• Breaking News

    তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করল ইস্টবেঙ্গল

    মর্গ্যান যেতেই উইং দিয়ে খেলায় ফিরে জয়


    শান্তনু ব্যানার্জি


    টানা চার ম্যাচে হারের মুখ দেখার পর জিতল ইস্টবেঙ্গল। রবিবার বারাসাত স্টেডিয়ামে ৩-১ ব্যবধানে হারাল মিনার্ভা পাঞ্জাবকে।

    ট্রেভর জেমস মর্গ্যানের জমানায় উইং নির্ভর খেলা দেখতেই পাননি সমর্থকরা। ভাঙা মরসুমে সহকারী কোচ রঞ্জন চৌধুরী এসে উইং থেকে খেলিয়ে আর মাঝমাঠের দখল ধরে রেখে, ইস্টবেঙ্গলকে ফিরিয়ে আনলেন জয়ের রাস্তায়, যদিও খেতাবি লড়াইয়ের প্রশ্নে এই জয় মূল্যহীন।

    মিনার্ভার অবনমন বাঁচানোর লড়াই নেই। ফ্র্যাঞ্চাইজি দল বলে প্রথম তিন বছর তারা নামবে না, নিশ্চিত। ১৬ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে আই লিগ তালিকায় ছিল  অবশ্য খাদের কিনারায়। থাকলও সেখানেই। যদিও তারা নামবে না, নিশ্চিত। যেমন নামবে না চেন্নাই সিটি এবং ডিএসকে শিবাজিয়ান্সও, একই কারণে।

    রবিবার শুরু থেকেই অনেক বেশি সংঘবদ্ধ ফুটবল খেলেছিল ইস্টবেঙ্গল। গোলের মুখ খোলার তাগিদ দেখা যাচ্ছিল রাহুল ভেকে, ওয়েডসন, জ্যাকিচাঁদ, হাওকিপদের পারফরম্যান্সে।

    ৩১ মিনিটে ডানদিক থেকে রাহুল ভেকের ক্রস মিনার্ভার বক্সের ওপর আছড়ে পড়তেই অরক্ষিত ওয়েডসন মাথা ছুইয়ে এনে দেন প্রথম গোল। প্রথমার্ধে গোলের সংখ্যা বাড়াতেও পারত ইস্টবেঙ্গল। আটকে যায় মিনার্ভার গোলরক্ষক অর্শদীপ সিং-এর কাছে।

    হাওকিপের বদলে রবিন সিং বিরতির পর মাঠে নেমেই খুলে ফেলেন গোলের দরজা। ডানদিক থেকে ওয়েডসনকে লক্ষ্য করে রবিন মিনার্ভার বক্সের ভিতর বল বাড়িয়ে দিলে মঈনউদ্দিনের হাতে বল লেগে যায়। রেফারি পেনাল্টি দেন। রবিনের জোরালো শটে ২-০। ওয়েডসন অবশ্য ক্ষুব্ধ ছিলেন, পেনাল্টি তাঁকে মারতে না দেওয়ায়।

    এরপর রবিনের গোল অফসাইডের কারণে বাতিল। ম্যাচের শেষদিকে ঝটিকা আক্রমণে এসে বাঁদিক থেকে বিকাশ জাইরু কোণাকুণি দৌড়ে অর্শদীপকে বোকা বানিয়ে এনে দেন তৃতীয় গোল। ইনজুরি টাইমে মননদীপ সিং এর বদলি হিসাবে মাঠে-নামা কৃষ্ণ পণ্ডিত মিনার্ভার হয়ে একটি গোল শোধ করেন।

    ১৭ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে এবারের আই লিগে নিশ্চিত করল তৃতীয় হওয়া। শেষ ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল হারলে এবং বেঙ্গালুরু জিতলে, বেঙ্গালুরুর পয়েন্টও হবে ৩০। কিন্তু, বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে মুখোমুখি লড়াইতে এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল।

    No comments