• Breaking News

    গম্ভীরের ব্যাটে ফাইনাল থেকে একধাপ দূরে কেকেআর

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


    তখন রাত সাড়ে ১২টা ছুঁতে চলেছে ঘড়ির কাঁটা। চিন্নাস্বামীর গ্যালারি কিছুটা ফাঁকা। তবু অসংখ্য মানুষ অধীর অপেক্ষায়। ডেভিড ওয়ার্নারের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, নাকি গৌতম গম্ভীরের কলকাতা নাইট রাইডার্স— বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে শেষ পর্যন্ত কার মুখে থাকবে হাসি?

    হায়দরাবাদ ১২৮-৭ করলেও বৃষ্টির জন্য লক্ষ‌্য বদলে যায় কেকেআরের। ৬ ওভারে দরকার ছিল ৪৮। রাত দেড়টায় পুরস্কারের মঞ্চে নায়কের মতোই দেখাচ্ছিল অধিনায়ক গম্ভীরকে। ৬ ওভারে ৪৮ তাড়া করতে নেমে ১৯ বলে ৩২ করে নট আউট থেকে যান তিনি। দুটো চার, দুটো ছয় সহ। চার বল বাকি থাকতেই সাত উইকেটে জিতে যায় কলকাতা। শুক্রবার মুম্বইকে কার্যত সেমিফাইনালে হারাতে পারলেই ফাইনালে চলে যাবে গম্ভীরের টিম।

    মাঝরাতে ম্যাচের পর গম্ভীর বলেছেন, ‘বৃষ্টি একটু হলেও আমাদের টেনশনে ফেলে দিয়েছিল।’ মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে প্লে-অফে নামার আগে গম্ভীর বলেছেন, ‘মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে আমাদের রেকর্ড তেমন ভাল নয়। কিন্তু এ বার মনে হচ্ছে সেটা পাল্টাতে পারব।’

    হায়দরাবাদকে অল্প রানে আটকে রাখতে পারাটাই ম্যাচ জেতার আত্মিবশ্বাস এনে দিয়েছিল কেকেআরকে। গম্ভীরের কথায়, ‘বোলারদের কৃতিত্ব দিতে হবে। ওরাই ম্যাচ জেতার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে দিয়েছিল। গত বার এই হায়দরাবাদের কাছেই আমরা প্লে-অফে হেরে গিয়েছিলাম। অতীতটা মাথায় ছিল আমাদের। সেটাই কাজে করে দেখিয়েছে বোলাররা। এমন একটা ম্যাচ বৃষ্টিতে শেষ হয়ে গেলে যন্ত্রণার শেষ থাকত না।’

    শুরুতে উইকেটে বল পড়ে থমকে আসছিল। কেকেআরের ইনিংসের সময় যা অনেক সাবলীল হয়ে যায়। গম্ভীর বলেছেন, ‘বেঙ্গালুরুর যে পিচে আমরা খেলতে অভ্যস্ত, এটা তার থেকে অনেক ভাল। বিশেষ করে আমরা যখন ব্যাট করতে নামি, তখন পিচ অনেকটা সাবলীল হয়ে গিয়েছিল।’

    বৃষ্টিতে খেলা না হলে হায়দরাবাদই চলে যেত সেমিফাইনালে, আদায় করে নিত মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে খেলার ছাড়পত্র। কারণ, গ্রুপ লিগে হায়দরাবাদ ছিল তৃতীয় আর কলকাতা চতুর্থ।

    No comments