• Breaking News

    শিল্ড ফাইনালে মোহনবাগান, মাঠে প্রহৃত পাঠচক্র, অভিযোগ

    শান্তনু ব্যানার্জি


    অনূর্ধ্ব ১৯ আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে মোহনবাগান। ‘নিজেদের মাঠে’ টাইব্রেকারে ৫-৪ হারিয়ে, পাঠচক্রকে। ফাইনালে মোহনবাগানের সামনে কোন দল জানা যাবে বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় সেমিফাইনাল শেষে।

    টাইব্রেকারে মোহনবাগানের গোলকিপার সঞ্জয় কুমার ভট্টাচার্য তিনটি গোল বাঁচিয়ে সবুজ মেরুন সমর্থকদের কাছে আদরের 'সেভজিৎ' হয়ে ওঠেন। মোহনবাগানের সিনিয়র দলের গোলকিপার দেবজিৎ মজুমদারের ভক্ত সঞ্জয়কে টাইব্রেকারের সময়ে সমর্থকরা 'সেভজিৎ' বলে উৎসাহিত করে যাচ্ছিলেন। ‘সেটাই বাড়তি মোটিভেশন হিসেবে কাজ করেছে। শিল্ডে আমার সেরা ম্যাচ’, জানিয়েছেন কোন্নগরের ছেলে। চার মাস আগে মোহনবাগান আকাদেমিতে এসেছিলেন। এখন রীতিমতো নায়ক!

    কিন্ত, শিল্ডের অন্যান্য ম্যাচের মতোই সেমিফাইনালেও বিতর্ক‌। পাঠচক্রের হয়ে টাইব্রেকারে গোল করার পরে সুজয় ওঁরাও মোহনবাগান সমর্থকদের উদ্দেশে অশালীন ইঙ্গিত করে বসেন বলে অভিযোগ। মাঠে উত্তেজনা ছড়ায়। ঘরের মাঠে মোহন-সমর্থকরা জবাব না দিয়ে ছেড়ে দেবেই বা কেন! ম্যাচ শেষে মোহনবাগান সমর্থকরা গোটা পাঠচক্র টিমকে নিজেদের গ্যালারির তলায় গেটের মুখে ঘেরাও করে বসে। উপস্থিত পুলিশ অবশ্য উত্তেজনা বাড়তে দেয়নি।

    [caption id="attachment_3840" align="alignleft" width="810"] সেমিফাইনাল শেষে মোহলবাগান মাঠে গণ্ডগোল[/caption]

    পাঠচক্রের পক্ষে নবাব ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ‘সেমিফাইনাল মোহনবাগানের বিরুদ্ধে তাদেরই মাঠে না করার বিষয়ে মৌখিকভাবে আইএফএ-কে বলেছিলাম। কিন্তু আইএফএ শোনেনি। দুর্বল সংস্থা, চোখ, কান বন্ধ করে বসে আছে। এটা তো কোনও পাড়ার টুর্নামেন্ট হছে না! ভিজিটিং টিমের ন্যূনতম নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করেনি। সুজয় ওঁরাও যদি কিছু ভুল করে থাকে তার জন্য মাঠে রেফারি ছিলেন। আমাদের টিমের ফুটবলার থেকে শুরু করে কোচ, সমর্থক প্রত্যেকেই প্রহৃত হয়েছেন। শিল্ডে ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান দুটি মাঠেই যা অভিজ্ঞতা হল, বলার নয়। গোটা ব্যাপারটা লিখিত আকারে আইএফএ-র কাছে জানাব।’

    সমস্যা হল, আদতে মোহন-ইস্টের নিজেদের মাঠেই খেলাগুলো হলেও কলকাতা লিগ বা আইএফএ শিল্ডে ম্যাচগুলোকে ‘হোম’ হিসাবে যে ধরেই না আইএফএ!

    No comments