• Breaking News

    জিতে ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে মোহনবাগানও

    রাইট স্পোর্টস ডেস্ক


    টানা দুটি জয়। তবে, প্রথম ম্যাচের মতো নিরঙ্কুশ নয়। শিলং লাজংকে দ্বিতীয় ম্যাচে ৩-২ হারিয়ে ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে চলে গেল মোহনবাগান।

    পয়েন্টের হিসাবে অবশ্য বেঙ্গালুরু এবং ডিএসকে শিবাজিয়ান্স, দুটি দলই ৬ পয়েন্টে পৌঁছতে পারে, শেষ ম্যাচে জিতলে। কিন্তু, ডিএসকে-কে যেহেতু প্রথম ম্যাচে ৪-০ হারিয়েছিল মোহনবাগান, সমান-সমান পয়েন্টে মুখোমুখি খেলার ফলের বিচারে এগিয়ে থাকবে। তা ছাড়াও, শেষ ম্যাচে হারতেও হবে মোহনবাগানকে। বেঙ্গালুরুকে তো বুধবার খুয়ান বারাসোর জোড়া গোলে হারিয়ে অঘটন ঘটিয়ে ফেলল ডেভ রজারের ডিএসকে।

    গতবারের চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান তারপর বারবাটিতে নেমে তিন মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে প্রীতম কোটালের আত্মঘাতী গোলে। রুপার্ট নোংরুমের উঁচু হয়ে আসা বল মাটিতে পড়ার সময় প্রীতমের পায়ে লেগে দেবজিৎ মজুমদারকে অবাক করে দিয়ে জালে!

    কিন্তু, দু-মিনিট পরই সমতা ফেরায় বাগান, ড্যারিল ডাফির গোলে। বাঁদিক দিয়ে বল পেয়ে এগিয়ে লাজংয়ের গোলরক্ষক বিশাল কেইথকে টেনে বের করে নিয়ে যান। বাঁপায়ের শট রেখেছিলেন গোলে। ধীরগতির শট, কিন্তু চিনগ্লেনসানা চেষ্টা করেও বের করে দিতে পারেননি বল।

    ইউতা কিনোয়াকি ফাউল করেছিলেন সোনি নর্দেকে, গোল থেকে ২৫ গজ দূরে। ফ্রি কিক এবং ফেডারেশন কাপে নিজের প্রথম গোল পেলেন হাইতির ফরোয়ার্ড, দুর্দান্ত শটে, কেইথকে নড়েত না দিয়ে। তৃতীয় গোল বিরতির ঠিক আগে। এবার সোনি ঢুকে এসেছিলেন বক্সে। শরীরের দোলায় ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে, টার্ন নিয়ে ডান পায়ে দূরের পোস্টের দিকে রেখেছিলেন বল যা বাগান-অধিনায়ক কাতসুমি ইউসা ঠিক সময়ে পায়ে-বলে করে ঠেলে দেন জালে।

    ৩-১ এগিয়ে যাওয়ায় কি সাময়িক আত্মতুষ্টি গ্রাস করেছিল মোহনবাগান ফুটবলারদের? দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু সহজ সুযোগ নষ্ট করেন তাঁরা। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য সোনি এবং পরিবর্ত হিসাবে নেমে জেজে লালপেখলুয়ার মিস। সোনি সামনে একা গোলরক্ষককে পেয়েও পাস করে দিয়েছিলেন, শট নেননি। জেজে নিয়েছিলেন দুর্বল শট।

    খেসারত দিতে হতেই পারত। কিনোয়াকি ২-৩ করে ফেলেছিলেন ৮০ মিনিটে। আর ইনজুরি টাইমের তৃতীয় ও শেষ মিনিটে অ্যালেন ডেউরির প্রচেষ্টা সফল হলে এক পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে হত গতবারের চ্যাম্পিয়নদের। বক্সের ডান দিকে উঁচু বল দুর্দান্ত রিসিভ করে চকিত টার্নে ভেতরে এসে জোরালো শট নিয়েছিলেন অ্যালেন, অল্পের জন্য যা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। রেফারির খেলা শেষের বাঁশি তারপরই।

    লাজং কি বিদায় নিল, দুটি ম্যাচেই ২-৩ হেরে? অঙ্কের বিচারে নয়! ডিএসকে-কে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে, আর আশা করতে হবে, মোহনবাগান যেন হারায় বেঙ্গালুরুকে। শুক্রবার এই দুটি ঘটনা যুগপৎ ঘটলে, মোহনবাগানের সঙ্গে লাজংই পৌঁছে যাবে সেমিফাইনালে!

    বৃহস্পতিবার ইস্টবেঙ্গল যদি দ্বিতীয় দল হিসাবে সেমিফাইনালে পৌঁছয়, প্রভূত সম্ভাবনা সেমিফাইনালে কলকাতা-ডার্বিরও!

    No comments