• Breaking News

    ময়দানে প্রথম ‘ওয়াল অফ ফেম’, ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


    লালহলুদ তাঁবুতে নতুন দৃশ্য। ঢুকেই বাঁদিকে তাকালে দেওয়ালে সুসজ্জিত ইতিহাসের টুকরোটাকরা। নাম ‘ওয়াল অফ ফেম’। সেই খ্যাতনামাদের তালিকায় কে নেই! ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে ভারত ও ভারতের বাইরে সম্মান ও সাফল্য এনে দিয়েছেন এমন অনেককেই তুলে ধরল ক্লাবের এই প্রয়াস। সঙ্গে, কিছু দলগত ছবিও, যা ইতিহাসের অংশ। বৃহস্পতিবার থেকে ক্লাবে যাঁরা যাঁরাই আসবেন, দেখতে পাবেন।

    দেওয়ালে আছেন বিদেশিরাও, স্বমহিমায়। মজিদ বাসকার, চিমা ওকোরি থেকে ডগলাস, জুনিয়র। আছেন ব্রাজিলের জিকো এবং জার্মানির জার্ড মুলার। রাষ্ট্রপতির হাত থেকে দলের ট্রফি পাওয়ার মুহূর্তের ছবি আছে, পঁচাত্তরে চিরশত্রু মোহনবাগানকে পাঁচ গোল দেওয়া দলের ছবি থাকা তো স্বাভাবিক। আছে আসিয়ান কাপ জয়ের কথা, ট্রফি জয়ের পথে যাঁদের অবদান অনস্বীকার্য তাঁদের ছবিও।

    মোট ৪০ ছবি। পাঁচটি সারিতে আড়াআড়ি। প্রতিটি সারিতে আটটি করে ছবি। ৯৭ বছরের ক্লাবের ইতিহাস স্বাভাবিকভাবেই ৪০ ছবিতে ধরা বা তুলে ধরাও সম্ভব নয়। কিছু ব্যক্তিত্ব, কিছু ঘটনা বাদ পড়বেই। কিন্তু, যা প্রশংসনীয়, এই উদ্যোগ।

    সন্ধ্যায় শান্ত মিত্রর স্মরণসভায় যেমন স্বপন সেনগুপ্ত প্রস্তাব দিলেন, পাস ক্লাবের বিরুদ্ধে যে ঐতিহাসিক জয় এসেছিল সেই দলের সব ফুটবলারকে ক্লাবের আজীবন সদস্যপদ দেওয়ার, অথবা, সেই দলের যে চার সেনাপতি আজ আর নেই সেই শান্ত মিত্র, প্রশান্ত সিনহা, কাজল মুখার্জি ও পিটার থঙ্গরাজের নামে গ্যালারিতে ‘স্ট্যান্ড’ রাখার - ইস্টবেঙ্গল কর্তারা নিশ্চয়ই ভাববেন। ইতিহাস ধরে রাখতে এভাবেই তো উদ্যোগী হতে হয় ক্লাবগুলোকে। বাকি ক্লাবগুলোতেও, বিশেষত মোহনবাগান এবং মহমেডান স্পোর্টিং তাঁবুতেও কি রাখা যায় না একটি করে বিশেষ দেওয়াল, ইতিহাসের জন্য?

    No comments