• Breaking News

    মহারাষ্ট্রের বড় ম্যাচের জন্য মঞ্চ প্রস্তুত

    আইএসএল মিডিয়া রিলিজ


    পুনে, ২৮ নভেম্বর – বালেওয়াড়ি স্টেডিয়ামে বুধবার এফসি পুনে সিটি আর মুম্বই সিটি এফসি শত্রুতা ঝালিয়ে নিতে তৈরি, চতুর্থ ইন্ডিয়ান সুপার লিগ একই রকমভাবে শুরুর পর। দুটি দলই তাদের প্রথম খেলায় হেরেছে। মুম্বই ০-২ হরেছিল বেঙ্গালুরু এফসি-র কাছে। আর পুনে ২-৩ হেরেছিল দিল্লি ডায়নামোসের বিরুদ্ধে। দু্ই দলই অবশ্য দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল, বিশেষত পুনে, চ্যাম্পিয়ন এটিকে-কে ৪-১ হারিয়ে, কলকাতাতে।


    পুনের কোচ রানকো পোপোভিচ জানিয়েছেন, ঘরের মাঠে প্রথম খেলায় হারের হতাশা তাঁর আছে এখনও। কিন্তু, গতবারের চ্যাম্পিয়নদের তাদের মাঠে গিয়ে যেভাবে হারিয়েছিল পুনে, তার আনন্দও কিছুতেই ভুলতে পারছেন না।


    ‘আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। প্রথম তিন পয়েন্টের দিকে তাকিয়ে ছিলাম সবাই। এবার ঘরের মাঠেও তিন পয়েন্টের জন্যই খেলা। তবে, কলকাতার গুরুত্ব আলাদা কারণ পুনের বাইরের মাঠে রেকর্ড খুব ভাল কখনও ছিল না,’ বলেছেন সার্বীয় কোচ।


    পঞ্চায় বছর বয়সি কোচ প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই বলেছিলেন, ফুটবলাররা যাতে দর্শকদের আনন্দ দিতে পারে সে দিকেও নজর রাখবেন, নির্দেশ দেবেন। প্রথম ম্যাচে সেটা হয়নি, কিন্তু এটিকের বিরুদ্ধে নিশ্চিতভাবেই দর্শকরা পেয়েছিলেন সেই আনন্দ।


    ‘প্রাক মরসুমেও গোল পেয়েছিলাম প্রতিটি ম্যাচে। পাইনি বলতে আইএসএল-এ প্রথম ম্যাচেই শুধু। আমার তো মনে হয় ব্যাপারটা মনোসংযোগেরই। এবারও আমরা একই জিনিস করার চেষ্টা করব – যত বেশি সম্ভব গোল করা। তবে, মনে রাখতে হবে যে, ফুটবলে সেটা সব সময় সম্ভব নয়,’ বলেছেন কোচ।


    মুম্বইয়ের কোচ আলেকজান্দ্রে গিমারায়েসকে সতর্ক থাকতে হবে পুনের আক্রমণভাগের ফুটবলারদের নিয়ে। বিশেষত এমিলিয়ানো আলফারো আর মার্সেলিনিও, যাঁরা দুজনেই দুটি করে গোল করে ফেলেছেন প্রথম দুটি ম্যাচেই।


    কোস্তা রিকার কোচ অবশ্য বলেই দিয়েছেন, পুনের আক্রমণভাগের ফুটবলারদের নিয়ে তাঁর দল সতর্ক থাকবে।


    ‘যে গোলগুলো করেছে, সুনির্দিষ্ট আক্রমণ থেকেই। আর যে দল ওভাবে গোল তুলে নিতে পারে তাদের বিরুদ্ধে ভুলের জায়গাই নেই। শাস্তি পেতেই হবে ভুল করলে,’ বলেছেন গিমারায়েস।


    কিন্তু গিমারায়েস মনে করছেন, তাঁর ফুটবলাররাও এবার ম্যাচ খেলতে এসেছেন বাড়তি আত্মবিশ্বাস নিয়ে।


    ‘ঘরের মাঠে জেতার আনন্দই আলাদা। ফুটবলাররা প্রত্যেকেই এখন বাড়তি আত্মবিশ্বাসী। ম্যাচ খেলতে নামার আগে যেমন ফলের প্রত্যাশায় মাঠে নামে, ম্যাচের শেষেও যখন কাঙ্ক্ষিত সেই তিন পয়েন্ট পাওয়া যায়, আনন্দ অন্যরকমই হয়,’ বলেছেন কোচ।


    রক্ষণ সংগঠন ধরে রাখার ক্ষেত্রে গিমারায়েসের মুন্সিয়ানা মনে রাখার মতোই। তবে স্বীকার করেছেন যে, অন্য সব ম্যানেজারদের মতোই তিনিও খুঁজেই চলেছেন তাঁর আদর্শ প্রথম এগার, মরসুমের শুরুর পর্বে দাঁড়িয়ে।


    পরের ম্যাচটাও মুম্বইকে খেলতে হবে বাইরেই। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে খেলতে যাবে মুম্বই। পুনের সুবিধা, পরের ম্যাচটাও বালেওয়াড়িতে, তাদের ঘরের মাঠেই। পরপর দুটি হোম ম্যাচ থেকে যত পয়েন্ট তুলে নিতে পারবে পুনে, সুবিধে হবে পরের ম্যাচগুলোর জন্য। এমনকি, এখনই যারা আছে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে তাদের প্রথম চারে থাকার দিকে আরও এগিয়েও দিতে পারে এই দুটি ম্যাচের ইতিবাচক ফল।


    মহারাষ্ট্রের বড় ম্যাচ শুরু হবে বুধবার, ২৯ নভেম্বর, রাত আটটায়।

    No comments