• Breaking News

    জোড়া-চুরির অভিযোগ ইস্টবেঙ্গল-পাঠচক্র ম্যাচে!

    শান্তনু ব্যানার্জি


    [caption id="attachment_3771" align="alignleft" width="810"] পাঠচক্রের হয়ে জোড়া গোল করলেন সুপ্রতীম বারুই[/caption]

    ইস্টবেঙ্গলের অভিযোগ, বেশি বয়সের ফুটবলার খেলিয়েছে পাঠচক্র। আবার, পাঠচক্রের অভিযোগ, ৪ মিনিটের ইনজুরি টাইম শেষ হয়ে যাওয়ার পর আরও মিনিট চারেক খেলিয়েছেন রেফারি। অনূর্ধ্ব ১৯ আইএফএ শিল্ড বিতর্কে জমজমাট!

    লালহলুদের তরফ থেকে ম্যা শেষে অভিযোগ করা হয়েছে, পাঠচক্র ফুটবল টিমে ২৩-২৪ বছরের ছেলেরা খেলছে, যেখানে প্রতিযোগিতাটাই অনূর্ধ্ব ১৯! ফলে, শোরগোল। পাঠচক্রের কোচ পার্থ সেন সেই অভিযোগ সরাসরি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, ‘দলের ছেলেদের পাসপোর্ট বা অন্যান্য ডকুমেন্ট তো আইএফএ অফিসে জমা দেওয়া আছে। সমস্যা থাকলে তো নিয়মাক সংস্থাই ব্যবস্থা নিত। তাই এই অভিযোগ ভিত্তিহীন।’ তবে, এ-ও ঘটনা, মনোতোষ চাকলাদার ছিলেন বাংলার সন্তোষজয়ী দলে, যে প্রতিযোগিতা ছিল অনূর্ধ্ব ২৩।

    আবার, পাঠচক্রের অভিযোগ, অন্যায়ভাবে রেফারি তাদের বঞ্চিত করেছেন। প্রথম অভিযোগ, ইস্টবেঙ্গলের দ্বিতীয় গোল পরিষ্কার অফসাইড থেকে, ওডিশার রেফারি যা দেখেননি। আর, দ্বিতীয় অভিযোগ, রেফারি প্রশান্ত পাল ৪ মিনিটের ইনজুরি টাইম থেকে আরও পাঁচ মিনিট বেশি খেলিয়েছেন। যে-কারণে ম্যাচ শেষে রেফারিকে ঘিরে ধরে সেখানেই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। কোনও মতে রেফারি ও সহকারি রেফারিরা মাঠ ছাড়েন।

    অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগেই এখন সরগরম আইএফএ শিল্ড। মঙ্গলবার মোহনবাগান নিজেদের মাঠে হেরে যাওয়ার পরও রেফারি নিগৃহীত হয়েছিলেন। এবার ইস্টবেঙ্গল মাঠে সেই কাজ করলেন পাঠচকরের ফুটবলার ও কর্তারা। কোচ পার্থ সেন তো বলেও দিলেন, ‘ড্র হয়েছে তাই বয়স ভাঁড়ানোর অভিযোগ উঠেছে, হারলে যে আরও কত কী হত!’

    বিতর্কের চাপে চাপা পড়ে যাচ্ছে ফুটবল। জিততেই হবে এমন ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল কোনও রকমে ২-২ করে সম্মান বাঁচাল। বিদ্যাসাগর সিংয়ের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর পাঠচক্রের সুপ্রতীম বারুই জোড়া গোল করে এগিয়ে দিয়েছিলেন দলকে। মহম্মদ মনোজ সমতা ফেরান, ম্যাচের একেবারে শেষ লগ্নে। দু-ম্যাচে ১ পয়েন্ট এখন ইস্টবেঙ্গলের। পাঠচক্র কিন্তু প্রথম ম্যাচে মহমেডানকে হারানোর পর ইস্টবেঙ্গলকেও আটকে দিয়ে ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে এগিয়ে গেল নকআউটের দিকে।

    No comments