• Breaking News

    দিন্দা-ওঝার ধাক্কাধাক্কি বাংলার ‘ফুটবল’ অনুশীলনে, সৌরভের ফোন

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


    রাত পোহালেই রাজকোটে তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ রনজি ম্যাচ। তার আগের দিন রনজি ট্রফিতে বাংলার সুখের সংসারে চূড়ান্ত অশান্তি!
    মূলে এমন দুই ক্রিকেটার যাঁরা খেলেছেন ভারতের হয়েও। প্রজ্ঞান ওঝা ও অশোক দিন্দা। অনুশীলনে ফুটবল খেলা হচ্ছিল। দিন্দা নাকি কড়া ট্যাকল করছিলেন, দিল্লি থেকে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা। সাধারণত, ক্রিকেটারদের ফুটবলে অলিখিত নিয়ম থাকে যে, কড়া ট্যাকল চলবে না। কিন্তু কিছু বলা হয়নি দিন্দাকে।
    এরপর, দিন্দার একটি জোরালো শট প্রজ্ঞানের মুখের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ হন ওঝা। তাঁর মনে হয়েছিল, ওভাবে শট নিলে তিনি আঘাত পেতে পারেন। তাই চিৎকার করে ওঠেন। দিন্দা ছুটে এলে ওঝা তাঁকে ধাক্কা দেন, দিন্দা পড়ে যান মাটিতে। ততক্ষণে দলের বাকি সদস্যরা ছুটে এসে অবস্থা সামাল দেন।
    [sociallocker]দিন্দা নাকি কান্নাকাটিও করেছেন পরে। এমনকি, খেলবেন না, ফিরে আসবেন, এমনও বলেছিলেন। সঙ্গে ওঝাকে ‘আউটসাইডার’ বা বাইরের প্লেয়ারও বলেন। প্রসঙ্গত, হায়দরাবাদ থেকে গত বছরই আন্তঃরাজ্য ছাড়পত্র নিয়ে বাংলায় এসেছিলেন ওঝা।[/sociallocker]
    অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি, কোচ সাইরাজ বাহুতুলে এবং ম্যানেজার সমীর দাশগুপ্ত, বাংলার ‘টিম ম্যানেজমেন্ট’ ব্যাপারটা সামলে নেয় তৎক্ষণাৎ। বলে দেওয়া হয়েছিল, বাংলার ক্রিকেটারদের অনুশীলনে এমন কিছু আশাই করা যায় না। সব ভুলে যেন বাংলার রনজি অভিযান এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দিকে মন দেন ক্রিকেটাররা।
    তবে, দিন্দাকে নিয়ে বাংলা শিবিরে এমন সমস্যা এই প্রথম নয়। এর আগেও অন্তত দুবার বিভিন্ন ক্রিকেটারের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছে দিন্দার। ২০০৮ সালে মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে খেলার সময় শিবশঙ্কর পালের সঙ্গে সমস্যা এত দূর গড়িয়েছিল যে, দলের হোটেল ছেড়ে চলে যেতে চেয়েছিলেন ক্ষুব্ধ শিবশঙ্কর। ২০০৯ সালে আগরতলায় বিজয় হাজারে ট্রফির চূড়ান্ত পর্বে সিনিয়র পেসার রণদেব বসুর সঙ্গেও হাতাহাতির পর্যায়ে গিয়েছিল লড়াই, অধিনায়ক লক্ষ্মীরতন শুক্লা আর সহ-অধিনায়ক মনোজ থামিয়েছিলেন।
    দিন্দা এই মরসুমে দুর্দান্ত ছন্দে। তিন ম্যাচে বাংলা ১৫ পয়েন্ট পেয়েছে, পাঞ্জাব ও রেলওয়েজকে সরাসরি হারিয়ে, উত্তর প্রদেশের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থেকে। শেষ দুটি ম্যাচেই দুরন্ত বোলিং করেছেন দিন্দা। গুজরাতের বিরুদ্ধে খেলা হয়নি দিল্লির দূষণের কারণে। রবিবার সকাল থেকে তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে খেলা। তার আগে শিবিরে এই অশান্তি যাতে আদৌ প্রভাব না-ফেলে মাঠে, সেই কারণেই দলের ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে সৌরভের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, সৌরভ কথা বলেছেন সবার সঙ্গেই। দুই ক্রিকেটারকে এই অনভিপ্রেত ঘটনা ভুলে ম্যাচে মনঃসংযোগের পরামর্শ দিয়েছেন সিএবি-সভাপতি।

    No comments