• Breaking News

    জিতে চেন্নাই উঠে এল পাঁচে

     

     

    চেন্নাইয়িন এফসি ২    এফসি পুনে সিটি ০


    (জেজে ৪৪, সুচ্চি ৫১)


    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ

    [caption id="attachment_2523" align="alignleft" width="300"]গোলের পর জেজে। ছবি - আইএসএল গোলের পর জেজে। ছবি - আইএসএল[/caption]

    তৃতীয় হিরো ইন্ডিয়ান সুপার লিগে চেন্নাইয়িন এফসি জিততে পারেনি টানা পাঁচ ম্যাচে। ৯ ম্যাচে মোট ১৪ গোল খেয়েছিল। যার মধ্যে শেষ দুটি ম্যাচেই সাতটি। কিন্তু হাল ছাড়েননি ইতালীয় কোচ মার্কো মাতেরাজ্জি। ১-০ এগিয়ে থাকার সময় দ্বিতীয় গোলের সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে না-পারাই কারণ, বলেছিলেন গতবারের চ্যাম্পিয়ন কোচ।

    যা যা চেয়েছিলেন মাতেরাজ্জি, পেলেন এবার ঘরের মাঠে, দশম ম্যাচে। প্রথম আর দ্বিতীয় গোলের মাঝে মাত্র ৭ মিনিটের ব্যবধান। এফসি পুনে সিটির সেমিফাইনালের স্বপ্নে বড় ধাক্কা দিয়ে নিজেদের এগোনর রাস্তা খুলে ফেলল চেন্নাইয়িন, মঙ্গলবার চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে, তৃতীয় জয় পেয়ে।

    পুনের বিরুদ্ধে গোল পাওয়াটা এখন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন জেজে লালপেখলুয়া। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে পেলেন এবারের গোল। মেন্দি শুরু করেছিলেন আক্রমণ। পাস দেন রাফায়েলকে। সেখান থেকে মুলডার হয়ে বাঁদিক দিয়ে উঠে-আসা জেরির পায়ে। বক্সে সেন্টার রেখেছিলেন জেরি, সেই বলে সুচ্চির ফ্লিক একেবারে মাথায় গিয়ে পড়েছিল জেজে-র। হেড গোলে রাখতে ভুল করেননি ভারতীয় স্ট্রাইকার। আইএসএল-এর ইতিহাসে তাঁর ১৩তম গোল, ভারতীয়দের মধ্যে সর্বোচ্চ।

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে দ্বিতীয় গোল চেন্নাইয়ের। এই গোলও হেডে। এবার ইতালীয় ফরোয়ার্ড সুচ্চির। রাফায়েলের ক্রসে ঠিক সময়ে হেড সুচ্চির, বাঁচানোর কোনও সুযোগই ছিল না বেতে-র। সুচ্চির সঙ্গে লেগে থাকলেও এদুয়ার্দো বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি। ৫১ মিনিটেই মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল এই ম্যাচ আর হাত থেকে বেরতে দিতে রাজি নয় গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। হলও তা-ই। বাকি সময় বলের দখল বেশিরভাগ সময় রাখল নিজেদের পায়ে। প্রতি আক্রমণে উঠল অহরহ। খেলার নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরিই ছিল চেন্নাইয়ের। আরও বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছিল, ব্যবধান অবশ্য বাড়েনি।

    উল্টো দিকে আবাসের দল বোধহয় বাইরের মাঠে হার মেনেই নিয়েছিল, দ্বিতীয় গোল খাওয়ার পর। একমাত্র দল হিসাবে এবারের আইএসএল-এ ‘অ্যাওয়ে’ ম্যাচে অপরাজিত ছিল পুনে। সেটা ধরে রাখা গেল না যেমন, সেই তাগিদও দেখা যায়নি পুনের পারফরম্যান্সে। ৫০ মিনিটে একবার জোনাথন লুক্কার শট মেন্দির পায়ে লেগে বেরিয়ে এসেছিল, বল যাচ্ছিলও গোলের দিকে। চেন্নাইয়ের গোলরক্ষক করণজিৎ প্রথমে বুঝতে ভুল করলেও শেষ মুহূর্তে সামলে দেন কোনও রকমে। আনিবাল, ত্রাওরে-রা যথারীতি চেন্নাইয়ের গোলমুখে ভুলে-ভরা। ফলে তেমন বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।

    ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে ম্যাচ শুরুর আগে পঞ্চম স্থানে ছিল আন্তোনিও আবাসের পুনে। চেন্নাই ছিল সপ্তম, ৯ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট সংগ্রহে। জিতে চেন্নাইয়ের এখন ১০ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট। উঠে এল পঞ্চম স্থানে, পুনেকে একধাপ নামিয়ে। আতলেতিকো দে কলকাতার সমান পয়েন্ট এখন চেন্নাইয়ের, পিছিয়ে শুধু গোল-পার্থক্যে। গতবারের চ্যাম্পিয়নরাও ফিরে আসার রাস্তায়। ক্রমশ আরও জমে উঠছে সেমিফাইনালে পৌঁছনোর লড়াই!

    No comments