• Breaking News

    ইস্টবেঙ্গলের ছোটদের সামনে অনূর্ধ্ব ১৮ আই লিগ জেতার সুযোগ‌

    শান্তনু ব্যানার্জি


    অনূর্ধ্ব ১৮ আই লিগে প্রথমবার ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। রবিবার বারাসতে দুপুর সাড়ে তিনটে, প্রখর রোদে তাদের সামনে এআইএফএফ এলি়ট আকাদেমি, যারা গত দু’বারের চ্যাম্পিয়ন। হ্যাটট্রিকের লক্ষ্যে তাঁরা। আর লাল হলুদ শিবির নামবে তাঁবুতে প্রথম আই লিগ খেতাব আনার তাগিদে। অনূর্ধ্ব ১৮ হলেই বা, আই লিগ তো বটেই!

    ৯০ মিনিটের ফুটবলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা। ইস্টবেঙ্গলে বড়রা আই লিগ খেতাব তাঁবুতে আনতে পারেননি গত ১৪ বছর। এবারও শেষ করেছে তৃতীয় স্থানে। কিন্তু ছোটদের কাছে এখন সুবর্ণ সুযোগ। সুপার সানডে-তে তরুণ দে-র তরুণদল এআইএফএফের এলি়ট আকাদেমির বিরুদ্ধে লড়াই কতটা ছুড়ে দিতে পারে, দেখতে আগ্রহী ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা। ফলে, প্রত্যাশার বাড়তি চাপ নিয়েই মাঠে নামতে হবে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের।

    আই লিগ জয়ের ক্ষেত্রে ১৪ বছরের খরায় অনুর্ধ্ব ১৮ খেতাব পেলে ক্ষতে কিছুটা হলেও মলম লাগানো যাবে, মনে করছে লালহলুদ জনতা। এই কারণেই মাঠের ভিতরে এবং বাইরে দুই জায়গাতেই কঠিন পরীক্ষার মুখে ইস্টবেঙ্গল। আকাশচুম্বী প্রত্যাশা ইতিমধ্যেই কিন্তু ডানা মেলতে শুরু করে দিয়েছে। দুই চাপ সামলে লাল হলুদের ছোটরা শেষ পর্যন্ত কি 'বাজিগর' হয়ে উঠতে পারবেন?

    এআইএফএফ এলিট আকাদেমির কোচ ফ্লয়েড পিন্তো অবশ্য জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর দল চাপে নেই। ‘ইস্টবেঙ্গল কঠিন প্রতিপক্ষ। সেমিফাইনালে আমাদের লড়াই করেই জিততে হয়েছে। কিন্তু, ফুটবলাররা সবাই মানসিক ও শারীরিক দিক দিয়ে ফাইনালের জন্য তৈরি। যা খেলেছে ওরা, কোচ হিসাবে গর্বিত।’

    সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার এলিট আকাদেমির যাঁদের দিকে আলাদা করে চোখ রাখতেই হবে – জোনুনমাউইয়া, লালেংজামা ভাংছিয়া, নাওরেম রোশন সিং ও অমল দাস। ইস্টবেঙ্গলের প্রকাশ সরকার ও ইয়ামি লংভা চোখ টেনেছেন। সঙ্গে তো আছেনই দুই স্কোরার, লালছানহিমা ও সুরনজিৎ। সেমিফাইনালে সালগাওকারের বিরুদ্ধেই সুরনজিতের ছিল জোড়া গোল।

    সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার ওয়েবসাইটকে তরুণ দে জানিয়েছেন, ‘প্রতিটি ম্যাচে উন্নতি করেছে ওরা। এআইএফএফ-এর দলও খুবই ভাল। তবে, মনে হচ্ছে, খেতাব জেতার ক্ষমতা আছে আমাদের দলেরও।’

    মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যের হাত ধরে ঘুরে দাঁড়ানোর অভিযানে সামিল ইস্টবেঙ্গলের বড়রা, ফেডারেশন কাপে। আর, মনোরঞ্জনের একসময়ের স্টপার-সঙ্গী তরুণের সামনে এখন অনূর্ধ্ব ১৮ আই লিগ খেতাবের হাতছানি!

    No comments