• Breaking News

    ফেডারেশন কাপে ঘুরে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার সঞ্জয়ের

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


    আমি রব হতাশের নিষ্ফলের দলে!

    বলতেই পারতেন সঞ্জয় সেন। বলেননি। কারণ, হাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলেছিলেন যে নিজেরাই, আইজলে। তবু, এক পয়েন্টের ব্যবধানে দ্বিতীয় হওয়া, বাস্তব সবসময়ই রূঢ়!

    আর, ভারতে এবং মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল এই দুটি ক্লাবে, রানার্স হওয়া আর সবার শেষে থাকায় যে আদৌ কোনও পার্থক্য নেই। বাগান কোচ বলেই ফেললেন, ‘বিদেশে তবু প্রথম চারে শেষ করা মানে যথেষ্ট ভাল পারফরম্যান্স।’ আসলে, বোঝাতে চাইলেন, ইউরোপে যে দেশগুলো থেকে চারটি করে দল চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ পেতে পারে, সেই দেশগুলোর কথা। ভারত থেকে চারটি দল যেহেতু এএফসি কাপে খেলার সুযোগ পায় না, কেনই বা প্রথম চারে শেষ করা গুরুত্বপূর্ণ হতে যাবে!

    চ্যাম্পিয়ন না হওয়ার দায়িত্ব মাথা পেতেই নিলেন সঞ্জয় এবং কথাও দিলেন, ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় আন্তরিক হবেন কটকে। ‘সমর্থকদের এই আশার মূল্য দিতেই ফেডারেশন কাপে নিজেদের অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে। জানি ওখানে নানা রকমের সমস্যা থাকবে। বিকেল চারটে আর সন্ধে সাতটায় খেলা। কখনও রোদে কখনও রাতের আলোয়। নিজেদের সেভাবেই মানিয়ে নিতে হবে। কিন্তু ভারতসেরা হওয়ার আরও একটা সুযোগ, হাতছাড়া করতে চাইবে না কেউ, নিশ্চিত।’

    তাঁর আমলে গত দুবছরে একবার আই লিগ আর একবার ফেডারেশন কাপ জিতেছে মোহনবাগান। ঘরের মাঠে গত তিন বছরে একটিও ম্যাচ হারেনি আই লিগে। টানা দুবার রানার্স আই লিগে। এবারও সম্ভাবনা থাকছে একটি সর্বভারতীয় ট্রফি জেতার, যে-লড়াই শুরু হবে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই, কটকে।

    ‘যা হওয়ার তা হবেই, কপালের লিখন খন্ডাবে কে’, দর্শনের দ্বারস্থ সঞ্জয় সেন। কী-ই বা আর করবেন। সবই তো শেষে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকছে আইজলে গিয়ে এক পয়েন্ট নিয়ে ফেরার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হওয়ার ওপরেই। নিজেদের হাতেই ছিল সব, অন্য কাউকে দোষও দিতে পারছেন না বাগান-কোচ!

    প্রশংসা করলেন আইজল এফসি-র। ‘বেশি জিতেছে, বেশি পয়েন্ট পেয়েছে। সুতরাং, ওদের প্রাপ্য ছিল এই খেতাব। তা ছাড়াও, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্যে আই লিগ খেতাব যাওয়া মানে ভারতীয় ফুটবলে উন্নতির প্রসঙ্গও। অভিনন্দন আইজল এফসি এবং তাদের সঙ্গে জড়িত সবাইকেই।’

    চিরশত্রু ইস্টবেঙ্গলের মতোই, এ-মরসুমে এখন মোহনবাগানেরও হাতের পাঁজি ফেডারেশন কাপই!

    No comments