাধায় শট নেওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু বাঁপায়ের শট গোলে রাখতে পারেননি তিরি। ভুল শোধরানোর সুযোগ পেয়েও ‘মালুদা’ হতে পারেননি তিরি। ফলে, মোট ৩৭ ফাউলের ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগি। ৯ ম্যাচে ১৩ নিয়ে চতুর্থ স্থানেই থাকল কলকাতা। ১০ ম্যাচে ১৭, দিল্লি থাকল ঘরের মাঠে অপরাজিত এবং লিগ তালিকায় শীর্ষেই।

    [woocommerce_products_carousel_all_in_one all_items="10" show_only="id" out_of_stock="false" exclude="" products="" categories="" relation="and" tags="" ordering="asc" template="compact.css" show_title="true" show_description="false" allow_shortcodes="false" show_price="true" show_category="true" show_tags="false" show_add_to_cart_button="true" show_more_button="true" show_more_items_button="true" show_featured_image="true" image_source="thumbnail" image_height="100" image_width="100" items_to_show_mobiles="1" items_to_show_tablets="2" items_to_show="4" slide_by="1" stage_padding="0" margin="5" loop="true" stop_on_hover="true" auto_play="true" auto_play_timeout="1200" auto_play_speed="800" nav="true" nav_speed="800" dots="true" dots_speed="800" lazy_load="false" mouse_drag="true" mouse_wheel="true" touch_drag="true" easing="linear" auto_width="false" auto_height="true" custom_breakpoints=""]

    No comments